ED Raid in Kolkata: নিয়োগ-তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, কলকাতার ৬ জায়গায় চলছে অভিযান

large-ED-Search

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের ‘অ্যাকশনে’ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এবার গোয়েন্দারা হানা দিয়েছেন এই মামলায় জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও প্রোমোটারের বাড়িতে। এছাড়া, তল্লাশি চলছে বাঁশদ্রোনি, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি মিলিয়ে মোট ৬ জায়গায় চলছে তল্লাশি (ED Raid in Kolkata)। শুক্রবার সাত-সকালে কলকাতার একধিক জায়গায় একযোগে অভিযানে দিয়েছে ইডি-র টিম। 

কী জানা যাচ্ছে?

এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, নিয়োগকাণ্ডের (Recruitment Scam) তদন্তে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক জায়গায় এই অভিযান সংগঠিত হচ্ছে। শুক্রবার ভোরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোয় ইডি অফিসারদের গাড়ি। বিভিন্ন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলে যায় এক-একটি টিম। মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালানো (ED Raid in Kolkata) হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। একটি টিম এসেছে নাকতলায়। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিক উল্টোদিকেই পাঁচতলা বাড়ি রাজীব দে-র। সেখানে তল্লাশি অভিযান ইডি-র। এর পাশাপাশি, বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে রাজীব দে-র শ্রীরাম কনস্ট্রাকশনের অফিসেও তল্লাশিতে নামেন ইডি আধিকারিকরা। তল্লাশি চলছে বাঁশদ্রোণীর একটি বাড়িতেও। ইডি সূত্রে খবর, ওই বাড়িটিও রাজীবের মালিকানাধীন।

কেন হানা এই প্রোমোটারের বাড়িতে?

জানা যাচ্ছে, রাজীব বরাবরই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। ইডি সূত্রে দাবি, বিপুল পরিমাণ কালো টাকা বাজারে খাটিয়েছেন পার্থ ঘনিষ্ঠ এই প্রোমোটার। তাঁর নামে একাধিক বেনামি সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে ইডি সূত্রে। এর আগেও ৩-৪ বার রাজীব দে-কে নোটিস পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। আরও জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পার্থ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে জেরা  (Recruitment Scam) করে ইডি। তখনই রাজীব দে-র নাম উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই, এই সকল জায়গায় অভিযানে (ED Raid in Kolkata) যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। 

রেশনকাণ্ডেও অ্যাকশনে ইডি

এর আগে, মঙ্গলবার সকালে রেশন দুর্নীতির তদন্তে শহরের ৬ জায়গায় হানা দেয় ইডি। বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ইডি আধিকারিকরা পার্ক স্ট্রিট, রাসেল স্ট্রিট, বাগুইহাটি, কৈখালি ও সল্টলেকের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়েছিলেন। রাতভর জেরা করার পর সল্টলেকের আইবি ব্লকের বাড়ি থেকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয় বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যবসায়ীকে। তিনি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং রেশন মামলাতেই ধৃত শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুর ঘনিষ্ঠ বলে খবর ইডি সূত্রে। ওই মামলায় মোট গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার। এর আগে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে। তাঁর সূত্রে ধরে ধরা হয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুকে। 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share