Hooghly: প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কা করছেন তৃণমূল বিধায়ক, কেন জানেন?

Untitled_design_(64)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলাগড়ে দলের একাংশের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করেই দলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। শাসক দলের বিধায়ক হলেও দলের নেতা-নেত্রীর হাতে প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ৭ জানুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ করে দলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে কার্যত বোমা ফাটানোর তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Hooghly)

কয়েক মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছিলেন, ‘এতো ট্রেলর হ্যায়,পিকচার অভি বাকি হ্যায় দোস্ত। একটু অপেক্ষা কর সব কিছু পরিষ্কার হবে। চোর খোরদেরকাটমানি সাম্রাজ্য আমি ধ্বংস করবই। আমি দিদির আশীর্বাদ নিয়ে বলাগড়ে এসেছি। চোর মাটি মাফিয়া জুয়া বোর্ডের মালিক যে যা পারিস করে নে।’ তৃণমূলের চলা নবীন-প্রবীণ, প্রবীণ-প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যেই তৃণমূলে থাকার ব্যাপারে ‘এসপার-ওসপার’ করার বার্তা দিলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোরঞ্জনবাবু লিখেছেন, ‘প্রিয় বলাগড়বাসী আপামর জনগণ, আমি আপনাদের সেবক ভাই বন্ধু, আপনাদের জ্ঞাতার্থে অতি মনোদুঃখে জানাচ্ছি, বিগত কয়েক দিন ধরে যা চলছে আপনারা সবাই জ্ঞাত আছেন। আর কেন আমি বলাগড় বিধানসভা থেকে দূরে বসে আছি, সেই কদাকার ঘটনাক্রম নিয়ে আগামী ৭ জানুয়ারি রাত আটটার সময় আমি ফেসবুক লাইভ করতে চলেছি। বলা চলে, শেষ জবাব দিতে চলেছি। সে দিন আমি কিছু নিজের কথা বলব। আর কিছু আপনাদের মনের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া প্রশ্নেরও জবাব দেব। সাংবাদিক বন্ধুদেরও বলছি, তৈরি থাকুন। তারপর ঘোষণা করব আগামী দিনের কর্মসূচি। যাতে আমার বা তৃণমূল দলের লাভ হবে না ক্ষতি, সেটা আমি জানি না। দুই-তিন বছর অনেক অপমান সহ্য করেছি। আর নয়। লড়াই এ বার এসপার-ওসপার।’

প্রাণ সংশয় নিয়ে কী বলেছেন বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক?

নাম না করে এরপর কয়েক জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মনোরঞ্জনবাবু লিখেছেন, ‘এক মাটির মাফিয়া, বালি মাফিয়া, গাঁজার পাচারকারীদের সহায়ক জুয়ার বোর্ড চালানো উপনেতা আমাকে চোর বলেছে, খুনি বলেছে, ধর্ষক বলছে। আমি নাকি মহাশ্বেতা দেবীর লেখা নিজের নামে ছাপিয়ে কয়েক লক্ষ না কোটি টাকা কামিয়েছি, সেই আমাকে দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেন আমাকে বলাগড়ের বিধায়ক বানিয়েছেন। আমি যদি এই, তা হলে দিদিই বা কেমন মানুষ? তিনি আমার বিষয়ে কোনও খোঁজখবর নিলেন না? আর এই দলটিই বা কেমন? যারা এমন একটা চোর ছ্যাঁচড়কে দলের সঙ্গে যুক্ত করলেন? তৃণমূলের সবাই চোর’! সেটা কি সত্যি? চোর ছাড়া দলে আর কোনও লোক নেই?’ তিনি আরও লিখেছেন, সেই যে- বলাগড়ের ফুলন দেবী! যে কুড়ি পঁচিশজন সার্ফ শুটার সঙ্গে নিয়ে ঘোরে, যে আমাকে মহিপালপুরে জনসভা করে মাটিতে পুঁতে দেবে বলেছেন! হয় সে আমাকে সত্যি সত্যিই পুঁতে দেবে, আর তা না হলে আমি তাকে তার রাজনৈতিক জীবন থেকে রিটায়ার করিয়ে দেব। দেখব, তাঁর কলকাতার ‘বাবু’ তাকে কি ভাবে বাঁচায়! তৃণমূল বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share