Siliguri: শিলিগুড়ির দুর্গাপুজোর কার্নিভালের এ কী হাল! জানলে চমকে উঠবেন

Siliguri_(3)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ জুড়ে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল পুজো কার্নিভাল। কিন্তু, শিলিগুড়িতে (Siliguri) দ্বিতীয় বর্ষেই মুখ থুবড়ে পড়েছে এই কার্নিভাল। গতবার শহরের ২৬ টি ক্লাবকে নিয়ে এই কার্নিভাল শুরু হয়েছিল। কিন্তু এবার অনেক বুঝিয়ে মাত্র ১০ টি ক্লাবকে এই কার্নিভালে অংশগ্রহণ করাতে সফল হয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। ৭০ হাজার টাকা পুজোর অনুদান দিয়ে ক্লাবগুলিকে সহজেই কার্নিভালে পাওয়া যাবে, এই ভাবনায় জোর ধাক্কা খেয়েছে প্রশাসন তথা তৃণমূল সরকার। শিলিগুড়ি শহর ও তার লাগোয়া এলাকায় পাঁচশোরও বেশি পুজো হয়। এর মধ্যে দু’শোটি বিগ বাজেটের পুজো রয়েছে। এর মধ্যে শিলিগুড়ি পুরসভার একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলার ও মেয়র পরিষদ সদস্যের পুজোও রয়েছে। সেখানে কার্নিভালে মাত্র ১০টি ক্লাব! কার্নিভাল কার্যত প্রহসনে পরিণত হয়েছে।

কার্নিভাল থেকে কেন মুখ ফিরিয়েছে ক্লাবগুলি? (Siliguri)

কার্নিভালে অংশগ্রহণের জন্য বাড়তি এক থেকে দু’দিন প্রতিমা রেখে দিতে হবে। এর জন্য বিশাল বাড়তি খরচ বহন করতে হয়। সেই সঙ্গে কার্নিভালের জন্য  ট্যাবলো ও সাজসজ্জার মোটা টাকা খরচ রয়েছে। পুজো কমিটিগুলির বক্তব্য, এত খরচ করে পুজো করার পর শুধু কার্নিভালে অংশ নেওয়ার জন্য দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বাড়তি খরচ বহন করা সম্ভব নয়। একাধিক বিগ বাজেটের পুজো কমিটি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাড়তি দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা টাকা খরচ করে কার্নিভালে অংশ নেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

কী বলছেন শিলিগুড়ি পুরসভার কর্মকর্তারা? (Siliguri)

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শিলিগুড়িতে এই কার্নিভালের আয়োজক শিলিগুড়ি পুরসভা। পুজোর বেশ কিছুদিন আগে থেকেই কার্নিভালের প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন মেয়র তথা শিলিগুড়ি পুরসভা।  বিভিন্ন ক্লাবকে প্রথম থেকে বুঝিয়েও মেয়র ও ডেপুটি মেয়র সব ক্লাবকে রাজি করাতে পারেননি। ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার বলেন, আমরা ক্লাবগুলিকে অনেক বুঝিয়েছি। কিন্তু, বেশিরভাগ ক্লাব কার্নিভালের জন্য বাড়তি খরচ বহন করতে রাজি হয়নি। এটা ঠিকই কার্নিভালের জন্য বাড়তি দু’দিন প্রতিমা রেখে দেওয়ার খরচ অনেক।

কার্নিভাল নিয়ে কী বলছেন বিজেপি বিধায়ক?

শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, কার্নিভালে অংশ নেওয়ার জন্য ক্লাবগুলিকে নানা ভাবে বোঝানো হয়েছে, চাপও সৃষ্টি করা হয়েছে। ঘুরপথে বাড়তি খরচ তুলে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। তাতেও দশটির বেশি ক্লাব পাওয়া যায়নি। এটা সরকারি ক্ষমতা ও অর্থের অপচয় ছাড়া কিছু নয়।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share