Ram Navami 2024: খাসতালুকে অধীরকে শুনতে হল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, মেজাজ হারিয়ে বিজেপির ওপর হামলা

Ram_Navami_2024_(3)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কয়েকদিন আগেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী মেজাজ হারিয়েছিলেন। এবার শক্তিপুরে রাম নবমীর (Ram Navami 2024) শোভাযাত্রায় গন্ডগোলকে কেন্দ্র করে আক্রান্তদের হাসপাতালে দেখতে এসে ফের মেজাজ হারালেন তিনি। শুধু মেজাজ হারানো নয়, বিজেপির জেলা সভাপতি শাখারভ সরকারকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলেন। যা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ram Navami 2024)

রাম নবমীর (Ram Navami 2024) মিছিলে দুষ্কৃতী হামলার ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শক্তিপুর। হামলায় বেশ কয়েকজন জখম হন। আহতদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মালদা থেকে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী জখমদের দেখতে সোজা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেই সময় সেখানে বিজেপির জেলা সভাপতি শাখারাভ সরকারের নেতৃত্বে অধীররঞ্জন চৌধুরীকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। হিন্দুদের ওপর এভাবে হামলা হচ্ছে কেন, তা অধীর চৌধুরীর কাছে জানতে চান বিজেপির জেলা সভাপতি। অধীর কথা না বলে মেজাজ হারিয়ে তাঁকে ধাক্কা দেন। সঙ্গে সঙ্গে অধীরের সঙ্গে থাকা অন্যান্য কংগ্রেসের কর্মীরা বিজেপি জেলা সভাপতির ওপর চড়াও হন। তাঁর মুখে কিল, ঘুষি মারা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির জেলা সভাপতির মুখে চোট লাগে।

আরও পড়ুন: শক্তিপুরে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, বোমাবাজি একাধিক বাড়ি-দোকান ভাঙচুর, আক্রান্ত পুলিশও

বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

বিজেপির জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, অধীর চৌধুরী মাদ্রাসায় গিয়ে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার কারণে আজকে এই  রাম নবমীর (Ram Navami 2024) অশান্তি। মুর্শিদাবাদে প্রতি বছর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যের মধ্যে উৎসব হয়েছে। কোনও ধর্মের বিদ্বেষ ছিল না। হিন্দুরা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি অধীরবাবুর কাছে জানতে গিয়েছিলাম। তখনই আমার ওপর হামলা চালানো হয়। উনি এখন বাজারের দু হাজার টাকার নোট, অচল। ওনার দাদাগিরি মানুষ মেনে নেবে না। এইসব দাদাগিরির প্রতিফলন পড়বে ভোটের ইভিএমে।

 কংগ্রেস প্রার্থী কী সাফাই দিলেন?

অধীর চৌধুরী বলেন, আক্রান্তদের সঙ্গে আমি দেখা করতে এসেছি, আমাকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। আমি সমস্ত বিষয়টি কমিশনে জানিয়েছি। শক্তিপুর থানার ওসিকে সাসপেন্ড করার জন্য বলেছি। আর কাউকে কোনও মারধর করা হয়নি। আমাকে রাস্তা দিয়ে যেতে বাধা দিচ্ছিল, তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করছে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share