মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুচরো বাজারে যোগান না থাকার কারণেই দাম বাড়ছে টমেটোর (Tomato), এমনটাই মনে করছেন উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। তবে এর সমাধানও বাতলে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে নতুন টমেটো, তা দেশের খুচরো বাজারে দেওয়া হবে।’’
আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!
রাজ্যসভার সাংসদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে কী বললেন মন্ত্রী?
রাজ্যসভায় শুক্রবার নির্দল সাংসদ কার্তিকেয় শর্মা টমেটোর দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তিনি জানিয়েছিলেন দিল্লি পাঞ্জাব চন্ডিগড় আন্দামান-নিকোবরে টমেটোর (Tomato) দাম ১৫০ টাকা ছুঁয়েছে। দিল্লিতে টমেটোর দাম ১৩০ টাকা প্রতি কিলো। সেই অবস্থায় সাধারণ মানুষ সমস্যার মধ্যে পড়ছেন। এদিন কার্তিকেয় শর্মার প্রশ্নের জবাবে বিবৃতি দেন উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী। এদিন উপভোক্তা মন্ত্রী বলেন, ‘‘সরকারের নজর রয়েছে গোটা পরিস্থিতির ওপরে। এবং কীভাবে টমেটো ন্যায্য মূল্যে জনগণকে দেওয়া যায়, তার চিন্তাভাবনা চলছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে টমেটো সংগ্রহের কাজও।’’ মন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘‘অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক থেকে টমেটো সংগ্রহ করে তা, দিল্লি, বিহার সমেত একাধিক রাজ্যের খুচরো বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।’’
অশ্বিনী চৌবের আরও বক্তব্য
মন্ত্রীর আরও বক্তব্য, টমেটোর (Tomato) দাম ৯০ টাকা/কেজি থেকে কমে ৮০ টাকা/কেজি হয় চলতি মাসের ১৬ তারিখে, পরে ২০ জুলাই তা আরও কমে হয় ৭০ টাকা/কেজি। এছাড়াও টমেটোর ফলন কম হওয়ার পেছনে একাধিক পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন টমেটো মূলত মরসুমি ফসল। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, কর্নাটকের কোলার টমেটো উৎপাদনে দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে। কিন্তু চলতি বছরে, সাদা মাছির উপদ্রব বেড়েছিল। পাশাপাশি হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশে প্রচন্ড বৃষ্টির কারণে টমেটোর ফলন সেভাবে হয়নি। এই সমস্ত কারণের জন্যই টমেটোর দাম হু হু করে বাড়তে থাকে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply