Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: সাংসদদের উদ্দেশে হুইপ জারি করল বিজেপি, কেন জানেন?

    BJP: সাংসদদের উদ্দেশে হুইপ জারি করল বিজেপি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ২০ মার্চ তাদের সকল লোকসভা সাংসদদের (Member of Parliament) উদ্দেশ্যে হুইপ জারি করেছে। হুইপে বলা হয়েছে ২০২৫-২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট পাসের সময় তাদের সংসদে উপস্থিত থাকতে হবে। লোকসভার সকল বিজেপি সদস্যদের জানানো হয়েছে যে ২০২৫-২৬ অনুদানের বিভিন্ন দাবির উপর গিলোটিন ২০ মার্চ সংসদে পাসের জন্য তোলা হবে। তাই লোকসভায় বিজেপির সকল সদস্যকে অনুরোধ করা হয়েছে যে, তারা যেন সারাদিন সংসদে ইতিবাচকভাবে উপস্থিত থাকবেন এবং যেন সরকারের অবস্থানকে সমর্থন করেন।

    গিলোটিন কী?

    প্রসঙ্গত গিলোটিন হল একটি সংসদীয় কৌশল যা আরও আলোচনার সুযোগ না দিয়ে বিলটি দ্রুত পাস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত যখন সরকার দ্রুত কোনও বিল পাস করতে চায়, কিন্তু বিরোধীরা বিলটির অগ্রগতি বিলম্বিত করার পালটা কৌশল নেয়। ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ২০২৪-২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট বেতনভোগী শ্রেণীর জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনেছে। পারিবারিক সঞ্চয় বৃদ্ধির জন্য গড়ে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত মাসিক আয়ের উপর কোনও আয়কর নেই।

    সরকার জোর দিচ্ছে চার ক্ষেত্রে (BJP)

    সরকার উন্নয়নের চারটি বিভাগের উপর জোর দিচ্ছে। তা হল কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বিনিয়োগ এবং রফতানি। অর্থমন্ত্রীর কর ছাড়ের ঘোষণার অর্থ হল বেতনভোগী শ্রেণীর জন্য ১২.৭৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়কর শূন্য থাকবে। সীতারামন বাজেটের মূল লক্ষ্য তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, “এই বাজেটের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে ‘বিকশিত ভারত’-এ রূপান্তরিত করার জন্য একটি ভবিষ্যৎমুখী পথ তৈরি করা। গরিব, যুবক, কৃষক এবং নারীর প্রকৃত উন্নয়ন এই বাজেটের লক্ষ্য।” বাজেটে কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বিনিয়োগ, রফতানি, গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সক্ষমকরণ, অভ্যন্তরীণ উপভোগ বৃদ্ধি এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে নতুন পরিকল্পনা এবং সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেট দেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং আর্থিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে সুক্ষ্মভাবে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। অর্থমন্ত্রী সীতারমন উল্লেখ করেছেন যে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) বাস্তবায়নের পর থেকে পরোক্ষ কর উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

    ২০২৫ সালের বাজেটকে কী বললেন মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটকে ভারতের উন্নয়ন যাত্রার জন্য “শক্তি গুণক” হিসেবে (BJP) অভিহিত করেছেন। তিনি এই বাজেটকে ১৪০ কোটি ভারতীয়ের “আকাঙ্ক্ষার বাজেট” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন তার বাজেট বক্তৃতায় বিহারে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত এবং ব্যবহৃত পুষ্টিকর খাবার মাখনার জন্য একটি বোর্ড প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন যে পাটনা বিমানবন্দরের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিহটায় একটি ব্রাউনফিল্ড বিমানবন্দরের পাশাপাশি বিহারে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরগুলিকে সম্মানিত করা হবে। তিনি বিহারের মিথিলাঞ্চল অঞ্চলে পশ্চিম কোশি খাল ইআরএম প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন। পশ্চিম কোশি খাল ইআরএম প্রকল্পের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, যা বিহারের মিথিলাঞ্চল অঞ্চলে ৫০,০০০ হেক্টরেরও বেশি জমি চাষকারী বিপুল সংখ্যক কৃষককে উপকৃত করবে। অর্থমন্ত্রী বিহারে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার জন্য জাতীয় খাদ্য প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও করেছেন।

  • IRDAI: স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমায় কমতে পারে জিএসটি! এপ্রিলেই মন্ত্রী গোষ্ঠীর বৈঠক

    IRDAI: স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমায় কমতে পারে জিএসটি! এপ্রিলেই মন্ত্রী গোষ্ঠীর বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যবিমায় (Health insurance) কি জিএসটি (GST) কমিয়ে আমজনতাকে স্বস্তি দিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার? সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, জিএসটি হ্রাস করা নিয়ে পরিকল্পনা চালাচ্ছেন তাঁরা। খুব শীঘ্রই সে সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ভারতের বিমা নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (IRDAI) স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি হ্রাস করার বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেছে। এপ্রিল মাসেই গ্রুপ অফ মিনিস্টার্সের (Ministers to Meet) বৈঠক হওয়ার কথা।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    জানা গিয়েছে, বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে কাউন্সিল মে মাসে তার পরবর্তী বৈঠকে প্রস্তাবগুলি বিবেচনা করতে পারে। সেইসমস্ত প্রস্তাব জিএসটি কাউন্সিলে জমা দেওয়া হবে। এর পর জিএসটি কাউন্সিল (GST Council) তার পরবর্তী বৈঠকে জীবন ও স্বাস্থ্য বিমার উপর জিএসটিতে ছাড় দেওয়া সম্ভব কিনা সেটি বিবেচনা করে দেখবে। এপ্রিলের শেষে বা মে মাসের শুরুতে মন্ত্রীদের ১৩ সদস্যের দল বৈঠকে বসতে পারে। মেয়াদী বিমার উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করার বিষয়ে রাজ্যগুলি একমত ছিল। তবে এ বিষয়ে ভারতের বিমা নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (IRDAI) কোনও মন্তব্য না করায় এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি।

    মন্ত্রীদের দলে কারা রয়েছেন

    ১৩ সদস্যের মন্ত্রীদের দলে রয়েছেন উত্তর প্রদেশের অর্থমন্ত্রী সুরেশ কুমার খান্না, পশ্চিমবঙ্গের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কেরলের অর্থমন্ত্রী কেএন বালগোপাল, রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং, গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের মতো বিশিষ্ট জনেরা ৷ তবে স্বাস্থ্য বিমা প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি কমানো বা অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আলোচনা এবং প্রস্তাবনা থাকলেও, ২০ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকার বেশি কভারেজ সহ পলিসির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিমা প্রিমিয়ামের উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি বহাল রয়েছে।

    জিএসটি কাউন্সিল-এর পরবর্তী পদক্ষেপ

    জিএসটি কাউন্সিল পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। জিএসটি কাউন্সিল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে এবং জীবন ও স্বাস্থ্য বীমার উপর জিএসটি হার পর্যালোচনা করার জন্য একটি মন্ত্রীগোষ্ঠী (জিওএম) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীগোষ্ঠী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মেয়াদী জীবন বিমা পলিসি এবং স্বাস্থ্য বিমা পলিসির প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলে খ্রিষ্টীয় আগ্রাসনে চিন্তিত মূলনিবাসী ও সনাতনীরা

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলে খ্রিষ্টীয় আগ্রাসনে চিন্তিত মূলনিবাসী ও সনাতনীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ খ্রিস্টান (Arunachal Pradesh) ফোরামের একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে অরুনাচল প্রদেশকে খ্রিস্টান রাজ্য হিসেবে দাবি করা হয়েছে। এই ভিডিও সামনে আসতেই ওই রাজ্যে অন্যান্য ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভিডিওতে এক ধর্মযাজককে বলতে দেখা যাচ্ছে, “অরুণাচল থেকে আসাম আমাদের পূর্বপুরুষদের ভূমি। তাওয়াং থেকে লংডিং, মেসোকা থেকে ইটানগর আজ আমরা প্রভু যীশুর নামে ঘোষণা করছি যে সম্পূর্ণ অরুনাচল “যীশুর”।

    ব্যাপক ধর্মান্তকরণ (Arunachal Pradesh)

    অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে এই ঘটনার পর থেকেই গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে এই অঞ্চলে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য আরও আক্রমণাত্মক চাপ আসতে চলেছে। প্রসঙ্গত ধর্ম পরিবর্তনের জেরে অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, আসাম সহ অন্যান্য পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে আদিবাসী মূলনিবাসী, বৌদ্ধ এবং হিন্দুদের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে। গত কয়েক দশক ধরে অরুণাচল প্রদেশ এবং আসামে খ্রিস্ট ধর্মের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে। তারই মাঝে এই ভিডিওটি বেশ কয়েকটি সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনা অরুণাচল প্রদেশের ‘ধর্ম স্বাধীনতা আইন ১৯৭৮’এর কার্যকারিতা নিয়েও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ ধর্ম স্বাধীনতা আইন থাকলেও তা কার্যকরি নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। বল প্রয়োগ এবং প্রলোভনের মাধ্যমে ব্যাপক ধর্ম পরিবর্তন চলছে। ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ধর্ম স্বাধীনতা আইনের উদ্দেশ্য ছিল বলপ্রয়োগ এবং প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্ম পরিবর্তন রোধ করা। কিন্তু এই আইনের ফাঁকগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ব্যাপক ধর্ম পরিবর্তন চলছে ওই রাজ্যে।

    কী বলছে আদমশুমারি

    অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) শেষ কয়েক দশকে খ্রিস্টান জনসংখ্যার অভূতপূর্ব বৃদ্ধি হয়েছে। এই জনসংখ্যার বৃদ্ধি বাসিন্দাদের অতিরিক্ত সন্তান উৎপাদনের মাধ্যমে হয়নি, বরং ব্যাপক ধর্ম পরিবর্তনের ফলে হয়েছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ১৯৭১ সালের আদমশুমারি অনুসারে জনসংখ্যা ০.৭৯ শতাংশ খ্রিস্টাধর্মালম্বী ছিলেন। ১৯৮১ তে এই সংখ্যা ৪.৩২ শতাংশ হয়ে যায়। ১৯৯১ সালে তা বেড়ে হয় ১০.৩০ শতাংশ। ২০০১ সালে ৮ শতাংশ বেড়ে খ্রিস্টান জনসংখ্যা হয় ১৮.৭২ এবং ২০১১ আদমশুমারিতে শেষ আদমশুমারিতে দেখা যায় খ্রিস্টান জনসংখ্যা ৩০.২৬ শতাংশ। ২০২১ সালে কোভিডের জন্য আদমশুমারি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মনে করা হচ্ছে আদমশুমারি হলে এই জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ বেশি হয়ে পড়বে। যার নেপথ্যে রয়েছে আক্রমণাত্মক ধর্ম প্রচার এবং গণ ধর্মান্তকরণ।

    ৬ মার্চ ইটানগরকে বিক্ষোভ (Arunachal Pradesh)

    এরই মাঝে ৬ মার্চ খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক গোষ্ঠীগুলি অরুণাচলের ধর্ম স্বাধীনতা আইন বাতিলের দাবিতে ইটানগরে (Arunachal Pradesh) একটি বিশাল বিক্ষোভের আয়োজন করে। অল ক্রিশ্চিয়ান ফোরামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ম স্বাধীনতা আইন বাতিলের দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। প্রসঙ্গত অরুণাচল প্রদেশের ধর্ম স্বাধীনতা আইন বলপূর্বক এবং প্রতারণামূলক ধর্ম পরিবর্তন রোধ করার জন্য লাগু হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও বলপূর্বক এবং প্রতারণামূলক ধর্ম পরিবর্তন এই রাজ্যে রোধ করা যায়নি এবং পরিস্থিতি যে ব্যাপক উদ্বেগজনক ওই ভাইরাল ভিডিও প্রমাণ করে। স্থানীয় সংগঠনগুলির মতে জনবিন্যাসের এই ব্যাপক পরিবর্তন অরুণাচল প্রদেশ এবং আসামে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে।

  • Maoist Encounter in Bastar: ছত্তিসগড়়ে ফের মাওবাদী দমনে বড় সাফল্য যৌথবাহিনীর, ১ পুলিশ কর্মী সহ হত ২৩

    Maoist Encounter in Bastar: ছত্তিসগড়়ে ফের মাওবাদী দমনে বড় সাফল্য যৌথবাহিনীর, ১ পুলিশ কর্মী সহ হত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়়ে ফের মাওবাদী দমন (Maoist Encounter in Bastar) অভিযানে বড় সাফল্য পেল যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে বিজাপুর এবং কাঁকের জেলায় দু’টি পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২২ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। ছত্তিসগড়় পুলিশ জানিয়েছে, পাল্টা হামলায় নিরাপত্তাবাহিনীর এক জন সদস্যেরও মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত আরও দুই। এখনও দু’পক্ষের গুলির লড়াই চলছে।

    কোথায় কোথায় অভিযান

    বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে বিজাপুর ও দান্তেওয়াড়া জেলার সীমানায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ছত্তিসগড় (Chhattisgarh Encounter) পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এ দিন সকালে গঙ্গালুর থানা এলাকায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে (Maoist Encounter in Bastar) নামেন। গঙ্গালুর থানা বিজাপুর জেলায়। প্রথম থেকে এলাকা ঘিরে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়। পুলিশ দেখেই এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা মাওবাদীরা। তাদের গুলিতে মারা যান ছত্তিসগড় ডিসট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের এক পুলিশ কর্মী। এখনও পর্যন্ত বীজাপুরের জঙ্গল থেকে সংঘর্ষে নিহত ১৮ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হয়েছে মাওবাদীদের ব্যবহৃত রাইফেল ও বিস্ফোরক। এখনও গুলির লড়াই বন্ধ হয়নি। কাঙ্কেরের জঙ্গল থেকে পাওয়া গিয়েছে আরও চার মাওবাদীর দেহ। সূত্রের মতে, নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের শীর্ষ নেতাদের একটি দলকে বনাঞ্চলে ঘিরে ফেলেছে এবং দিনের শেষে মৃতদেহের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও তল্লাশি অভিযান চলছে।

    মাওবাদী দমনে পরপর অভিযান

    বস্তার (Maoist Encounter in Bastar) ডিভিশনের অন্তর্গত বিজাপুর এবং কাঁকের জেলার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে গত কয়েক মাসে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-এর সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপল্‌স লিবারেশন গেরিলা আর্মি)-র সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিজাপুরে সিআরপিএফ এবং ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩১ জন মাওবাদী গেরিলা নিহত হয়েছিলেন। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ছত্তিসগড়, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা আন্তঃরাজ্য অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে দুশোর বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ওই তিন রাজ্যে। নিহতদের তালিকায় রয়েছেন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়রাম ওরফে চলপতি। আত্মসমর্পণ করেছেন নিহত মাওবাদী নেতা মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির ভ্রাতৃবধূ বিমলা। তাঁর স্বামী মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে বিবেক ওরফে সোনু নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

    মাওবাদী-মুক্ত দেশ গঠনের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যেই দেশ থেকে মাওবাদীদের (Maoist Encounter in Bastar) একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চলতি বছরে ছত্তিসগড়ের বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বড় সাফল্য পেয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের ৩১ মার্চের আগেই আমরা দেশ থেকে নকশালবাদকে নির্মূল করব। যাতে তাঁদের জন্য দেশের কোনও নাগরিককে প্রাণ হারাতে না হয়। এই জন্য আমি আমার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছি।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ মতোই বিভিন্ন রাজ্যে মাওবাদী দমনে অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী। এদিনের অভিযানও তারই অঙ্গ।

  • Bill Gates: মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ বিল গেটসের, গেলেন সংসদ ভবনেও

    Bill Gates: মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ বিল গেটসের, গেলেন সংসদ ভবনেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরেই নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছিলেন মাইক্রোসফ্টের কর্ণধার বিল গেটস (Bill Gates)। নতুন বছর পড়তেই ফের একবার ভারত সফরে এসেছেন এই ধনকুবের। গত তিন বছরে এই নিয়ে টানা তিন বার এদেশে সফরে এলেন তিনি।

    মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরে পোস্ট সমাজমাধ্যমে

    নয়াদিল্লিতে গেটস ফাউন্ডেশনের ২৫তম বর্ষপূর্তি চলছে। সেই উপলক্ষেই এদেশে এসেছেন বিল গেটস। গতকাল বুধবার তিনি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গেও। এই বৈঠক প্রসঙ্গে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেন মাইক্রোসফ্টের কর্ণধার। নিজের পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘স্বাস্থ্য, কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সব ক্ষেত্রে ভারতের উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে অনেকটা সময় আলোচনা করলাম।’’

    দেখা করেন সাংসদ ও মন্ত্রীদের সঙ্গেও

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরই বিল গেটস (Bill Gates) সরাসরি চলে যান দেশের সংসদে। সেখানে গিয়ে সাংসদদের সঙ্গে আলাপচারিতা করতেও দেখা যায় তাঁকে। এর পাশাপাশি, তিনি সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ও কেন্দ্রীয় রাসায়নিক মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গেও। জানা গিয়েছে, বিল গেটস অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গেও বৈঠক করেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি এবং কর্মসংস্থান প্রভৃতি নানা বিষয় উঠে আসে আলোচনায়। একই সঙ্গে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই বিল গেটসের বৈঠক হয় কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষিতে এআই এবং মেশিন লার্নিংয়ের প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে।

    ভারতের বন্ধু বলেই পরিচিত বিল গেটস (Bill Gates)

    প্রসঙ্গত, বরাবরই ভারতের বন্ধু হিসেবেই আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি রয়েছে বিল গেটসের (Bill Gates)। এবারের সফর নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ভারত এমন একটি জায়গা, যেখানে যেমন বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে, তেমনি মানুষের মনের মধ্যে রয়েছে বড় উচ্চাকাঙ্খাও।’’ মোদি সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁর আরও দাবি, ‘‘আমি যখনই ভারতে আসি, তখনই দেখি এখানকার স্বাস্থ্য, কৃষি এবং প্রযুক্তিতে বড় কোনও উন্নতি করে ফেলেছে সরকার।’’

  • Shashi Tharoor: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মোদি-নীতির প্রশংসা থারুরের! বিজেপির নিশানায় রাহুল

    Shashi Tharoor: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মোদি-নীতির প্রশংসা থারুরের! বিজেপির নিশানায় রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর (Shashi Tharoor)। শশী বলছেন, যুদ্ধের প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরপেক্ষ অবস্থানের বিরোধিতা করে চরম ভুল করেছিলেন তিনি। সেকথা মনে পড়লে মাথা নত হয়ে যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi-Sashi Tharoor) নীতি একেবারে সঠিক বলে মনে করেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা। শশী সম্প্রতি ‘রাইসিনা ডায়ালগ’ নামে একটি আলোচনা সভায় ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ভারতের নিরপেক্ষ থাকার মোদির সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেন।

    রাইসিনা ডায়লগে শশী

    রাইসিনা ডায়ালগে একটি প্যানেল আলোচনায় শশী থারুর (Shashi Tharoor) স্বীকার করেছেন যে, তিনি ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে ভুল ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, এই অবস্থান ভারতকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করেছে, যে দুটি দেশ ২০২২ সাল থেকে যুদ্ধে লিপ্ত। শশী বলেন, “যুদ্ধ শুরুর সময় আমিই ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার হানাদারি নিয়ে ভারতের নিরপেক্ষ ভূমিকার সমালোচনা করেছিলাম। তারপর থেকে আন্তর্জাতিক গতিপ্রকৃতি দেখে নিজেই লজ্জিত বোধ করি সেদিনের আচরণের জন্য। সেদিন বিরোধিতার জন্য নিজেকেই ঢোঁক গিলে নিতে হচ্ছে।” শশী থারুরের এই মন্তব্য যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দাবি, এটা দেখে ভালো লাগছে যে, কংগ্রেসের নেতারা প্রধানমন্ত্রী মোদির বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গিকে মান্যতা দিচ্ছেন। স্বীকার করে নিচ্ছেন। কেন্দ্রের বিদেশনীতিকে প্রশংসা করার জন্য শশী থারুরের বিরুদ্ধে তাঁর দল কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলেও আশা বিজেপি নেতাদের।

    মোদি-নীতির প্রশংসা

    বিজেপি নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বুধবার বলেছেন, কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা শশী থারুরের (Shashi Tharoor) রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে ভারতের অবস্থান নিয়ে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈশ্বিক কূটনীতির “স্বাভাবিক প্রকাশ”। দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিবেদী মোদির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন, যিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মোদি দুই দেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে সাক্ষাৎ করেছেন। ত্রিবেদী বলেন, “শশী থারুর আজ রাইসিনা ডায়ালগে যা বলেছেন, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের অসাধারণ বৈশ্বিক কূটনৈতিক নীতির স্বাভাবিক ফল। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ যে কেউ এটি বুঝতে পারবেন। মোদি একমাত্র নেতা যিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি উভয়ের সঙ্গে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কথা বলেছেন এবং উভয়ের কাছ থেকে সমান গুরুত্ব পেয়েছেন।” ত্রিবেদী আরও বলেন, “শশী থারুরের মন্তব্য মোদির বৈশ্বিক কূটনীতির একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ।” থারুরের মন্তব্যকে ভারতের কূটনৈতিক সাফল্যের প্রমাণ হিসেবে দেখছে, বিশেষজ্ঞ মহল। রাজনৈতিক মহলের দাবি, মোদির কূটনীতি ভারতকে বিশ্ব শান্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় করে তুলেছে। মোদির নীতির ফলেই বিশ্বের দরবারে ভারতের ক্ষমতা ও প্রভাব বেড়েছ। থারুরের মন্তব্য ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রতিপত্তির ইঙ্গিত দেয়।

    রাহুলকে আক্রমণ

    বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির দেশ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দূরদৃষ্টি বিরোধী দলের নেতারাও প্রশংসা করছেন, স্বীকার করছেন। রাহুল গান্ধী, চিদম্বরমের মতো কংগ্রেস নেতা ও রঘুরাম রাজনের মতো লোকেরাও এখন তাঁদের কথা নিজেরাই গিলে নিচ্ছেন। অর্থনীতি, ইউপিআই, উৎপাদন শিল্প এবং আরও বহু কিছুতে দেশের অবস্থান নিয়ে তাঁরা অতীতের মন্তব্য নিয়ে নিজেরাই লজ্জিত। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “থারুরের একের পর এক মন্তব্যে একটা বিষয় পরিষ্কার যে, কংগ্রেসের ভিতরে বিদ্রোহের ছুরির ফলা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। যা দেখে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মুখ লাল হয়ে যেতে পারে। কংগ্রেস এবার হয়তো দলীয়ভাবে জানাবে শশী থারুর যা বলেছেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত মত। দলের অবস্থান নয়। যদিও সংসদে এই বিষয়ক আলোচনায় থারুরকেই দল দায়িত্ব দিয়েছিল।”

  • Disha Salian Death: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধব পুত্রের যোগ! দাবি দিশার বাবার

    Disha Salian Death: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধব পুত্রের যোগ! দাবি দিশার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) ও তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের রহস্যময় মৃত্যুর (Disha Salian Death) বিষয়ে ফের আলোচনা তুঙ্গে। বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের (Disha Salian)। তবে সময় যত এগিয়েছে, ততই এই তদন্ত ধামাচাপা পড়তে থাকে। তবে এবার ফের এই মামলা নিয়ে শুরু হচ্ছে তদন্ত। দিশার বাবা সম্প্রতি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের ছেলে আদিত্য ঠাকরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। তাঁর মতে এই মামলায় সরাসরি যোগ রয়েছে আদিত্যর। তাঁকে অবিলম্বে তলব করা উচিত। এই প্রসঙ্গে এবার দিশার বাবার হয়ে সমর্থন দেখালেন বিজেপি বিধায়ক তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নিতিশ রানে।

    আদিত্য ঠাকরেকে আক্রমণ নিতিশের

    এদিন নিতিশ বলেন, “আমি প্রথম থেকেই দাবি করেছিলাম দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর (Disha Salian Death) পিছনে আদিত্য ঠাকরে জড়িত রয়েছেন। ফলে এটা নিছকই আত্মহত্যার ঘটনা নয়। এর পিছনে বড় চক্রান্ত রয়েছে। আমি রাজ্য় সরকারের কাছে দাবি করছি, যাতে এই ঘটনায় প্রথম থেকে যাঁদের নাম জড়িয়ে রয়েছে তাঁদের আবারও জেরা করা হোক। ঘটনার দিন আদিত্য কোথায় ছিলেন, মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখা, আবাসনে নিরাপত্তারক্ষীদের আবারও জেরা করা হোক। তাহলেই আসল সত্যি বেরিয়ে আসবে।”

    দিশা ও সুশান্তের মৃত্যু

    ২০২০-র ১৪ জুন, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে (Sushant Singh Rajput) নিজের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কয়েক দিন আগে, ৮ জুন, অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানকে মৃত (Disha Salian Death) অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছিল, দিশা মালাডের একটা বহুতল থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল অর্থাৎ বর্তমানের শাসক দল বিজেপি সেই সময় বারংবার এই ঘটনাকে খুন বলেই দাবি করে আসছিল। কিন্তু তৎকালীন শাসক দলের চাপে পুলিশ এই ঘটনা চাপা দিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আবারও এই মামলার তদন্ত শুরু করার কথা হয়। ঘটনার পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও আসল সত্যি সামনে আসেনি। সুশান্তের বাবা কে কে সিং বারবার দাবি করেন, তাঁর ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। সুবিচারের আশায় এখনও দিন গুনছে দিশা ও সুশান্তের পরিবার।

  • Nagpur: ‘ছাভা’ সিনেমার কারণেই নাকি নাগপুর অশান্তি! অপরাধীদের আড়াল করতে আজব তত্ত্ব বামপন্থীদের

    Nagpur: ‘ছাভা’ সিনেমার কারণেই নাকি নাগপুর অশান্তি! অপরাধীদের আড়াল করতে আজব তত্ত্ব বামপন্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাচারী ইসলামিক শাসকদের গৌরবান্বিত করা হোক অথবা মৌলবাদী আক্রমণের সময় আসল অপরাধীদের আড়াল করা, এই দুটো কাজই এদেশের বামপন্থী বুদ্ধিজীবী (Leftists) মহল খুব উৎসাহের সঙ্গে করে থাকেন। এমনটাই অন্তত বলছে ওয়াকিবহাল মহল। বামপন্থীরা এমন মিথ্যাচার করতে পেশ করে বেশ কিছু বিকৃত তত্ত্ব ও তথ্য। ভারতবর্ষে যেকোন স্থানেই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে এমনটা করে থাকেন বামপন্থীরা। উগ্র মৌলবাদীদের অপরাধীদের আড়াল করার প্রচেষ্টা করেন তাঁরা। তাদের লক্ষ্য একটাই, যে কোনও মূল্যে মৌলবাদীদের নির্দোষ প্রমাণ করা। ২০২০ সালের দিল্লি হিংসা হোক অথবা সাম্প্রতিক নাগপুর (Nagpur) হিংসা-দুই ক্ষেত্রেই বামপন্থীরা নিজেদের কাজ করে যাচ্ছে। মৌলবাদী ও অপরাধীদের আড়াল করা। প্রসঙ্গত, ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণ আন্দোলন নিয়ে উত্তাল মহারাষ্ট্র। অত্যাচারী ও হিন্দু বিরোধী শাসক ছিলেন ঔরঙ্গজেব-একথা ঐতিহাসিক সত্য। এই আবহে চলতি সপ্তাহে নাগপুরে হিংসা ছড়ায়। এই হিংসার দায় বামপন্থীরা চাপিয়েছে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ভিকি কৌশল অভিনীত ছবি ‘ছাভা’র ওপরে।

    ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করে বামপন্থীরা

    বামপন্থীদের দাবি, এই ছবি নাকি বিশেষ ধর্মের মানুষজনদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। প্রসঙ্গত, ছত্রপতি সম্ভাজী মহারাজের জীবনীর ওপর নির্মিত এই সিনেমায় দেখানো হয়েছে ঔরঙ্গজেবের নৃশংসতা। তিনি কীভাবে হিন্দু মন্দিরগুলোকে ধ্বংস করতেন এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ চালাতেন। সেই সমস্ত ঐতিহাসিত দৃশ্যপটগুলিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। এতেই আপত্তি বামপন্থীদের। ভিকি কৌশল অভিনীত ওই ছবি সারা দেশেই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। বেশ কিছু রাজ্য এই ছবিকে করমুক্ত করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই ছবির প্রশংসা করেছেন। কিন্তু বামপন্থীদের দাবি, এই ছবির কারণেই নাকি সংঘটিত হয়েছে নাগপুর হিংসা। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না, ইতিহাসকে অস্বীকার করেই এমন বিবৃতি দিচ্ছেন বামপন্থীরা। অত্যাচারী মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমর্থনে কথা বলতে শুরু করেছে বামপন্থীরা। ওয়াকিবহল মহল মনে করছে, ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করে মৌলবাদীদের হিংসাকে আড়াল করার যে ষড়যন্ত্র বামপন্থীরা করে আসছে, নাগপুরেও (Nagpur) তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    কেবল নাগপুর (Nagpur) নয়, দিল্লির ক্ষেত্রেও বামেরা আড়াল করেছিল মৌলবাদীদের

    ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই উত্তপ্ত হয়েছিল হরিয়ানার নুহ এলাকা। সেখানেও বামপন্থীরা একইভাবে মৌলবাদীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে, ২০২০ সালে দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নামে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। সেখানে বামপন্থী মদতে চলা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং বুদ্ধিজীবী মহল তথ্য বিকৃত করতে শুরু করে। সামনে আনে মিথ্যা তত্ত্ব। শারজিল ইমাম, ওমর খালিদ-এই সমস্ত বামপন্থী নেতারা গোটা দিল্লির হিংসার জন্য দায়ী করে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রকে। কিন্তু সে সময়ে মৌলবাদীদের বিভিন্ন হামলা সামনে আসে। পেট্রোল বোমা ছোড়া থেকে সম্পত্তি ভাঙচুর-এই সবকিছুকেই আড়াল করতে থাকে বামপন্থীরা। এগুলোর কোনও জবাব বামপন্থীরা সে সময় দিতে পারেনি।

    নাগপুরের (Nagpur) ঘটনায় গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড

    অন্যদিকে নাগপুরের (Nagpur) সংঘর্ষের ঘটনায় এক মাস্টারমাইন্ডকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভিড়কে উস্কানি দেওয়া, জমায়েত করা, হামলা চালানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, এই হামলাগুলিতে একাধিক পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম ফাহিম খান। তাঁকে ২১ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নাগপুরের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনায় ৫১ জনের নামে এফআইআর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফাহিম খান পড়াশোনা করেছে দশম শ্রেণী পর্যন্ত। তাঁর বর্তমান বয়স ৩৮ বছর। হিংসার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তাঁর নাম উঠে আসে।

    আগে থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে ফাহিম

    এরপরেই ফাহিম খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডেকে পাঠায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত সোমবার অর্থাৎ ঘটনার দিন ৩০ থেকে ৪০ জনকে তিনি জড়ো করেছিলেন সকাল ১১টা নাগাদ। অর্থাৎ ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণ আন্দোলনের ঘোষিত বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগেই ফাহিম খান এই জমায়েত করেছিলেন বলে জেনেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ফাহিম একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্তও রয়েছেন। তার নাম হল মাইনোরিটিস ডেমোক্রেটিক পার্টি। এই দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন ফাহিম। কিন্তু হেরে যান।

  • Farmers Protest Punjab: কৃষক আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নামল বুলডোজার-ক্রেন! কেন এই পদক্ষেপ পাঞ্জাব পুলিশের?

    Farmers Protest Punjab: কৃষক আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নামল বুলডোজার-ক্রেন! কেন এই পদক্ষেপ পাঞ্জাব পুলিশের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের আন্দোলন ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল পাঞ্জাবে। আন্দোলনে (Farmers Protest Punjab) নেতৃত্ব দেওয়া কৃষক নেতাদের আটক করল পুলিশ। মাঝরাতে নামানো হল বুলডোজারও। যে অস্থায়ী শিবিরে রাত কাটছিল কৃষকদের, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়াতেই নতুন করে আন্দোলনের পথ বেছে নেন কৃষকরা। কিন্তু তাঁদের আন্দোলন গায়ের জোরে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে পাঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে।

    কড়া পদক্ষেপ পাঞ্জাব পুলিশের

    ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি ও ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে কৃষকদের টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে পুলিশকে। আন্দোলনস্থল খালি করতে গিয়ে কৃষকদের (Farmers Protest Punjab) সঙ্গে বর্বরোচিত আচরণের অভিযোগ সামনে আসছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এর পর রাতে আন্দোলনস্থলে ক্রেন, বুলডোজার নামানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে দেখা যায় অস্থায়ী নির্মাণগুলিকে। আন্দোলনস্থল খালি করে দেওয়া হয়। পঞ্জাব এবং হরিয়ানার সংযোগস্থল, শম্ভু ও খানাউরি সীমানায় (Shambhu Border Farmers Protest) আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন কৃষকরা। সেই আবহেই বুধবার চণ্ডীগড়ে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে বৈঠক ছিল তাঁদের প্রতিনিধিদের। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্রেতা-গ্রাহক বিভাগের মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূস গোয়েলও। পাঞ্জাবের অর্থমন্ত্রী হরপাল সিং চিমা এবং রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী গুরমীত সিং খুড্ডিয়াও বৈঠকে যোগ দেন।

    আটক বহু কৃষক নেতা

    ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য-সহ একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে ওই বৈঠক হয়। বৈঠক থেকে বেরিয়ে শিবরাজ জানান, দু’পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক কথা হয়েছে। ৪ মে ফের একদফা আলোচনা হবে। কিন্তু এদিনই বিকেলে মোহালিতে কৃষক নেতা গুরমীত সিং মঙ্গত, সরওয়ান সিং পান্ধের, জগজিৎ ডাল্লেওয়াল-সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে পাঞ্জাব পুলিশ। সেই নিয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় কৃষকদের। এর পর আটক করা হয় কৃষক নেতা অভিমন্যূ কোহার, কাকা সিং কোতড়াদের। প্রথমে প্রায় ২০০ কৃষককে আটক করা হয় বলে জানা যায়, পরে জানা যায় সংখ্যাটা ৫০০-৭০০। শম্ভু এবং খানাউরি সীমানায় তাঁদের যেতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

    নিশানায় পাঞ্জাব সরকার

    এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পটিয়ালার ডিজি মনদীপ সিং সিধুর নেতৃত্বে খানাউরি সীমানায় ৩০০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শম্ভু সীমানাতেও। সবমিলিয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ কৃষককে আটক করা হয়েছিল বলেও দাবি সামনে এসেছে। ডিজি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারই আন্দোলনকারীদের (Farmers Protest Punjab) সরিয়ে রাস্তা খালি করতে নির্দেশ দিয়েছে। খানাউরি সীমানা এবং সংলগ্ন সাঙ্গরুর ও পটিয়ালায় ইন্টারনেট পরিষেবাো বন্ধ রাখা হয়েছে বলে খবর। পাঞ্জাবে কৃষক আন্দোলনে পুলিশ ও প্রশাসনের বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। পুলিশের এই পদক্ষেপের নিন্দা করে তিনি বলেন, “আমি পাঞ্জাব সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানাই। তারা আপনাকে (আপ সরকার) ভোট দিয়েছে এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে লজ্জিত করা উচিত। তারা (আপ সরকার) চায়নি যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং কৃষকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের হোক। লুধিয়ানা পশ্চিম উপনির্বাচনে জয়লাভের জন্য আপনারা কৃষকদের আটক করেছেন। পাঞ্জাবের জনগণ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে কোনও গ্রামে প্রবেশ করতে দেবে না।”

  • RSS: আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা হবে বেঙ্গালুরুতে, জানুন বিশদে

    RSS: আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা হবে বেঙ্গালুরুতে, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা (এবিপিএস), ২০২৫ সালের ২১ থেকে ২৩ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru)। অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা সংঘের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী সংস্থা এবং এটি প্রতি বছর আয়োজিত হয়। এবারের এবিপিএস বেঙ্গালুরু শহরের কাছে চান্নেনাহল্লিতে অবস্থিত জনসেবা বিদ্যা কেন্দ্র প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে।

    সংঘের বার্ষিক প্রতিবেদন (RSS)

    গত বছর সংঘের বার্ষিক প্রতিবেদন (কার্যবৃত্ত) এই বৈঠকে উপস্থাপন ও আলোচনা করা হবে। এর বিশ্লেষণের পাশাপাশি, সংঘের বিভিন্ন প্রান্ত ও শাখার দ্বারা গত বছরের বিশেষ উদ্যোগগুলির প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হবে। ১৯ মার্চ, বেঙ্গালুরুতে জনসেবা বিদ্যা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে, আরএসএসের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানান, বৈঠকটি ২১ মার্চ সকাল ৯টায় শুরু হয়ে ২৩ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন, “আরএসএসের দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সংঘের সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে গত বছরের কাজের প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন, যেখানে শাখা কার্যক্রম, বিশেষ কর্মসূচি এবং উদ্যোগগুলির বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিনিধিরা তাদের নানা প্রান্তে হয়ে যাওয়া কাজের রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন, যার মধ্যে উদ্যোগ, বিশেষ কর্মসূচি এবং মাঠ পর্যায়ের কাজের বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে (Bengaluru)।”

    কী বললেন সুনীল অম্বেকার?

    সুনীল আম্বেকার বলেন, “২০২৫ সালে বিজয়া দশমীতে আরএসএসের একশো বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শাখা সম্প্রসারণ এবং লক্ষ্যগুলির পর্যালোচনা করা হবে। ২০২৫-২০২৬ সালটি আরএসএসের (RSS) শতবার্ষিকী বছর হিসেবে পালিত হবে। এই সভায় সেই সময়কালে আয়োজিত কর্মসূচিগুলি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই বছর, সংঘ চিন্তা ও কাজের প্রসার এবং এতে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা চালানো হবে।” তিনি বলেন, “পঞ্চ পরিবর্তন, সামাজিক পরিবর্তনের পাঁচটি মূল বিষয়, যথা সামাজিক সমরসতা (সামাজিক সম্প্রীতি), কুটুম্ব প্রবোধন, পরিবেশ সচেতনতা, ‘স্ব’ এর ওপর জোর এবং নাগরিকদের দায়িত্বগুলিও আলোচনা করা হবে।”

    দুটি প্রস্তাব

    সুনীল আম্বেকর জানান, বিভিন্ন প্রান্তের কার্যকর্তারা জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কে তাঁদের অভিজ্ঞতা, অন্তর্দৃষ্টি এবং চিন্তাভাবনা শেয়ার করবেন। তিনি বলেন, এই সভায় দুটি প্রস্তাব গৃহীত হবে- প্রথম প্রস্তাবটি বাংলাদেশে ঘটে চলা উদ্বেগজনক ঘটনাবলী, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ নিয়ে হবে। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি হবে আরএসএসের গত ১০০ বছরের যাত্রা, শতবর্ষ উদযাপনকালীন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে। প্রতিনিধি সভায় রানি আবাক্কার ৫০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর অবদান নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হবে।

    প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

    আরএসএসের (RSS) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পর্কে সুনীল আম্বেকর জানান, এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে স্বয়ংসেবকদের জন্য ৯৫টি প্রথম বর্গ ও দ্বিতীয় বর্গ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৭২টি বর্গ ৪০ বছরের কম বয়সীদের জন্য এবং ২৩টি বর্গ ৪০ বছর ও তার বেশি বয়সিদের জন্য হবে। প্রতিনিধি সভায় সর সংঘচালক মোহন ভাগবতজির জাতীয় পর্যায়ের প্রবাস পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। ২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টায় সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন এবং প্রতিনিধি সভায় আলোচিত বিষয়গুলি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করবেন (Bengaluru)।

    শতবর্ষ উদযাপন

    গত কয়েক বছরের কাজ সম্পর্কে সুনীল আম্বেকর বলেন, “গত চার বছর ধরে, আমাদের শতবর্ষ উদযাপনের প্রেক্ষিতে, আমাদের স্বয়ংসেবকরা দুর্গম অঞ্চলে পৌঁছেছেন, শাখার সংখ্যা বাড়িয়েছেন এবং আরএসএসের কার্যক্রম প্রসারিত করেছেন। আমাদের ওয়েবসাইটে ‘Join RSS’ লিংকের মাধ্যমে প্রতি বছর ১.২ লক্ষ ব্যক্তি আমাদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন।” হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “শুধু বাংলাদেশে নয়, আরএসএস বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের গর্ব ও নিরাপত্তার জন্য গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বিশেষত যেখানে হিন্দুরা অত্যাচারের শিকার হয়।”

    হিংসার নিন্দা

    সুনীল আম্বেকর নাগপুরের হিংসারও নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, “যে কোনও ধরনের হিংসা সমাজের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। আমি মনে করি পুলিশ এই ঘটনাটি লক্ষ্য করেছে এবং বিস্তারিত তদন্ত করবে।” ঔরঙ্গজেবের প্রাসঙ্গিকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি (ঔরঙ্গজেব) আজকের দিনে প্রাসঙ্গিক নন।” জানা গিয়েছে, আরএসএসের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সহ বাকি ছয় সহ-সরকার্যবাহ এবং নির্বাহী সমিতির সকল সদস্য এই সভায় উপস্থিত থাকবেন। মোট ১,৫০০ কর্মী, মূলত প্রান্ত ও ক্ষেত্র পর্যায় থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, এই সভায় অংশগ্রহণ করবেন। ৩২টি আরএসএস প্রভাবিত সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সংগঠন সম্পাদকও উপস্থিত থাকবেন (Bengaluru)।

LinkedIn
Share