মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে তৃণমূলের (TMC) যুব নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি। পরে, লোহার রড, বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণেশ্বর থানার আড়িয়াদহ এলাকায়। আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতার নাম অরিত্র ঘোষ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, একটি গণ্ডগোল হয়েছে। গুলি চলার কোনও প্রমাণ নেই। সমস্ত ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?
বৃহস্পতিবার যুব তৃণমূল (TMC) নেতা অরিত্র ঘোষ বাইকে চেপে অফিসে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। কিন্তু, যুব তৃণমূল নেতার গায়ে লাগেনি। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর হামলাকারীরা তাঁকে ঘিরে ধরে রাস্তায় ফেলে মারধর করে। লোহর রড, বাঁশ দিয়ে যুব তৃণমূল নেতাকে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। হামলার জেরে তাঁর হাত-পা ভেঙে গিয়েছে। হামলার অভিযোগ তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠী জয়ন্ত সিং ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে।
কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC)?
আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতা অরিত্র ঘোষ বলেন, আমি বাইকে করে অফিসে যাচ্ছিলাম। বাড়ি থেকে বেরোনোর পরেই জয়ন্ত সিংহ এবং তাঁর দলের লোকেরা আমাকে গুলি করে। গুলিটা পায়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। আমি বাইক থেকে পড়ে যাই। তার পর ওরা আমাকে রড, লাঠি দিয়ে আধ ঘণ্টা ধরে মারে। আমি চাই প্রশাসন এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক।
কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?
তৃণমূলের ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, ঘটনার কথা আমি শুনেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও বিষয় নেই। স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে কথা বলব। দলগত কিছু হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, অরিত্র আমাদের দলের কর্মী। ওর নামে কোনও অভিযোগ নেই। প্রকাশ্যে দিবালোকে পর পর দুরাউন্ড গুলু চলেছে। পুলিশের ভুমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন করতে শুরু করেছে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply