Mahua Moitra: ‘‘মহুয়া উদ্ধত, এথিক্স কমিটির উদ্দেশে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেন’’, অভিযোগ প্যানেল সদস্যার

Untitled_design(320)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের এথিক্স কমিটির বৈঠকে শিষ্টাচারের সমস্ত মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। এমনই অভিযোগ করলেন কমিটির অন্যতম সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি। শুধু তাই নয় এথিক্স কমিটিকে উদ্দেশে এমন কিছু আপত্তিকর শব্দ মহুয়া প্রয়োগ করেন যা প্রকাশ্যে বলতে পারেননি অপরাজিতা সারেঙ্গি। প্রসঙ্গত, ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগের ভিত্তিতে মহুয়াকে তলব করে সংসদের এথিক্স কমিটি। বৃহস্পতিবার এথিক্স কমিটির সেই বৈঠক থেকে হঠাৎই বেরিয়ে আসতে দেখা যায় মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। তখন সংবাদমাধ্যমকে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সংসদ জানান যে তাঁকে ব্যক্তিগত এবং অনৈতিক প্রশ্ন করা হয়েছে।

কী বলছেন বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গি?

মহুয়ার এই দাবি যে সঠিক নয় এবং তিনি যে সত্য কথা বলছেন না তা বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির কথাতেই স্পষ্ট। তিনি বলেন, ‘‘মহুয়া সব ধরনের শিষ্টাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। আমরা মহুয়াকে (Mahua Moitra) ডেকে পাঠিয়েছিলাম। তাঁর সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা ছিল। দর্শন হীরানন্দানি যে হলফনামা দিয়েছিলেন, তাঁর উপর ভিত্তি করেই শুধু প্রশ্ন করেছিলেন কমিটির চেয়ারম্যান। তাই সীমা ছাড়ানোর বা হলফনামার বাইরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।’’

মহুয়ার ঔদ্ধত্য

প্রসঙ্গত মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ, সংবাদমাধ্যমকে দু পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি তা ফের এথিক্স কমিটির কথাতেই পরিষ্কার হল। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’  

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share