Cooch Behar: ধরা পড়েই তৃণমূলের প্রার্থী বললেন, “আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না”!

Cooch_Behar_(6)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথে ছাপ্পা ভোট দিতে এসে গ্রামবাসীর তৎপরতায় ধরা পড়ে গেল এক ছাপ্পা প্রদানকারী। তাকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। ঘটনাটি কোচবিহারের (Cooch Behar) নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের গুড়িয়াহাটি- ১ নম্বর অঞ্চলের ৮/১৪৪ নম্বর বুথে। এই ঘটনা ঘটে যাবার পর তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত প্রার্থী মানিক দে বলেন “আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না”। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থীর বক্তব্য (Cooch Behar)

তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী (Cooch Behar) মানিক কুণ্ডু বলেন, এই বুথে ভোট বন্ধ হয়েছে ভালো হয়েছে! আমি এই ভাবে জিততে চাই না! দুষ্কৃতীরা এসে ছাপ্পা মেরেছে। অত্যন্ত অন্যায় কাজ। কারা ছাপ্পা মেরেছে জিজ্ঞেস করলে নাম বলতে চাননি তিনি। তিনি আরও বলেন, আমি কোনও অনৈতিক কাজকে সমর্থন করি না, সাধারণ মানুষের কাছে আমি ছাপ্পা ভোটে জিততে চাই না। মানুষের পছন্দের রায় আমি মাথা পেতে নেব।

বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থীর বক্তব্য

বুথে (Cooch Behar) দুপুর ঠিক ১২ টায় ভোট শান্তিপূর্ণ চলছিল। কিন্তু আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এসে সকলকে বলে ভোট হয়ে গেছে, সকলে চলে যাও। এরপর জেলা পরিষদের ব্যালটে ছাপ্পা দিতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। বুথের ভিতরে একজন বন্দুকধারী পুলিশ ছিলেন। কিন্তু দুষ্কৃতীদের কিছুই বললেন না। এই পরিস্থিতিতে এলাকার ভোটাররা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবাদ করলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আর এর পরেই এক দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলে উত্তেজিত ভোটাররা।

প্রিসাইডিং অফিসারের বক্তব্য

৮/১৪৪ বুথের (Cooch Behar) প্রিসাইডিং অফিসার চৈতন্য পোদ্দার বলেন, সকাল থেকে ভোট শান্তিপূর্ণ ছিল। দুপুরে ১২ টায় পাঁচ থেকে ছয় জন মুখে গামছা বেঁধে বুথের ভিতরে ঢোকে এবং এরপর ব্যালট পেপার নিয়ে টানাটানি করে ছাপ্পা মারতে শুরু করে। এরপর বক্সগুলিতে জল ঢেলে দিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পরে সাধারণ ভোটাররা প্রতিবাদ করলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। এরপর থেকেই ভোট কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করা হয়েছে। নির্দেশ এলে আবার ভোট নেওয়া হবে বলে জানান প্রিসাইডিং অফিসার।  

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share