Anganwadi Centre: টাকার অভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিশুদের খাবার বন্ধের মুখে! কোথায় জানেন?

Anganwadi_Centre

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গর্ভবতী মা ও শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া বন্ধের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে (Anganwadi Centre) সবজি ও ডিমের বিল বন্ধ রয়েছে। ফলে সমস্যায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। আপাতত পাড়ার দোকান থেকে সবজি ও ডিম বাকিতে নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবার দিচ্ছেন কর্মীরা। কিন্তু বিল না এলে তাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে জানালেন বালুরঘাটে জেলাশাসকের দফতরে ডেপুটেশন দিতে আসা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। পাশাপাশি দুই মাস ধরে নিজেদের বেতন পাননি বলে দাবি করেন তাঁরা। দুই মাস ধরে মাসিক বেতন না পাওয়ায় আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। এদিন বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসকের দফতরের সামনে বকেয়া বেতন, ভাতা বৃদ্ধি, সবজি ও ডিমের বিলের টাকাসহ মোট ১২ দফা দাবিতে বিক্ষোভ দেখান সারা বাংলা অঙ্গনওয়াড়ি ও সহায়িকা কর্মীরা। বিক্ষোভ অবস্থানের পাশাপাশি এদিন সারা বাংলা অঙ্গ‌ন‌ওয়াড়ি ও সহায়িকা কর্মীদের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয় জেলাশাসকের দফতরে।

কী কী অভিযোগ জানালেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকারা? 

সংগঠনের এক নেত্রী বলেন, সারা বাংলা অঙ্গনওয়াড়ি (Anganwadi Centre) কর্মী ও সহায়িকা সমিতির পক্ষ থেকে আজ আমরা ডেপুটেশন দিতে এসেছি। আমাদের দুই মাস ধরে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্র এবং রাজ্যে যারা সরকারে আছে, তারা কী অ্যালটমেন্ট করেছে, তা আমরা জানি না। কিন্তু আমাদের বারবার বলা হচ্ছে অ্যালটমেন্ট ঢোকেনি। সেই কারণেই আমরা ডিএম, এসডিও সহ সংশ্লিষ্ট দফতরে বিষয়টি জানানোর জন্য এসেছি। বেতন কেন বন্ধ হল, সবজি বিল কেন বন্ধ হল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না। সবথেকে বড় কথা হল, আমাদের ওখানে ৩ থেকে ৬ বছরের শিশুরা আসে। তাছাড়া গর্ভবতী মা এবং প্রসূতিরাও আমাদের পরিষেবা নেয়। কিন্তু আজ আড়াই মাস হতে চলল, এখনও পর্যন্ত সবজি বিল আসেনি। সরকার কি চাইছে, বাচ্চারা, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েরা অপুষ্টিতে ভুগুক? আজ শুধু আমাদের কথা ভেবেই আমরা এখানে আসিনি। এসেছি গরীব মানুষের কথা ভেবেও। মেয়েরা নিজেদের উদ্যোগে এতদিন চালিয়ে এসেছে। কিন্তু তাদের বেতনও তো আটকে গেছে। ফলে তারাও আর পরিষেবা দিতে চাইছে না। আমাদের দাবি, যাবতীয় বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। না হলে সমস্ত কেন্দ্র আমরা বন্ধ করে দেবো।
তিনি আরও বলেন, এর আগে আমরা ৩ তারিখে এসেছিলাম। তখন এডিএম সাহেব বলেছিলেন, আপনারা একটু ধৈর্য ধরুন। এক সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। তাই আমরা ফের এসেছি আমাদের সমস্যার কথা জানাতে। যারা ধারে জিনিস দিয়েছে, তারা ভবিষ্যতে ফের দেবে কি না, জানি না। কারণ, আমাদের সম্পর্কে তাদের একটা অবিশ্বাসের জন্ম হয়েছে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share