Hindenburg Report: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, আদানি-যোগ উড়িয়ে দাবি সেবি চেয়ারম্যানের

WhatsApp_Image_2024-08-11_at_127.21_PM

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আদানি ইস্যুতে হিন্ডেনবার্গের (Hindenburg Report) অভিযোগ ওড়ালেন সেবি চেয়ারম্যান। আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়, আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিদেশে সরানো টাকায় অংশীদারিত্ব ছিল শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির প্রধানের। এবার আদানি-যোগ নিয়ে হিন্ডেনবার্গের সেই অভিযোগ ওড়ালেন সেবির চেয়ারপার্সন (Sebi Chairperson) মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ। একটি বিবৃতি দিয়ে তাঁরা দাবি করেছেন, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের যাবতীয় অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’। তাঁদের ‘চরিত্রহনন’ করার জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

কী জানালেন সেবির চেয়ারপার্সন? (Sebi Chairperson) 

হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুচ দম্পতির তরফে বলা হয়েছে, “যাবতীয় আর্থিক তথ্য প্রকাশ্যে আনার বিষয়ে আমাদের কোনও সঙ্কোচ নেই। এমনকী আমরা যখন কোনও সরকারি পদে ছিলাম না, তখনকার যে কোনও তথ্যও যে কোনও সংস্থা খতিয়ে দেখতে পারে।” এর পাশাপাশি বিবৃতিতে হিন্ডেনবার্গ সংস্থাকে তোপ দেগে তাঁরা জানিয়েছেন, “সেবি যে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের বিভাগে পদক্ষেপ করেছিল এবং শো-কজ নোটিশ পাঠিয়েছিল, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সেই সংস্থাই চরিত্রহনন করার চেষ্টা করছে।” 

আগে কী ঘটেছিল?  

গৌতম আদানির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আঠেরো মাস আগে তোপ দাগার পরে সম্প্রতি ফের সংবাদের শিরোনামে এসেছিল মার্কিন শর্ট সেলিং ইনভেস্টমেন্ট রিসার্চ ফার্ম হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg Report)। জানিয়েছিল, ফের ভারতে বোমা ফাটাতে চলেছে তারা। দেখা গেল, এবার তাদের নিশানায় দেশের সব সংস্থার নিয়ামক কর্তৃপক্ষ সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার (সেবি) চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ। 

আরও পড়ুন: কোথায় বঞ্চনা? ইউপিএ’র তুলনায় মোদির আমলে বাংলার বরাদ্দ বেড়েছে ২১৮ শতাংশ!

এই সংস্থাই শনিবার তাদের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে লেখে, “আদানিরা বিদেশে যে টাকা সরিয়েছেন, তাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা সেবির প্রধানের।” হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে (Hindenburg Report) আরও দাবি করা হয় যে, গৌতম আদানির ভাই বিনোদ আদানির বিদেশে থাকা সংস্থায় অংশীদারিত্ব রয়েছে সেবি প্রধান এবং তাঁর স্বামীর। ২০১৭ সালে সেবিতে যোগ দেন মাধবী। রিপোর্টে এ-ও দাবি করা হয়েছে যে, সেই সময় সম্ভাব্য নজরদারি এড়াতে মাধবীর নামে থাকা সমস্ত বিদেশি বিনিয়োগ নিজের নামে করে নেন ধবল। তবে এই রিপোর্টের কথা সামনে আসার পরেই হিন্ডেনবার্গ যাবতীয় অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ। ‘পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতার স্বার্থে’ খুব শীঘ্রই তাঁরা একটি বিস্তারিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন সেবির প্রধান এবং তাঁর স্বামী।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share