Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

cctv inside and outside the booth is mandatory election commission issues strict instructions

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসএইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার ভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি দেখতে জ্ঞানেশ কুমারের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ রাজ্যে আসছে। এই অবস্থায় নির্বাচনকে অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন (Election Commission) আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের (Polling Booth) ভেতরে এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরার (CCTV) নজরদারি এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

নিশ্ছিদ্র নজরদারি (Election Commission)

শুধুমাত্র বুথের প্রবেশপথ নয়, বুথের অভ্যন্তরেও ক্যামেরা বসাতে হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়ম ঘটছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অভজারভাররা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রস্তুতিতে স্পষ্ট এবার কোমর বেঁধেই নামতে চলেছে কমিশন (Election Commission)। তাই বাহিনী বৈঠকে কড়া বার্তার কথা বলা হয়েছে।

ওয়েবকাস্টিং (Webcasting)

প্রতিবার ভোটে বুথের ভিতরে বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দেখা যায়। বুথের ভিতরে ভোটারদের বিশেষ দলের হয়ে ভোট দেওয়াকে বাধ্যতা মূলক করা হয়। এই ঘটনা যাতে এই বার না ঘটে তাই কমিশনের তরফে করা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুথে কেউ অভাব্য আচরণ করলে এবার থেকে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবেদনশীল বুথগুলোতে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা দূর থেকেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারবেন। সিসিটিভি ফুটেজগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে যে কোনও অভিযোগের তদন্তে সেগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ক্যামেরা এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে কারচুপির সুযোগ না থাকে, তবে একইসঙ্গে ভোটারের গোপনীয়তা অর্থাৎ তিনি কাকে ভোট দিচ্ছেন যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোট লুঠ বা বুথ দখলের যে অভিযোগগুলো উঠেছিল, তা মোকাবিলা করতেই কমিশনের এই কড়া অবস্থান। এই ব্যবস্থার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও বেশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, ঝাড়গ্রাম-ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দু’শো জন জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন আগামী ৬ মার্চ। যে সব জায়গায় বিবেচনাধীন কেস রয়েছে সেখানে জুডিশিয়াল অফিসার থাকবেন। একই ভাবে যে যে জায়গায় বুথ তৈরি করা হয়েছে সেখানকার প্রস্তুতি এখনও পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। বুথগুলিতে জল ও বিদ্যুৎ-এর সঙ্কট রয়েছে। ফলত, সবটা খতিয়ে দেখতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share