Nadia: “কাজ না করেও ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা”, ক্ষোভ জানিয়ে বললেন বঞ্চিতরা

Nadia_(31)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের বকেয়া মজুরির টাকা দেওয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। আর সেই টাকা দিতেই সামনে চলে এসেছে দুর্নীতি। তৃণমূলের প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন এলাকার মানুষ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) বারাসত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে প্রকৃত শ্রমিকেরা মজুরি না পেলেও, প্রধানের ঘনিষ্ঠদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে হাজার হাজার টাকা। মজুরি বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন। নদিয়ার রানাঘাট ব্লকের বারাসত পঞ্চায়েতের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

বেশ কয়েক বছর আগে ১০০ দিনের কাজ করেছিলেন পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অথচ রাজ্য সরকার ঘোষিত মজুরি প্রাপকদের তালিকায় তাঁদের নাম নথিভুক্ত করা নেই। যার ফলে তাঁরা প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য,  কাজ না করেও প্রধান-ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আর এলাকায় আমাদের মতো জবকার্ডধারীরা ৮০ থেকে ৯০ দিন কাজ করেও মজুরি প্রাপকদের তালিকায় নাম নেই। কিন্ত এক দিনও কাজ না করেও পুরো ১০০ দিনের টাকা পাচ্ছেন অনেকে তৃণমূলকর্মীরা। অতীতে আবাস দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়ে ছিল নদিয়ার (Nadia)  বারাসাত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের। পাকা ঘর থাকা সত্ত্বেও প্রধানের পরিবারের একাধিক সদস্যদের আবাস তালিকায় নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ১০০ দিনের টাকা বণ্টন ঘিরেও জব কার্ড প্রাপকদের দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে আবার সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।

তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

পঞ্চায়েত প্রধান শেফালি দাবি করেছেন, এখানেও রয়েছে ‘বিরোধীদের রাজনীতি।’ তিনি বলেন, “যত জনের জব কার্ড রয়েছে তার থেকেও বেশি জন টাকার জন্য আবেদন করেছেন। এরপর তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ১,৪৫৮ জন মজুরির জন্য আবেদন করেছেন। অথচ, জব কার্ড প্রাপকের সংখ্যা ১,২৫৩। কেন্দ্র যখন টাকা দেয়নি, কেউ কিছু বলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বঞ্চিত শ্রমিকদের টাকা দিতেই বিরোধীদল হট্টগোল পাকানোর চেষ্টা করছে।”

বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূল আর দুর্নীতি সমার্থক শব্দ। ভোটের কর্মীদের লুটেপুটে খাওয়ার জন্যই ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার স্কিম নিয়েছে তৃণমূল। আসলে এটা তৃণমূলের দলীয় তহবিলে নিজস্ব খরচ।”

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share