Uttar Dinajpur: দিনেরবেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়তো!

Uttar_Dinajpur_(1)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনেদুপুরে শুটআউট। এবারে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। নিহত তৃণমূলের প্রধানের নাম মহম্মদ রাহির। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ইসলামপুরের  পাঞ্জীপাড়া এলাকায়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে খুন কিনা তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Uttar Dinajpur)

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) পাঞ্জীপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান মহম্মদ রাহিরকে দলীয় এক সদস্যকে নিয়ে বাইকে করে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পঞ্চায়েত দফতরের সামনে তাঁকে লক্ষ্য করে দুদফায় এলোপাথাড়়ি গুলি করে কয়েকজন দুষ্কৃতী। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে পাঞ্জীপাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর পেটে এবং হাতে গুলি লাগে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। তাঁর শারীরিক  অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, তৃণমূলের ওই প্রধান বাইকে করে যাচ্ছিলেন। পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দুটি বাইকে কয়েকজন দুষ্কৃতী আসে। এরপর তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। পঞ্চায়েত অফিস থেকে তিনি ছুটে পালানোর চেষ্টা করেন। পিছনে ধাওয়া করে তাঁকে ফের গুলি চালানো হয়। এরপর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যান। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটালো তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পাঞ্জীপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শান্তি রঞ্জন মৃধা বলেন, এই ধরনের ঘটনা আমাদের এই এলাকায় এর আগে হয়নি। পঞ্চায়েত প্রধান অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর মতো মানুষকে এভাবে হামলার করার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

কী বললেন জেলা নেতৃত্ব?

তৃণমূলের জেলা (Uttar Dinajpur) সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, পরিকল্পিতভাবেই দলীয় প্রধানের উপর হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর সঙ্গে দলের এক পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। একনও হামলার কারণ স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

কী বললেন জেলাশাসক?

জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি দেখছে। এখনও কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা বুঝতে পারছি না।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share