মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2026) প্রাক্কালে পাক ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস করল ভারতীয় গোয়েন্দা দফতর। জঙ্গি কার্যকলাপের ছকের নাম ‘২৬-২৬’। দেশের সর্বত্র নাশকতা রুখতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট (ISI Attack Plan)। ২৬ জানুয়ারির আগে দেশে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার পিছনে রয়েছে পাক সেনার মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। সূত্রের খবর, জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং পাঞ্জাবের কিছু গ্যাংস্টার একযোগে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী দিল্লির নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
৪ শহরে বিস্ফোরণের ছক (Republic Day 2026)!
গত কয়েকমাস আগে লালকেল্লার বিস্ফোরণ দেশবাসীর মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছিল। কেড়ে নিয়েছে ২০ জনের বেশি প্রাণ। দেশে এমন বিস্ফোরণের ঘটনা সত্যই ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সূত্রের খবর, এবারে জঙ্গিদের প্ল্যান ছিল একটা দুটো নয় ৪ টে শহরে বিস্ফোরণ ঘটানো। দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয় ৬ ডিসেম্বরকে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৯২ সালের এই দিনেই বাবরি মসজিদের বিতর্কিত কাঠামোকে ধ্বংস করা হয়েছিল। জঙ্গিদের উদ্দেশ্য ছিল বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নেওয়া। আর তাই অযোধ্যার রাম মন্দিরকেও টার্গেট করা হয়েছে। দিল্লির মতো একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টের মধ্যে দিয়ে বিরাট হামলার ছক (ISI Attack Plan) করা হয়।
রেক্রুট্মেন্ট সেলকে চাঙ্গা করতে চায় জঙ্গিরা
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জঙ্গিরা নিজেদের প্ল্যানে একসঙ্গে একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণে বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তার মধ্যে প্রধান অপারেশন সিঁদুরের বদলা। নিজেদের রিক্রুটমেন্ট সেলকে চাঙ্গা করে নাশকতামূলক কাজকে বাস্তবায়ন করাও লক্ষ ছিল। দেশের ৪টি শহরে পরপর বিস্ফোরণ ঘটাতে ৮ জনের একএকটি করে পৃথক পৃথক দল গঠন করা হয়েছিল। জঙ্গিদের পরিকল্পনায় ছিল আইইডি প্রতিটি শহরে পৌঁছে যাবে ২ জন করে। হামলার দিন প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল ১৫ অগাস্ট। কিন্তু তা এখন পাল্টে করা হয়েছে ২৬ শে জানুয়ারি। ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধার এবং দিল্লি বিস্ফোরণে একের পর এক জঙ্গিদের বিভিন্ন সূত্রে সন্ত্রাসবাদীদের ষড়যন্ত্রকে ক্রমেই প্রকাশ্যে এনেছে। এবার এই ২৬-২৬ মডেলের নাশকতার ছকের পর্দাফাঁসের ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে পাকিস্তানের সেনা, আইএসআই এবং জঙ্গি সংগঠনগুলি ভারত ধ্বংসের জন্য কতটা কূটকৌশলী। পাল্টা ভারতীয় সুরক্ষা বাহিনীও অত্যন্ত তৎপর।

Leave a Reply