Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Rajya Sabha Results 2026: রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার, ১১-র মধ্যে ৯টিতে জয়ী এনডিএ প্রার্থীরা

    Rajya Sabha Results 2026: রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার, ১১-র মধ্যে ৯টিতে জয়ী এনডিএ প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajya Sabha Results 2026) প্রত্যাশামতোই সফল বিজেপি-সহ এনডিএ প্রার্থীরা। ২০২৬ সালের রাজ্যসভা নির্বাচন ভারতীয় রাজনীতিতে এক বড় মোড় এনে দিল। ক্রস-ভোটিং এবং বহু বিধায়কের অনুপস্থিতিও লক্ষ্যনীয়। এনডিএ ১১টির মধ্যে ৯টি আসন জয়লাভ (NDA Wins in Rajya Sabha) করে। অন্যদিকে, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং বিজু জনতা দল মাত্র একটি করে আসন জিততে সক্ষম হয়েছে, যা বিরোধী জোটের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের মোট ১০ টি রাজ্যে রাজ্যসভার ৩৭ টি আসন শূন্য হয়েছে৷ এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রার্থীর সংখ্যা আসনের সমান থাকায়, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৬ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন ৷ বাকি যে ১১ জন প্রার্থী রয়েছেন, তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণের জন্যই সোমবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ ৷ বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পর্ব চলে ৷ গণনা শুরু হয় বিকেল ৫টা থেকে ৷ এদিনের প্রার্থীদের মধ্যে ৫ জন বিহারের, ৪ জন ওড়িশার এবং ২ জন হরিয়ানার৷

    রাজ্যভিত্তিক ফলাফল

    বিহার: ৫টির মধ্যে ৫টি আসনই এনডিএর দখলে

    বিহারে নাটকীয় লড়াইয়ে এনডিএ সবকটি ৫টি আসন জিতে নেয়। বিরোধী শিবিরের একাধিক বিধায়কের অনুপস্থিতি এবং কৌশলগত ভোট ব্যবস্থাপনা এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    বিজয়ীরা:

    • নিতিন নবীন (বিজেপি)
    • শিভেশ রাম (বিজেপি)
    • নীতিশ কুমার (জনতা দল ইউনাইটেড)
    • রামনাথ ঠাকুর (জনতা দল ইউনাইটেড)
    • উপেন্দ্র কুশওয়াহা (আরএলএসএম)

    আরজেডির প্রার্থী অমরেন্দ্র ধারি সিং প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় পরাজিত হন।

    ওড়িশা: বিজেপির উত্থান, একটি আসন ধরে রাখল বিজেডি

    ৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৩টি আসনে জয় পায়, আর বিজেডি একটি আসন ধরে রাখে।

    বিজয়ীরা:

    • মনমোহন সামাল (বিজেপি)
    • সুজিত কুমার (বিজেপি)
    • দিলীপ রায় (স্বতন্ত্র, বিজেপি সমর্থিত)
    • সন্তরুপ্ত মিশ্র (বিজেডি)

    এখানে কংগ্রেস ও বিজেডির বেশ কয়েকজন বিধায়কের ক্রস-ভোটিং বিজেপির পক্ষে ফল ঘুরিয়ে দেয়।

    হরিয়ানা: বিতর্কের মাঝে ভাগাভাগি ফল

    হরিয়ানায় ভোট গণনা নিয়ে বিতর্কের জেরে প্রায় ৬ ঘণ্টা দেরি হয়। শেষ পর্যন্ত একটি আসন বিজেপি এবং একটি কংগ্রেস পায়।

    বিজয়ীরা:

    • সঞ্জয় ভাটিয়া (বিজেপি)
    • করমবীর বৌধ (কংগ্রেস)

    ক্রস-ভোটিং- ওড়িশা, হরিয়ানায় বিতর্ক

    এই নির্বাচনে (Rajya Sabha Results 2026) কয়েকটি বড় বিষয় ফলাফলে নির্ধারক ভূমিকা নিয়েছে— বিহারে কংগ্রেস ও আরজেডির একাধিক বিধায়ক ভোট দেননি। ওডিশায় অন্তত ১১ জন বিধায়ক ক্রস-ভোটিং করেন। হরিয়ানায় ভোটের বৈধতা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। রাজ্যসভা নির্বাচনে এ বার ‘ক্রস ভোটিং’-এর সাক্ষী হয়েছে ওড়িশা। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের পড়শি রাজ্যে চারটি আসনে ভোট ছিল। তার মধ্যে তিনটিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। একটিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের দলের প্রার্থী। বিজেডি এবং কংগ্রেসের ১১ জন বিধায়ক বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন বলে অভিযোগ। পরিষদীয় পাটিগণিতের হিসাবে সে রাজ্যের দু’টি রাজ্যসভা আসনে বিজেপি প্রার্থীদের (NDA Wins in Rajya Sabha) জয় নিশ্চিত ছিল। আর একটি আসন থেকে নিজেদের প্রার্থীকে রাজ্যসভায় পাঠানো নিশ্চিত ছিল নবীনের দল বিজেডি-র। গোল বেধেছিল চতুর্থ আসন নিয়ে। এই আসনে বিজেপির জয় আটকাতে কংগ্রেসের সঙ্গে বোঝাপড়া করেছিল বিজেডি। দুই দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই চতুর্থ আসনে প্রার্থী করেছিল ওড়়িশার বিশিষ্ট চিকিৎসক দত্তেশ্বর হোতাকে। অন্য দিকে, চতুর্থ আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছিল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা শিল্পপতি দিলীপ রায়কে। ওই আসনে দ্বিতীয় পছন্দের ভোটে দত্তেশ্বরকে হারিয়ে জিতেছেন দিলীপ। ওড়িশার চারটির পাশাপাশি বিহারের ছ’টি এবং হরিয়ানার দু’টি রাজ্যসভা আসনেও ভোট হয়েছে সোমবার। হরিয়ানায় ভোটপর্ব শেষের পরে অনিয়মের অভিযোগ দুই কংগ্রস বিধায়কের ভোট বাতিলের দাবি তুলেছে বিজেপি। অন্যদিকে, বিজেপির অনিল ভিজের ভোট বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে কংগ্রেসের তরফে।

    বাকি ২৬ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা

    রাজ্যসভার ৩৭ সাংসদের (Rajya Sabha Results 2026) মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী এপ্রিল মাসে৷ এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বিহার, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র এবং ওড়িশা৷ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে সাংসদরা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন বিজেপির সাত সাংসদ, কংগ্রেস পাঁচ, তৃণমূল কংগ্রেসের চার, ডিএমকে তিন এবং শিবসেনা, আরপিআই (এ), এনসিপি, এনসিপি (এসপি), এআইএডিএমকে, পিএমকে, ইউপিপিএল একজন করে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫ আসনের মেয়াদ শেষ হয়েছিল৷ তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের চারপ্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন ৷ বিজেপির তরফে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন একজন৷

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীরা: রামদাস আথাওয়ালে, বিনোদ তাওড়ে, শরদ পাওয়ার, রামরাও ওয়াদকুতে, মায়া ইভনাতে, জ্যোতি ওয়াঘমারে, পার্থ পাওয়ার, অভিষেক মনু সিংভি, বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব কুমার, মেনকা গুরুস্বামী, কোয়েল মল্লিক, রাহুল সিন‍্‍হা, জোগেন মোহন তেরশ, গোওয়ালা প্রমোদ বরো, ভেম নরেন্দ্র রেড্ডি, এম থাম্বুদাঁস, তিম্বুরা, তিম্বুরা সিনহা, রবীন্দ্রন এম ক্রিস্টোফার তিলক, এল কে সুদেশ, লক্ষ্মী ভার্মা, ফুলো দেবী নেতাম, অনুরাগ শর্মা৷

  • Vande Mataram:  তেলঙ্গানা বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম্’ চলাকালীন এআইএমআইএম বিধায়কদের ওয়াকআউট

    Vande Mataram: তেলঙ্গানা বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম্’ চলাকালীন এআইএমআইএম বিধায়কদের ওয়াকআউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গানার বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’ বাজানোর সময় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন (All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen বা AIMIM)-এর বিধায়করা ওয়াকআউট করেন।

    জাতীয় গানের প্রতি সরাসরি অসম্মান

    ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া তেলঙ্গানা বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় ‘বন্দে মাতরম্’ বাজানো হয়। সেই সময় কংগ্রেস, ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি (BRS) এবং ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র বিধায়করা দাঁড়িয়ে জাতীয় গানের প্রতি সম্মান জানান। তবে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন-এর বিধায়করা সেই সময় বিধানসভা কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার। তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বন্দে মাতরম্ গাওয়ার সময় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন-এর বিধায়কদের বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যাওয়া লজ্জাজনক। এটি শুধু প্রতিবাদ নয়, জাতীয় গান ও দেশের আত্মার প্রতি সরাসরি অসম্মান। কেন তারা ভারতের প্রতীকগুলির প্রতি অ্যালার্জিক—আজ তা স্পষ্ট হয়ে গেল।”

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    এর একদিন আগেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেবানাথ রেড্ডি হায়দ্রাবাদে এক অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের আয়োজিত রমজানের ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে এআইএমআইএম সভাপতি ও হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়েসি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম্’-এর ছয় স্তবকের ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ বাজানো বা গাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম্’ এবং জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ একসঙ্গে পরিবেশিত হলে আগে ‘বন্দে মাতরম্’ বাজাতে হবে এবং সেই সময় উপস্থিত সবাইকে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

     

     

     

     

  • Shivalik LPG Tanker: কূটনৈতিক জয় ভারতের! হরমুজ পেরিয়ে গুজরাটে পৌঁছল ‘শিবালিক’, আসছে ‘নন্দা দেবী’

    Shivalik LPG Tanker: কূটনৈতিক জয় ভারতের! হরমুজ পেরিয়ে গুজরাটে পৌঁছল ‘শিবালিক’, আসছে ‘নন্দা দেবী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আবহে সোমবার এলপিজি বোঝাই ট্যাঙ্কার ‘শিবালিক’ (Shivalik LPG Tanker) পৌঁছে গেল গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দরে (Mundra Port LPG Tanker)। পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার হয়ে দু’দিন আগেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল এই ট্যাঙ্কারটি। দীর্ঘ টানাপড়েনের পরে গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পেরিয়েছিল ওই জাহাজ। হরমুজ পেরিয়ে এলপিজি নিয়ে আরও একটি জাহাজ ‘নন্দাদেবী’ও এগিয়ে আসছে ভারতের দিকে। মঙ্গলবার ওই জাহাজটির মুম্বইয়ে পৌঁছোনোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর। এর ফলে দেশে এলপিজি নিয়ে যে উদ্বেগ (India LPG Supply)তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই মিটবে, বলে অনুমান। গোটা বিষয়টিকে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক জয় হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ভারতের জাহাজই হরমুজ পেরোল

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত হরমুজ দিয়ে মাত্র তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করেছে। তিনটি-ই ভারতের পথে। তার মধ্যে শিবালিক এবং নন্দাদেবী হল যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয়। প্রথমটি ছিল লাইবেরিয়ার পতাকাধারী একটি ট্যাঙ্কার। সৌদি আরব থেকে অপরিশোধিত তেল নিয়ে সেটি রওনা হয়েছিল। শিবালিক এবং নন্দাদেবী শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এসসিআই)-এর জাহাজ। সূত্রের খবর, শিবালিকে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি। নন্দাদেবীতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এলপিজি।

    ভারতের কৃটনৈতিক জয়

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। প্রত্যাঘাত করে তেহরানও। তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। এর ফলে পশ্চিম এশিয়া থেকে তেল, এলপিজি আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কারণ পশ্চিম এশিয়া থেকে পূর্ব দিকে আসতে হলে হরমুজ পেরোনো বাধ্যতামূলক। এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়ে ভারত-সহ বেশ কয়েকটি দেশ। তেহরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে নয়াদিল্লি। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে চার বার জয়শঙ্কর কথা বলেন বলে খবর। গত মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তার পরেই ভারতে ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি আশ্বাস দেন, হরমুজ দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করবে ভারতের বাণিজ্যিক জাহাজ। ফাথালির কথায়, ‘‘ভারত এবং ইরান বন্ধু। আমরা তাতে বিশ্বাস করি।’’ তার পরেই হরমুজ পেরিয়ে এল ভারতীয় জাহাজ।

    হরমুজের উভয় প্রান্তে রয়েছে ভারতের আরও জাহাজ

    সূত্রের খবর, হরমুজের উভয় প্রান্তে এখনও দু’ডজনেরও বেশি ভারতীয় পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের আটকে রয়েছে। সেগুলি যাতে নিরাপদে হরমুজ পেরোতে পারে তার জন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “ভারতীয় পতাকাবাহী পেট্রোল ট্যাঙ্কার ‘জগপ্রকাশ’ ইতিমধ্যেই হরমুজের পূর্ব দিক থেকে যাত্রা শুরু করেছে।” রাজেশ কুমার জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত সকল ভারতীয় নাবিক নিরাপদে আছেন।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী?

    হরমুজ প্রণালী কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। ইরান অনানুষ্ঠানিকভাবে এই পথে অবরোধ তৈরি করার পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এর ফলে এই সরু জলপথ দিয়ে ক্রুড অয়েলের স্বাভাবিক প্রবাহে বড়সড় বিঘ্ন ঘটে। সাধারণ পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস বাণিজ্য এই পথ দিয়েই হয়। ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার পর ইরান পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ করে। তার মধ্যে হরমুজ প্রণালী এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলিকেও লক্ষ্য করা হয়। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথে জ্বালানি জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, তাও দু’বার।

    গ্যাস নিয়ে উদ্বেগ অনেকটাই কমবে

    ভারত প্রতি দিনের ১৯.১ কোটি আদর্শ ঘনমিটার (স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক মিটার) গ্যাস ব্যবহারের প্রায় অর্ধেকই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিম এশিয়া থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। মনে করা হচ্ছে, এলপিজি বোঝাই জাহাজ এসে পৌঁছোনোয় সেই উদ্বেগ অনেকটাই কমবে। প্রসঙ্গত, দেশে গ্যাসের সংকটের মধ্যে ‘শিবালিক’ এবং ‘নন্দা দেবী’তে রয়েছে আনুমানিক ৯২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন গ্যাস। বর্তমান পরিস্থিতিতে এগুলি অমূল্য বললে ভুল বলা হয় না। জাহাজ মন্ত্রক সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই আনলোডিংয়ের কাজ শুরু হবে। আনলোডিং শেষ হলেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এলপিজি সিলিন্ডার পাঠানো হবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এলপিজি সঙ্কট অনেকটাই দূর করা যাবে বলে মনে করছে পেট্রলিয়াম মন্ত্রক। অন্য দিক, পেট্রল-ডিজেলের কোনও খামতি নেই বলে এ দিন জানিয়েছেন পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারি সুজাতা শর্মা। সোমবার তিনি বলেন, ‘দেশে অপরিশোধিত তেল পর্যাপ্ত পরিমাণে সহজলভ্য। সমস্ত শোধনাগার তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের পেট্রল পাম্পগুলো স্বাভাবিক ভাবে চলছে। কোথাও তেলের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি।’

     

     

     

     

  • UAE: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ ভারতীয়-সহ ৩৫জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ইউএইর

    UAE: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ ভারতীয়-সহ ৩৫জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ইউএইর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর বা জাল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ জন ভারতীয়-সহ (Indians) মোট ৩৫ জনকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)। গত মাসের শেষ দিকে মার্কিন-ইজরায়েলি বাহিনী ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর  শুরু (UAE) হয় এই যুদ্ধ। ইউএইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিকৃত ভিডিও এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়েছে, যা বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তদন্তের ভিত্তিতে তাদের দ্রুত বিচার করা হবে। এই পদক্ষেপ করা হয়েছে দু’টি ধাপে। সর্বশেষ তালিকায় বিভিন্ন দেশের ২৫ জন রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১৭ জন ভারতীয়। এর আগে শনিবার ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে দু’জন ভারতীয়।

    ইউএইর অভিযোগ (UAE)

    ইউএইর অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামস জানান, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা এবং স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তৈরি ভুয়ো তথ্য ও কৃত্রিম কনটেন্ট ছড়ানো রুখতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সে দেশের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়ামের (WAM) উদ্ধৃতি অনুযায়ী, তদন্তে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছে। এর মধ্যে ছিল বর্তমান ঘটনাবলীর আসল ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করা, আই ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা, এবং সামরিক আগ্রাসনে জড়িত একটি রাষ্ট্রের প্রশংসা করে প্রচার করা।

    প্রথম দলের ১০

    জানা গিয়েছে, প্রথম দলের ১০ জন অভিযুক্তের মধ্যে ছিলেন ৫ জন ভারতীয়, ১ জন পাকিস্তানি, ১ জন নেপালি, ২ জন ফিলিপিনো এবং ১ জন মিশরীয়। তাঁরা দেশের আকাশসীমায় মিসাইল চলাচল ও প্রতিরোধের আসল ভিডিও প্রচার করেছিল। এসব ঘটনা দেখার জন্য জড়ো হওয়া মানুষের ভিডিও করে তাতে এমন মন্তব্য ও শব্দপ্রভাব যোগ করা হয়েছিল, যাতে মনে হয় দেশে সক্রিয় হামলা চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এতে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ছিল এবং দেশ বিরোধী প্রচার চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারত (UAE)। দ্বিতীয় দলে ৭ জন ছিলেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন ভারতীয়, ১ জন নেপালি এবং ১ জন বাংলাদেশি (Indians)।

    এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও

    তাঁরা এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও বা দেশের বাইরের ঘটনার ভিডিও ব্যবহার করে দাবি করেছিলেন যে এগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ঘটেছে। এসব ভিডিওয় বিস্ফোরণ ও মিসাইল হামলার কৃত্রিম দৃশ্য দেখানো হয়েছিল এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সেখানে জাতীয় পতাকা বা নির্দিষ্ট তারিখ যুক্ত করা হয়েছিল। আর তৃতীয় দলে ৬ জন ছিলেন। এঁর মধ্যে ৫ জন ভারতীয় এবং ১ জন পাকিস্তানি। অভিযোগ, তাঁরা ইরানের প্রশংসা করে কনটেন্ট প্রকাশ করেছেন, যেখানে সেই দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব এবং আঞ্চলিক সামরিক কর্মকাণ্ডকে সাফল্য হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ

    সরকারের বক্তব্য, এতে শত্রুপক্ষের প্রচারকে শক্তিশালী করা হয়েছে, ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ। এছাড়া আরও দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সরকারি কৌঁসুলির দফতর তাঁদের আটক করে রাখার নির্দেশ দেয় (Indians)। অ্যাটর্নি জেনারেল আল শামস বলেন, “তাঁরা এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়েছিল, যেখানে ইউএইয়ের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ, গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় হামলা বা বড় অগ্নিকাণ্ড দেখানো হয়েছিল (UAE)। ইউএই আইনে এই ধরনের অপরাধের শাস্তি হল, কমপক্ষে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং অন্তত ১,০০,০০০ দিরহাম জরিমানা। তিনি বলেন, “এসব ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা দুর্বল করা।”

    নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যে ধারণা

    কিছু ভিডিওতে শিশুদের আবেগকে ব্যবহার করে নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যে ধারণাও তৈরি করা হয়েছে। কিছু ভিডিওয় আবার দেশের সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বা বিদেশের ঘটনাকে ইউএইয়ের ঘটনা হিসেবে দেখানো হয়েছে। রবিবার সকালে উপসাগরীয় দেশগুলি, যার মধ্যে ইউএইও রয়েছে, নতুন করে হামলার খবর জানায়। এর একদিন আগে ইরান ইউএইয়ের তিনটি বড় বন্দর খালি করার আহ্বান জানিয়েছিল এবং প্রথমবারের মতো প্রতিবেশী দেশের অ-মার্কিন সম্পদের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়েছিল (Indians)। তেহরানের অভিযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউএইয়ের বন্দর, ডক ও ঘাঁটি ব্যবহার করে খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে। এই দ্বীপেই রয়েছে ইরানের প্রধান তেল রফতানি টার্মিনাল। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ দেয়নি ইরান (UAE)। এদিকে, যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি আশা করেন মিত্র দেশগুলি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে।

     

  • RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    RSS: হিন্দুত্ব শুধু ভাবনা নয়, এটা জীবনপদ্ধতি, বললেন দত্তাত্রেয় হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) বিস্তার মানেই জাতীয় ভাবনার বিস্তার—এমনটাই মন্তব্য করলেন সংঘের অখিল ভারতীয় সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। পানিপথে তিন দিনব্যাপী অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দেশের নাগরিকদের ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি। তিনি আরও জানান, গত এক বছরে সংঘের সাংগঠনিক বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রায় ছয় হাজার নতুন শাখা যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে শাখার সংখ্যা ৮৮ হাজারেরও বেশি হয়েছে। শাখা পরিচালিত হওয়া স্থানের সংখ্যাও বেড়ে ৫৫ হাজার ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক মিলন ও মণ্ডলীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ” হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি”।

    আন্দামান থেকে অরুণাচল বেড়েছে সংগঠন

    দত্তাত্রেয় হোসাবালে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “সংগঠনের (RSS) বিস্তার শুধু সংখ্যায় নয়, ভৌগোলিক ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে। আন্দামান, অরুণাচল প্রদেশ, লেহ এবং দূরবর্তী আদিবাসী এলাকাতেও এখন সংঘের শাখা চলছে।” সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে বলেও তিনি জানান। আন্দামানে নয়টি দ্বীপ থেকে ১৩ হাজারের বেশি মানুষ একটি হিন্দু সম্মেলনে অংশ নেন। একইভাবে কম জনঘনত্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে ২১টি হিন্দু সম্মেলনে ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দেন।

    হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি

    তিনি (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, সংগঠনের বিস্তারের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে সংঘ (RSS)। “পঞ্চ পরিবর্তন” ধারণার মাধ্যমে সামাজিক মান ও মূল্যবোধ উন্নত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, ভারতীয়তা বা হিন্দুত্ব শুধু একটি ভাবনা নয়, এটি একটি জীবনপদ্ধতি। হোসাবালে জানান, জাতপাত বা সম্প্রদায়ের বিভেদ ভুলে মহান ব্যক্তিত্বদের অবদানকে সম্মান জানানো উচিত। সেই ভাবনা থেকেই ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর উদ্‌যাপন করা হয়েছে। আগামী বছরে সন্ত রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা

    তিনি জানান, আগামী বছরে সংঘের (RSS) পক্ষ থেকে মোট ৯৬টি প্রশিক্ষণ শিবির আয়োজন করা হবে, যার মধ্যে ১১টি আঞ্চলিক এবং একটি নাগপুরে অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে গো-সেবা ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নাগরিকদের বাড়ির ছাদে সবজি চাষ এবং দেশি গরুর গোবর থেকে তৈরি সার ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পলিথিন ব্যবহার কমানো ও জল সংরক্ষণের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ‘সবুজ বাড়ি’ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের কাঠামোতেও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা অনুযায়ী বর্তমান ৪৬টি প্রান্তের পরিবর্তে ছোট ইউনিট ‘সম্ভাগ’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সম্ভাগের সংখ্যা ৮০-এর বেশি হতে পারে। এক প্রশ্নের উত্তরে হোসাবালে বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটারদের কেবল জাতপাতের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমকেও দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দেশের সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসাও করেন এবং বলেন, সংঘ বিশ্বে শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষে।

    স্বয়ংসেবক কারা?

    তিনি আরও জানান, সংঘ (RSS) কোনও সম্প্রদায় বা উপাসনা পদ্ধতির বিরোধিতা করার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার সংঘ প্রতিষ্ঠার সময় এমনই ভাবনা পোষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে এম এস গোলওয়ালকরও বলেন, সব মানুষের পূর্বপুরুষ এক এবং উপাসনার পদ্ধতির ভিন্নতা বিভেদ সৃষ্টি করে না। তৃতীয় সরসংঘচালক বালাসাহেব দেওরসও মত দেন, যারা ভারতকে মাতৃভূমি হিসেবে মানেন এবং ভারতীয়তার চেতনায় জীবনযাপন করেন, তারাই হিন্দু। দত্তাত্রেয় হোসাবালে বলেন, সমাজের কল্যাণে যে কেউ কাজ করলে তাকে সংঘের স্বয়ংসেবক হিসেবেই দেখা হয়। সমাজের বিভিন্ন স্তরে সংঘের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে বলেও তিনি জানান। তিনি জানান, গুরু তেগবাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস উপলক্ষে সারা দেশে দুই হাজারের বেশি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে সাত লক্ষেরও বেশি মানুষ অংশ নেন।

  • Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    Election 2026: ভোটের ঢাকে পড়ল কাঠি, রাজ্যে দু’দফায় নির্বাচন, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের (Election 2026) সূচি ঘোষণা করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ (২৩ ও ২৯ এপ্রিল), তামিলনাড়ু (২৩ এপ্রিল), কেরল (৯ এপ্রিল), অসম (৯ এপ্রিল) এবং পুদুচেরি (৯ এপ্রিল)। ভোট গণনা হবে ৪ মে। কমিশনের এই ঘোষণার মাধ্যমে একটি বড় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল, যার মাধ্যমে প্রায় ৮২৪টি আসনে ভাগ্য নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা (Election 2026)

    রবিবার বিকেলে দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানান, প্রায় ১৭.৪ কোটি মানুষ এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর মধ্যে অসমে ২.৫০ কোটি, কেরলে ২.৭০ কোটি, পুদুচেরিতে ৯.৪৪ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫.৬৭ কোটি এবং পশ্চিমবঙ্গে ৬.৪৪ কোটি ভোটার রয়েছেন। তিনি বলেন, “২০টি দেশের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে এবং তা থেকে শিক্ষা নিতে ভারতে আসবেন।” নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ভোটমুখী রাজ্যে মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct) কার্যকর হয়ে গেল বলেও জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস টানা চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছে। আর অন্যদিকে বিজেপি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে মরিয়া। রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে।

    নির্বাচন আরও তিন রাজ্যেও

    তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকের সেক্যুলার প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স মুখোমুখি হচ্ছে বিজেপি–এআইএডিএমকে জোটের। সেখানে মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। কেরলে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (LDF) সরকার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (UDF)-এর বিরুদ্ধে (Election Commission)। অসমে বিজেপি নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চাইছেন। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গাস্বামীর এআইএনআরসির মুখোমুখি হচ্ছে ডিএমকে–কংগ্রেস জোট।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    এদিকে, ভুয়ো তথ্য ও ডিপফেক ভিডিও ছড়ানোর বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দিয়ে রাখল কমিশন। জ্ঞানেশ জানান, এই বিষয়টি নজর রাখবেন নোডাল অফিসাররা। এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মুছে ফেলা এবং এফআইআর দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আদর্শ আচরণবিধি এখন থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর পর এমন কোনও ঘটনা ঘটলে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে কমিশন।” অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন (Election 2026) বিচারকরা।  অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে, সেই তালিকার নামগুলি বর্তমান ভোটারদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।” তিনি জানান, বিবেচনাধীন থাকা নামগুলি খতিয়ে দেখছেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা যে নামগুলিকে অনুমোদন দেবেন, সেগুলি চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত করা হবে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ভোটার রয়েছেন ৬ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে পুরুষ ৩ কোটি ২৮ লাখ, মহিলা ৩ কোটি ১৬ লাখ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১৫২জন। উল্লেখ্য যে, বঙ্গের মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টিতে, দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় নির্বাচন হবে ১৪২টি আসনে (Election 2026)।

     

  • Jay Shah: প্রাক-টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্বে ‘নাটক’ নিয়ে মুখ খুললেন জয় শাহ

    Jay Shah: প্রাক-টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্বে ‘নাটক’ নিয়ে মুখ খুললেন জয় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (Pre T20 World Cup Drama) নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ভারতে আসতে অস্বীকার করায় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) নিরাপত্তার আশ্বাস দিলেও, বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অনড় ছিল। তাই তাদের জায়গায় (Jay Shah) নেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।

    “কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়” (Jay Shah)

    পরে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করার হুমকি দিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তারা সিদ্ধান্ত বদল করে। এই বিতর্কের সময় নীরব ছিলেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। এতদিন পরে মুখ খুললেন তিনি। মুম্বইয়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়ান বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ জানান, কয়েকটি দলের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হওয়া দ্বিধার কারণে পুরো টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে তিনি বলেন, “কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়।”

    দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙেছে

    তিনি বলেন, “এই আইসিসি বিশ্বকাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অনেক আলোচনা চলছিল, কিছু দল আদৌ অংশ নেবে কি না এবং বিশ্বকাপ কীভাবে এগোবে। আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বলতে পারি, কোনও দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয় এবং কোনও একক দল একটি সংস্থা তৈরি করে না। একটি সংস্থা গড়ে ওঠে সব দলের সমন্বয়ে।” যদিও তিনি সরাসরি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের নাম নেননি। শাহ জানান, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ড ভেঙেছে। একসঙ্গে ৭.২ মিলিয়ন দর্শক ম্যাচ দেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি বলেন, “এই বিশ্বকাপ সব ধরনের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবার আমরা ৭.২ মিলিয়ন দর্শক পেয়েছি। সামগ্রিক দর্শকসংখ্যার সব রেকর্ডই ভেঙে গিয়েছে। আপনি দেখবেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে কঠিন লড়াই দিয়েছে, নেদারল্যান্ডস পাকিস্তানকে সমস্যায় ফেলেছে, জিম্বাবোয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে এবং নেপাল ইংল্যান্ডকে ভয় পাইয়ে দিয়েছে (Pre T20 World Cup Drama)। আমি সব অ্যাসোসিয়েট দলকে অভিনন্দন জানাই। তারা পূর্ণ সদস্য দেশগুলির বিরুদ্ধে খুব ভালো খেলেছে (Jay Shah)।”

    জয়ের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    শেষে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন জয়। বলেন, “সূর্য (সূর্যকুমার যাদব) এবং গৌতম ভাইয়ের জন্য আমার একটি বার্তা আছে—শীর্ষে উঠতে বছর লাগে, কিন্তু শীর্ষ থেকে নীচে নামতে মাত্র কয়েক মাসই যথেষ্ট। তাই কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান এবং জয়ের ধারা বজায় রাখুন। আমি যখন ভারতের ক্রিকেট বোর্ডে (BCCI) ছিলাম, তখন ২০২৮ অলিম্পিক পর্যন্ত পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন আমি আইসিসিতে আছি এবং বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব অন্যদের হাতে। আপনাদের সবাইকে ২০৩০, ২০৩১ এমনকি (Pre T20 World Cup Drama) ২০৩৬ সালের জন্যও প্রস্তুতি নিতে হবে (Jay Shah)।”

     

  • Spying For Pakistan: পাকিস্তানের চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ৬, কীভাবে চলত নেটওয়ার্ক?

    Spying For Pakistan: পাকিস্তানের চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ৬, কীভাবে চলত নেটওয়ার্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির (Spying For Pakistan) অভিযোগে শনিবার ছ’জনকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) থানার পুলিশ। পুলিশ প্রথমে সুহেল মালিক, প্রবীণ, রাজ, শিবা এবং হৃতিককে গ্রেফতার করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ষষ্ঠ অভিযুক্ত ইরাম ওরফে মাহাককে গ্রেফতার করে। শনিবার সন্ধ্যায় তাদের তোলা হয় আদালতে। বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় আদালত।

    সংবেদনশীল জায়গার ছবি পাকিস্তানে (Spying For Pakistan)

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা দিল্লি, মুম্বই, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাব এবং কর্নাটকের সংবেদনশীল জায়গার ছবি, ভিডিও এবং অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানে পাঠাচ্ছিল। তারা দিল্লির সেনা ছাউনি এলাকা, সব রেলস্টেশন, জিআরপি, আরপিএফের পাশাপাশি মুম্বইয়ের রেলস্টেশন, প্রতিরক্ষা এলাকা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল জায়গার ছবি এবং ভিডিও ও লোকেশন পাকিস্তানে পাঠিয়েছে। মাস ছয়েক আগে সুহেল দিল্লি ক্যান্ট রেলওয়ে স্টেশনে একটি সৌরশক্তিচালিত ক্যামেরা বসিয়েছিল, যা থেকে সরাসরি ভিডিও ফিড পাঠানো হত পাকিস্তানের একটি নির্দিষ্ট নম্বরে। পাকিস্তানে এই তথ্য পাঠানোর জন্য অভিযুক্তরা ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পেত বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৮টি মোবাইল ফোনে পাওয়া যোগাযোগ নম্বরগুলির তদন্ত করছে পুলিশ।

    কী জানাল পুলিশ

    জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে সুহেল ও রাজ বাল্মীকি দিল্লির (Spying For Pakistan) বাসিন্দা, তারা একে অপরের বন্ধু। বছরখানেক আগে তারা একসঙ্গে হোটেল ও ধাবায় কাজ করত। পরে চাকরি ছেড়ে দেয়। সুহেল চলে যায় মিরাটে। রাজ অর্থসঙ্কটে পড়লে সুহেল তাকে পাকিস্তানের চরবৃত্তির কাজে লাগায়। এরপর প্রবীণ, শিবা বাল্মীকি, রিতিক গঙ্গোয়ার এবং ইরামও এই দলে যোগ দেয়। প্রথমদিকে অভিযুক্তরা ছবি এবং ভিডিও পাঠাত সুহেলকে, সে আবার সেগুলি পাঠাত পাকিস্তানে, তার যোগাযোগ নম্বরে। পরে সবাই সরাসরি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং তাদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয়। পুলিশ এও (Ghaziabad) জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পাকিস্তান থেকে কিছু পার্সেলও পেয়েছিল। সুহেল কীভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, তা জানতে (Spying For Pakistan) তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও নিত্য ঘটে চলেছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindus Under Attack)। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে চলতে থাকা এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক অংশ এই আক্রমণের প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্টতার জের (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৮ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (Hindus Under Attack)

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় অংশের শুরুতেই একটি দৃশ্যে দেখা যায় এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে, তার মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে আনুজা নামের এক তরুণীর বাস্তব ঘটনাই এই দৃশ্যের নেপথ্যের কাহিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৌতুক অভিনেতা নাসির আখতারের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো, যেটি ৮ মার্চ বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় ‘মিনিস্ট্রি অব কমেডি’তে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়। হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, তিনি আগে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করেছেন। দিল্লিতে তরুণ তরুণ কুমার বুটোলিয়াকে হত্যা করেছে কয়েকজন মুসলিম। অভিযোগ, ১১ বছরের এক নাবালিকার ছোড়া জলভরা রঙিন বেলুন দুর্ঘটনাবশত এক মুসলিম মহিলার গায়ে পড়ে যায় (Hindus Under Attack)। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে তরুণ হত্যার ঘটনা। যা বড়জোর একটি পাড়ার ঝগড়া হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আকার নেয় গণপিটুনির।

    ইসলামপন্থী যুবকদের অত্যাচার

    রাজস্থানের আলওয়ার জেলার আরাবল্লি বিহার এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করা হয়। মন্দির লাগোয়া এলাকায় মেলে মৃত বাছুর। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় (Roundup Week)। কর্নাটকের কপ্পাল জেলায় ভেঙ্কটেশ নামের এক ব্যক্তিকে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি তাঁর মুসলিম বন্ধু আজির এবং তাঁর স্ত্রী আফিয়ার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন (Hindus Under Attack)। এই রাজ্যেরই বাগালকোট জেলায় সাফিক নামে এক মুসলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে নাম ভাঁড়িয়ে বিয়ে করে। তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে। পরে নগদ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।

    লাভ জেহাদ

    পুনে জেলার নহাভি গ্রামের নিউ ইংলিশ স্কুলে অভিযোগ ওঠে যে কপালে তিলক লাগানো ছাত্রদের ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হিন্দু সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মোনালিসা ভোঁসলে নামে ১৮ বছরের এক হিন্দু তরুণীর কেরালায় গিয়ে জনৈক ফারমান খানকে বিয়ে করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে প্রভাবিত করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীর নগরে ২২ বছরের এক হিন্দু তরুণী পরিবারের সদস্যদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় মুসলিম প্রেমিকের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, এটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনা (Roundup Week)।

    বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এ তো গেল সপ্তাহান্তে দেশের ছবিটা। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব লুপ্ত হয়ে যেতে পারে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কুমিল্লা শহরের কালীগাছতলা মন্দিরে একটি হাতবোমা হামলায় মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী-সহ অন্তত তিনজন জখম হন। শনি পুজো চলার সময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরে ঢুকে বোমা ছোড়ে বলে জনান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    হিন্দু খুন

    নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, আদতে তা হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নতুন সরকারের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজন নিহত হয়েছে বলে খবর।ফেনীতে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত সাহা ডাকাতদের হাতে নিহত হয়েছে। কক্সবাজারে গণেশ পাল নামে এক হিন্দু ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে খবর। সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে চুরি হয়েছে। বিগ্রহের সোনার গয়না এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)।

    প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মার্কিন নাগরিক ওই অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা করায় তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করা হয়। কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এই বিদ্বেষকে উৎসাহিত করা হয় বলে দাবি সমালোচকদের। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখা গেলেও, ভারতের মতো তথাকথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিদ্বেষ দেখা যায় বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা হয়। যা আপাতভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ হলেও, সমালোচকদের মতে এতে রয়েছে দ্বৈত মানদণ্ড।

     

LinkedIn
Share