Hafiz Saeed: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

hafiz-son

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) প্রতিষ্ঠাতা তথা ভারতে ২৬/১১ হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ছেলে তথা সন্ত্রাসী কামালউদ্দিন ইব্রাহিম সইদের অপহরণ ও সম্ভাব্য হত্যা নিয়ে গত তিনদিন ধরে সরগরম পাকিস্তান। খবরে প্রকাশ, কয়েকদিন আগে জঙ্গি নেতা হাফিজের ছেলেকে কে বা কারা পেশওয়ারের রাস্তা থেকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ। শুক্রবার, সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media News) একাধিক দাবি করা হয় যে, হাফিজের ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তার দেহও নাকি উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে, এই খবর নিয়ে এখন জোর চর্চা নেট-পাড়ায়। যদিও, পাকিস্তানের প্রশাসনিক স্তরে অপহরণ বা হত্যা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে এখন কামালউদ্দিনের খবর (Social Media News) ছড়িয়ে রয়েছে। ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে কয়েকজন দাবি করেছেন, জঙ্গি-নেতার ছেলের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁদের দাবি, কামালউদ্দিনকে হয়ত হত্যার আগে অত্যাচার করা হয়েছে। হাফিজের (Hafiz Saeed) ছেলের দেহ কোথায় উদ্ধার হয়েছে, সেই তথ্যও তাঁরা তুলে ধরেছেন। একজন লিখেছেন, খাইবার-পাখতুনখোয়া অঞ্চলের জাব্বা উপত্যকায় উদ্ধার হয়েছে কামালউদ্দিনের দেহ। কারও কারও দাবি, ইতিমধ্যে দেহটি নিঃশব্দে সৎকারও করে দিয়েছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। আবার কেউ এমনও লিখেছেন যে, এই ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে ভুগছে আইএসআই।

 

অপহরণের খবর প্রকাশ্যে আসে ২৭ তারিখ

গত ২৭ তারিখ, কামালউদ্দিনের উধাও হওয়ার খবর পাকিস্তানের একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। দাবি করা হয়, পেশোয়ারের রাস্তা থেকে জঙ্গি-নেতার (Hafiz Saeed) ছেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। খবরে, এও দাবি করা হয়, কামালউদ্দিন কোথায় আছেন, তা খুঁজে পায়নি আইএসআই। ২ দিন পর, শুক্রবার থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কামালউদ্দিনের হত্যা ও দেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে (Social Media News)। এসবের মধ্যে মুখ কুলুপ এঁটেছে পাকিস্তান সরকার। প্রশাসনের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি এখনও পর্যন্ত। ২০২০ সালে কামালউদ্দিনকে জঙ্গি ঘোষণা করেছিল ভারত।

 

আতঙ্ক গ্রাস করেছে আইএসআই-তে

এদিকে, কামালউদ্দিনের আচমকা অপহরণ হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষস্তরে। তন্নতন্ন করে খোঁজ শুরু হয়। যদিও, বিফলে যায় সব কিছু। নিজেদের মুখ রক্ষায় চুপিসাড়ে কামালউদ্দিনের সৎকার করে দেয় তারা। এই ঘটনায়, আতঙ্ক শুরু হয়েছে বিভিন্ন পাক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোতে। যেভাবে পাকিস্তানে সাম্প্রতিককালে একের পর এক জঙ্গি-নেতা অপহরণ ও নিধনের ঘটনা ঘটে চলেছে, তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এতদিন তাদের সুরক্ষা দিয়ে আসা আইএসআই ও পাক প্রশাসন।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share