BSF: সীমান্তে বিএসএফের তৎপরতা! পাচারের আগেই ১০ কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বাজেয়াপ্ত

BSF

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সোনা পাচারচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে, বিএসএফের কড়া নজরদারির কারণে বার বারই পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। এবারও ৬ কেজি ৭০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট সহ এক দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করল বিএসএফ (BSF)। ধৃতের নাম আজর মণ্ডল। তার বাড়ি বাগদার রাজকোল এলাকায়। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার রণঘাট এলাকা থেকে তাকে ধরা হয়েছে।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারী আজর একটি  বাইকে চেপে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দিক থেকে রণঘাট এলাকায় আসছিল। তার কোমরে কাপড়ে বাঁধা ছিল সোনার বিস্কুট। বাগদায় এক ব্যক্তির কাছে সেগুলি তার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল। বাগদার রণঘাট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানরা আগেই খবর পেয়েছিলেন, ওই রাস্তা দিয়ে রাতে বিপুল অঙ্কের সোনা পাচার হবে। স্বাভাবিকভাবে রাস্তায় বাড়ানো হয় নজরদারি। ওই পাচারকারীকে নিরাপত্তা দিতে আরও একটি মোটরবাইকে একজন পিছু নিয়েছিল। রাত ১১টা নাগাদ ওই যুবক রণঘাটের রাস্তা দিয়ে বাগদা রোডের কাছে পৌঁছয়। তখন জওয়ানরা মোটরবাইকটি ঘিরে ফেলেন। ওই যুবক পালানোর চেষ্টা করছিল। রিভলভার বের করতেই সে ধরা দিতে বাধ্য হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে সোনার বিস্কুটগুলি উদ্ধার করা হয়। তারপর তল্লাশি করতেই যুবকের কোমরে বাঁধা কাপড়ের বেল্ট থেকে ১৭টি সোনার বার উদ্ধার হয়। প্রসঙ্গত, বুধবার রাতেও পেট্রাপোল সীমান্তে খালি ট্রাক থেকে ছোট্ট মাপের ৬০টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই ট্রাকের চালককে। কিন্তু তাতেও সোনা পাচার কমছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠেছে সীমান্তবর্তী থানাগুলির ভূমিকা নিয়েও।

বিএসএফের আধিকারিক কী বললেন?

বিএসএফের (BSF) ৬৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের এক আধিকারিক বলেন, ‘সোনা পাচারের সময় একজনকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটের বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। পাচারকারীর মোটরবাইকটি আটক করা হয়েছে।’

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share