Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

Memari_(1)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই বোর্ড গঠন হয়েছে। এরই মধ্যে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে হেনস্থা, জাতিগত বৈষম্য সহ একাধিক অভিযোগ করলেন দলেরই মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু। এমনকী, মেমারি (Memari) থানার সামনে তৃণমূল কর্মীরা একে অপরকে প্রকাশ্যে হুঙ্কার দিতে থাকেন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য তথা সহ সভাপতির স্ত্রী ডালিয়া খাতুন, তৃণমূল কর্মী শেখ রহিম, জ্যোর্তিময় মণ্ডলের নামে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Memari)

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের মেমারির (Memari) কুচুট পঞ্চায়েত প্রধান মদনমোহন দাস তাঁর ঘরে এলাকার সদস্যদের নিয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় সভাপতি ময়না হালদার টুডু তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। তারপর সভাপতি পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে ফিরে আসেন। বিকেলে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফফর মল্লিক তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে এলে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেমারি থানার পুলিশ।

মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

এ-বিষয়ে মেমারি (Memari) ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু বলেন, ‘আমি সভাপতি পদে বসার পর থেকেই জাতিগত বৈষম্যের শিকার হতে হয়। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতপাত তুলে কটূক্তি করা হয়। এদিনের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। শুধু তাই নয়, মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী-সহ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক ঠিকাদারদের কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য প্রভাব খাটায়।’

মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি কী বললেন?

পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক বলেন, এ-ধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। এটি মিথ্যে অভিযোগ। যদি কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, পুলিশ তদন্ত করবে। জাতিগত বিদ্বেষ সংক্রান্ত অভিযোগের প্রশ্নে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমি এবং আমার অনুগামীরা দীক্ষিত। সব জাতিকে শ্রদ্ধা, সম্মান করা দলের কাজ। জাতিগত বৈষম্য বিজেপি-সিপিএম করে, আমরা নই।  

আদিবাসী সমাজের কর্তারা কী বললেন?

আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে অশোক হেমব্রম বলেন, মহিলা সভাপতির প্রতি এই দুর্ব্যবহার, কটূক্তি, জঙ্গলমহল তুলে কথাবার্তার বিচার যদি না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share