Purba Bardhaman: মালদার পর বর্ধমান, এখানেও রোগীদের খাটিয়ায় নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে!

Purba_Bardhaman_(1)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ নিদান দিয়েছিলেন, “রাস্তা খারাপ হলে কেউ মারা যান না। মারা যান ভাগ্য খারাপ হলে।” তৃণমূলের উন্নয়ন এবং পথশ্রী যে ব্যর্থ, তা আরও একবার প্রমাণিত হল বর্ধমানে (Purba Bardhaman)। মালদার পর বর্ধমান, এখানেও রোগীদের খাটিয়ায় নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। সমস্যাটা জানেন বিডিও, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে জেলা আধিকারিক সকলেই। তবুও দুর্ভোগ চলছেই। বর্ষাকালে এই রাস্তার হাল কহতব্য নয়, ঠিক এমনটাই জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান সদরের বন্ডুল গ্রামের আদিবাসীপাড়ায় রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল। প্রশাসনের কাছে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানানো হলেও মিলছে না সমাধানসূত্র। উল্লেখ্য মালদায় খারাপ রাস্তার কারণে খাটিয়া করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই মৃত্যু হয়। এরপরই প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

নেতারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেন, ক্ষোভ

আদিবাসী পাড়ার এক ব্যক্তি দুলন সর্দার বলেন, “গ্রামের (Purba Bardhaman) ভিতরে আসা যাওয়া করতে প্রচণ্ড অসুবিধা হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়া করেই জীবিত মানুষকে নিয়ে যেতে হয় হাসপাতালে। এলাকা থেকে হাসপাতাল প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে। খারাপ রাস্তার কারণে রোজ স্কুল যেতে ব্যাঘাত ঘটছে পড়ুয়াদের। আর বর্ষাকালে রাস্তায় হাঁটাচলা করাই সমস্যা।” আরেক বাসিন্দা রবিলাল বাস্কে বলেন, “নেতারা শুধু প্রতিশ্রুতি দেন। ভোট নিয়ে যান। গ্রামের ভিতরে এই রাস্তাটুকু চলার অযোগ্যই থেকে যায়।”

বেহাল রাস্তায় ক্ষুব্ধ গ্রামের মানুষ

গ্রামের (Purba Bardhaman) বাসিন্দা বাবু বেসরা বলেন, “এলাকায় দীর্ঘদিনের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে। দশ বছর ধরে আবেদন নিবেদন করলেও পঞ্চায়েত থেকে বি.ডি.ও এবং বিধায়ক থেকে জেলা পরিষদ, বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদকে অভিযোগের কথা জানালেও কোনও সমাধান হচ্ছে না। প্রশাসনের বিন্দুমাত্র সমস্যা নিয়ে হুঁশ নেই।”

প্রশাসনের বক্তব্য

তবে বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের (Purba Bardhaman) চেয়ারম্যান কাকলি তা বলেন “হঠাৎ করে ওই পাড়াটি গ্রামের ভিতরে গড়ে তুলেছেন আদিবাসীরা। নিজেদের আত্মীয় এনে বসতি গড়েছেন। পাড়ার ভিতরে কিছুটা রাস্তা হলেও মূল রাস্তার সাথে এখনও সংযোগ করা যায়নি।” তিনি স্বীকার করেন অসুবিধা আছে। তবে এও জানান, একটি পরিবার বারো কাঠা জায়গা দিলে তবেই রাস্তাটি হতে পারে। এই যুগে কে এই রাস্তার জন্য জমি দেবে? এনিয়ে জটিলতা রয়েছে। জমি অধিগ্রহণও হয়নি বলে তিনি জানান।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share