মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের সঙ্গে শনিবার সাক্ষাৎ করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সৌজন্য সাক্ষাৎ সারতেই রাজভবনে যান তিনি। জানা গিয়েছে, এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে কিনা, তা জানতে চান রাজ্যপাল। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ভিডিওগ্রাফি করানোরও পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল, সূত্রের খবর এমনটাই।
কী বললেন রাজ্যপাল?
জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এদিন কমিশনারকে প্রশ্ন করেন, ‘‘পর্যাপ্ত ফোর্স কি রয়েছে? কেন্দ্রীয় বাহিনী কি আনা হবে?’’ উত্তরে কমিশনার বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার সিদ্ধান্ত সাধারণত আদালত নেয়। মামলা আদালতে বিচারাধীন। সেক্ষেত্রে আপাতত আদালতের দিকেই তাকিয়ে তাঁরা।’’ অন্যদিকে শান্তিপূর্ণভাবে যাতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিকে নজর দেয় কমিশন, রাজ্যপাল এদিন সেই পরামর্শও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: সাংগঠনিক ভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী, শতাধিক বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা পড়ল নদিয়ায়
১৩ জুন সর্বদলীয় বৈঠক
পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে প্রথম দিন থেকেই রাজনৈতিক হিংসার আগুনে জ্বলছে বাংলা। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে এক বিরোধী কর্মীকে খুনের অভিযোগও উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। জায়গায় জায়গায় শাসকদলের বিরুদ্ধে ব্লক অফিস ঘিরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এসবের মধ্যেই এবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৩ জুন এই সর্বদলীয় বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে। সাধারণভাবে সর্বদলীয় বৈঠকের পরেই ভোট ঘোষণার রীতি। কিন্তু সেসব না মেনে একতরফা ভোট ঘোষণা করে দেয় কমিশন। প্রথমদিনে মনোনয়ন নিতে প্রস্তুতও ছিল না বেশিরভাগ ব্লক অফিস। তারা জানায়, নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত নথি তাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। উল্লেখ্য, সর্বদলীয় বৈঠক না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার দিনই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রশ্ন তুলে দিয়েছিলেন। শুভেন্দুর বক্তব্য ছিল, ‘‘কোনওরকম সর্বদলীয় বৈঠক না করেই একতরফাভাবে ভোট ঘোষণা করা হয়েছে।’’
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply