Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Railway: পারমাণবিক বিদ্যুতে চলবে ট্রেন! ২০৩০ সালের মধ্যেই বড় চুক্তি করতে চলেছে ভারতীয় রেল

    Indian Railway: পারমাণবিক বিদ্যুতে চলবে ট্রেন! ২০৩০ সালের মধ্যেই বড় চুক্তি করতে চলেছে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচলিত জ্বালানির ব্যবহারের উপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে ভারতীয় রেল (Indian Railway)। নেট জিরো ২০৩০ (Net Zero Goal by 2030) অধীনেই পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তির উপরে ভরসা বাড়াতে চাইছে ভারতীয় রেল। সে কারণেই পারমাণবিক বিদ্যুৎ, সৌর বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুতের উৎসগুলির দিকে ঝুঁকছে ভারতীয় রেল। রেলের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে ট্রেন চালানোর জন্য ১০ গিগাওয়াট ট্র্যাকশন শক্তির প্রয়োজন হবে। ফলে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি এবং আরও ৩ গিগাওয়াট তাপ ও ​​পারমাণবিক শক্তি কেনার পরিকল্পনা করেছে রেল। ট্র্যাকশনের জন্য প্রয়োজনীয় অবশিষ্ট ৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে বলে পরিকল্পনা করেছে রেল।

    পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তির জোগাড়

    ২০৩০ সালের মধ্যে শূন্য নির্গমন অর্জনের লক্ষ্যকে মাথায় রেখে এবং একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ছোট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে কেন্দ্রের পারমাণবিক শক্তি বিভাগ বা ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (DAE) এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রকের সঙ্গে পরামর্শ শুরু করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railway)। সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ মন্ত্রকের কাছে ২ গিগাওয়াট (Net Zero Goal by 2030) পারমাণবিক শক্তির আবেদন জানিয়েছে রেলওয়ে। রেলের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে, ভারতীয় রেল জমি সরবরাহ করবে এবং বিদ্যুৎ কিনবে। অন্যদিকে, ডিএই এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রক জ্বালানি সরবরাহ চুক্তির মাধ্যমে প্লান্ট স্থাপনে সহায়তা করবে।

    এছাড়াও, যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি থেকে আরও ২ গিগাওয়াট তাপবিদ্যুতের জোগাড় করা হবে। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সাহায্যে জোগাড় করা হবে ১.৫ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ। এই আর্থিক বছরেই ব্রডগেজ রুটে ১০০ শতাংশ বিদ্যুতায়ন শেষ করবে বলে জানায় রেল দফতর। রেলের এক কর্তা বলেন, “২০২৫-২৬ সাল থেকে প্রায় ৯৫% ট্রেন বিদ্যুতে চলবে। রেল সরাসরি কার্বন নির্গমন প্রতি বছর ১.৩৭ মিলিয়ন টনে নেমে আসবে।” ভারতীয় রেল সূত্রে খবর, শক্তি উৎপাদনের জন্য ভারতীয় রেলওয়ে জমি সরবরাহ করবে এবং বিদ্যুৎ খরচের নিশ্চয়তা প্রদান করবে, যেখানে ডিএই এবং শক্তি মন্ত্রক শক্তি প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে এবং জ্বালানি সরবরাহ চুক্তি করবে। রেলওয়ে জমি খোঁজার কাজ শুরু করেছে, এবং জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছে। এই উদ্যোগের জন্য অর্থ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলিও কাজ শুরু করেছে।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    অনুমান বর্তমানে ভারতে চলমান ৯০ শতাংশ ট্রেন এখন বিদ্যুত চালিত। বাকি ১০ শতাংশ চলে ডিজেলে। তিন বছর আগেও ৩৭ শতাংশ ট্রেন ছিল ডিজেল চালিত। বৈদ্যুতিক নির্ভরতা বাড়ায় ভারতীয় রেলের (Indian Railway) ট্রেন চালানোর জন্য খরচ আগের থেকে কমেছে। ট্র্যাকশনের জন্য ডিজেলের অধীনে রাজস্ব ব্যয় ২০২৫-২৬ সালে ৯,৫২৮.৫৩ কোটি টাকায় নেমে আসবে বলে আশা। যা গত এক দশকেরও বেশি সময়ে রেলওয়ের দ্বারা ডিজেলের জন্য ব্যয় করা সর্বনিম্ন খরচ বলে আশা। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সম্প্রতি রাজ্যসভায় জানিয়েছেন যে, তাঁরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (NPCIL) এবং শক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে রেলওয়ের শক্তি চাহিদা মেটাতে নিউক্লিয়ার শক্তি বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, রেলওয়ের শক্তি চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। তাঁর কথায়, ‘‘রেলওয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিদ্যমান এবং আসন্ন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টগুলির কাছ থেকে শক্তি সংগ্রহের বিকল্পগুলি খতিয়ে দেখছে।’’

  • Modi Government: মোদি জমানায় নয়া মাইলফলক, চলতি অর্থবর্ষে ১০০ কোটি টন কয়লা উত্তোলন ভারতের

    Modi Government: মোদি জমানায় নয়া মাইলফলক, চলতি অর্থবর্ষে ১০০ কোটি টন কয়লা উত্তোলন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা উত্তোলনে (Coal Production) নয়া মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১০০ কোটি টন (এক লক্ষ কোটি কেজি) কয়লা উত্তোলনের মাইলফলক পেরিয়ে গেল। চলতি অর্থবর্ষ শেষ হতে এখনও বেশ কয়েকদিন বাকি। এরই মধ্যে নয়া কৃতিত্ব অর্জন করল দেশ। এ নিয়ে এক্স মাধ্যমে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Government) লেখেন, ‘‘এটা একটা গর্বের মুহূর্ত প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে। আমরা এক বিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলনের মাইলফলক পার করেছি। এই সাফল্যে প্রতিফলিত হচ্ছে আমাদের দেশের শক্তি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং আত্মনির্ভরতা।’’ এর পাশাপাশি এমন সাফল্য কয়লা ক্ষেত্রের সঙ্গে নিযুক্ত কর্মীদের কঠিন পরিশ্রমকেও প্রতিফলিত করছে বলে জানিয়েছেন মোদি।

    মোদি জমানায় (Modi Government) দেশের কয়লা উত্তোলন বেড়েই চলেছে

    অন্যদিকে এই মাইলফলক স্পর্শে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, কয়লা উত্তোলন বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়বে আগামীদিনে। এর পাশাপাশি ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিও ঘটবে। প্রসঙ্গত, ভারতের কয়লা উত্তোলন ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৮৯৩.১৯১ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন হয়েছিল। পরের বছরে অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তা পৌঁছে যায় ৯৯৭.৮৩ মিলিয়ন টনে। আর এবার ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ১ বিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলনের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলল ভারত।

    ৩৫০ কয়লা খনিতে কাজ করেন ৫ লাখ শ্রমিক

    জানা গিয়েছে, দেশে বর্তমানে ৩৫০টি কয়লা খনি রয়েছে। ৫ লাখ শ্রমিক এই সমস্ত কয়লা খনিগুলিতে কাজ করেন। ইতিমধ্যে নিলামের মাধ্যমে কয়লা উত্তোলন ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলিও যাতে অংশ নিতে পারে, সে জন্য আইন সংশোধনও করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার (Modi Government)। শ্রমিকদের নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাড়ানো হয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর জেরেই কয়লা উত্তোলন বেড়েছে। উল্লেখ্য, দেশের ৭৪ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় কয়লাকে ব্যবহার করে। ফলে কয়লা উত্তোলন বৃদ্ধির ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনও বেড়েছে।

  • Aurangzeb: ‘ভারতের আইকন নন ঔরঙ্গজেব, এমন প্রচারকে প্রতিহত করা দরকার’, বলল আরএসএস

    Aurangzeb: ‘ভারতের আইকন নন ঔরঙ্গজেব, এমন প্রচারকে প্রতিহত করা দরকার’, বলল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) সমাধি অপসারণের দাবিতে উত্তাল হয়েছে মহারাষ্ট্র। নাগপুরে ছড়িয়েছে হিংসা। এবার বেঙ্গালুরুতে আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভায় উঠে এল ঔরঙ্গজেব প্রসঙ্গ। আরএসএস (RSS) জানাল, ঔরঙ্গজেব কখনই একজন যোগ্য আইকন নন এবং যাঁরা এ ধরনের বিকৃত তথ্য দিচ্ছেন তাঁদের রোখা উচিত। রবিবারই বেঙ্গালুরুতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে। তিনি বলেন, ‘‘১৯৪৭ সালে আমরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু মানসিকভাবে এখনও অনেক কিছুতে ঔপনিবেশিকতার ছাপ রয়ে গেছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদেরকে বৌদ্ধিকভাবে স্বাধীন হতে হবে।’’

    প্রসঙ্গ ঔরঙ্গজেব (Aurangzeb)

    আরএসএসের (RSS) দত্তাত্রেয় হোসাবলের মতে, ‘‘যদি কোনও ব্যক্তি এমন একজন আক্রমণকারীর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে চায়, যিনি আমাদের জাতীয় নীতি এবং সংস্কৃতিকে ধ্বংস করেছিলেন, তাহলে তাঁকে আমরা আক্রমণকারী হিসেবেই দেখব। তিনি সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।’’ আরএসএস-এর নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে আরও বলেন, ‘‘ভারতে যাঁরা আক্রমণ করেছিলেন সেই সমস্ত মানসিকতার লোকেরাই ঔরঙ্গজেবকে (Aurangzeb) গৌরবান্বিত করে। কিন্তু কখনও তাঁকে একজন আইকন বলে মানা যায় না।’’

    ঔরঙ্গজেবের ভাইয়ের উদাহরণ দিলেন আরএসএস নেতা (RSS)

    রবিবার বেঙ্গালুরুতে আরএসএস-র প্রতিনিধি সভায় সাংবাদিকদের দত্তাত্রেয় হোসাবলে আরও বলেন, ‘‘ঔরঙ্গজেবকে (Aurangzeb) নিয়ে যাঁরা কথা বলছেন, তাঁরা তাঁর ভাই দারা শিকোহকে কখনও সামনে আনার চেষ্টা করেনি। কিন্তু তিনিই ছিলেন যিনি এই ভারতের নীতি-নৈতিকতাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন।’’ এ প্রসঙ্গে দত্তাত্রেয় হোসাবলে উদাহরণ দেন ভগিনী নিবেদিতার। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের নীতি-নৈতিকতাকে কারা আঁকড়ে ধরবে, সেটা বিদেশি বা স্থানীয় হওয়ার বিষয় নয়! ভগিনী নিবেদিতা তিনি একজন খ্রিস্টান ছিলেন। তিনি এ দেশের নীতি-নৈতিকতাকে আঁকড়ে ধরেছিলেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘গুরু গোবিন্দ সিংয়ের পুত্ররা শহিদ হয়েছিলেন। কারণ তাঁরা নিপীড়নের কাছে মাথা নত করতে চাননি। আমরা তাঁদের আত্মত্যাগ থেকে অনুপ্রেরণা পায়।’’ দত্তাত্রেয় আরও বলেন, ‘‘আমরা বলি যে আমরা সকলেই হিন্দু। এই দেশে জন্মগ্রহণকারীরা প্রত্যেকেই হিন্দু। কারণ তাঁদের পূর্বপুরুষরা হিন্দু ছিলেন।’’

  • Sambhal: ২০২৪ সালের নভেম্বরে সম্ভল হিংসা, গ্রেফতার মসজিদ কমিটির সভাপতি জাফর আলি

    Sambhal: ২০২৪ সালের নভেম্বরে সম্ভল হিংসা, গ্রেফতার মসজিদ কমিটির সভাপতি জাফর আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুঘল জমানার তৈরি মসজিদের সমীক্ষার কাজকে কেন্দ্র করে গত বছরে ব্যাপক হিংসা ছড়ায় উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal)। গত ২৪ নভেম্বর অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল উত্তরপ্রদেশের এই অঞ্চল। জনতা-পুলিস সংঘর্ষে কমপক্ষে তিনজনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। প্রচুর পুলিশ কর্মী জখম হন এই ঘটনায়। এবার এই হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে জামা মসজিদ কমিটির সভাপতি আইনজীবী জাফর আলিকে (Zafar Ali) গ্রেফতার করল যোগী রাজ্যের পুলিশ। তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, সেদিনের হিংসার ঘটনায় ইতিমধ্যে তাদের হাতে বেশ কিছু প্রমাণ এসেছে। তা থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে সেদিনের হিংসায় তাঁর মদতের বিষয়টি স্পষ্ট। মসজিদ কমিটির সভাপতি জাফর আলি গোটা ঘটনায় অন্যতম চক্রী বলে প্রশাসনের দাবি।

    আগে জাফর আলির জবানবন্দিও নেওয়া হয় (Sambhal)

    জানা গিয়েছে, গত বছরের ২৪ নভেম্বরের হিংসার ঘটনার তদন্তে এর আগেও জাফর আলিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ জেরা করে স্থানীয় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। সেসময় জাফর আলির জবানবন্দিও নেওয়া হয় যোগী পুলিশের তরফে। এবার সেই ঘটনার ৪ মাসের মাথায় তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশেই উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে জামা মসজিদে সমীক্ষার কাজ শুরু হয়। তবে আদালতের নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার করে ভিড় জমা হয়, সমীক্ষার বিপক্ষে। এরপরে সমীক্ষায় এসে আক্রান্ত হতে হয় প্রশাসনকে (Sambhal)। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই এলাকায় সরকারি সমীক্ষার দিনক্ষণ প্রথম থেকেই জানতেন বেশ কিছুজন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম জাফর আলি।

    সমীক্ষার বিষয়টি তিনি আগেভাগে এলাকার লোকজনকে জানিয়েছিলেন

    জানা গিয়েছে, ১৯ নভেম্বর সমীক্ষার বিষয়টি তিনি আগেভাগে এলাকার লোকজনকে জানিয়েছিলেন (Sambhal)। এই কারণেই সেদিনও অনেক লোক জড়ো হয়ে যান। এরপরে ২৪ নভেম্বরে কাজ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। সমীক্ষার কথা প্রথম থেকে জানা ছিল তাঁর। সেই খবর চাউর হওয়ায় বিপুল সংখ্যক লোক জমা হয়েছিল এবং তা থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে সম্ভলে।

  • RSS: শতবর্ষে আরএসএস, ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সারাদেশে ১ লাখ শাখা চালানোর লক্ষ্যমাত্রা

    RSS: শতবর্ষে আরএসএস, ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সারাদেশে ১ লাখ শাখা চালানোর লক্ষ্যমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছিল বেঙ্গালুরুতে আরএসএস-এর (RSS) অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার (ABPS 2025) তৃতীয় দিন। এদিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের সর্ব ভারতীয় প্রচার প্রমুখ শ্রী সুনীল আম্বেকর। এই বৈঠকে দত্তাত্রেয় হোসাবলে জানান যে রবিবার শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়েছে দেশের জন্য শহিদ হওয়া তিন বীরের উদ্দেশে। এঁরা হলেন ভগৎ সিং, সুখদেব এবং রাজগুরু।

    ২ অক্টোবর সারাদেশে চলবে একলাখ শাখা

    চলতি বছরে ২ অক্টোবর পড়েছে বিজয়া দশমীর তিথি। প্রসঙ্গত, বিজয়া দশমীই হচ্ছে আরএসএস-এর (RSS) প্রতিষ্ঠা তিথি। ওই দিন সারা দেশে এক লাখ শাখা চলবে বলে জানিয়েছেন আরএসএস-র দত্তাত্রেয়। স্বয়ংসেবকদের উদ্দেশে ওই দিন বার্তা দেবেন সর সংঘচালক মোহন ভাগবত। শতবর্ষের আবহে প্রতিটা মণ্ডল স্তরে সামাজিক সম্মেলন এবং হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি সামাজিক শ্রদ্ধা বৈঠকও অনুষ্ঠিত করবে আরএসএস। সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সম্মেলনও করবে আরএসএস। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত দেশে শাখা বিস্তারের কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।

    প্রত্যাশিত কর্মী কত ছিলেন? তারমধ্যে কত হাজির হলেন?

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে দত্তাত্রেয় বলেন, ‘‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভায় মোট প্রত্যাশিত প্রতিনিধি ছিলেন ১,৪৮২ জন। এঁদের মধ্যে হাজির হয়েছেন ১,৪৪৩ জন। অর্থাৎ মোট উপস্থিত হয়েছেন ৯৩.৭ শতাংশ। প্রতিনিধি সভায় সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্বয়ংসেবকরা হাজির হয়েছেন। স্বয়ংসেবরা এসেছেন মণিপুর, জম্মু কাশ্মীর ও কন্যাকুমারী থেকেও। আগত প্রতিনিধিরা সংঘের বিভিন্ন শাখার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।’’

    দেশের প্রতি কাজ মন্থন করবে আরএসএস (RSS)

    সংঘের শতবর্ষ নিয়ে দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেন, ‘‘আরএসএস (RSS) কখনও তার রজত জয়ন্তী অথবা স্বর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেনি। আরএসএস সর্বদাই মননিবেশ করেছে তার কাজের প্রতি। কিন্তু চলতি বছরের সংঘ ১০০ বছরে পা দিচ্ছে। এই উপলক্ষে আমাদের কাছে একটা সুযোগ রয়েছে যে আমরা মন্থন করব দেশের জন্য আমরা কী কী করতে পারলাম।’’

    বিশ্ব কল্যাণের কাজে লেগে রয়েছে আরএসএস

    তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রাচীন সময় ধরেই হিন্দু সমাজ সামাজিক ঐক্য মানুষে-মানুষে বন্ধন এবং বিশ্ব কল্যাণের কাজে লেগে রয়েছে। সাধু মহাত্মাদের আশীর্বাদেই হিন্দু সমাজ এগিয়ে চলেছে। দেশের সমৃদ্ধি হয়েছে। ১৯২৫ সালের ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে স্থাপন করেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। তিনি চেয়েছিলেন যে জাতির জীবন থেকে দুর্বলতা চিহ্নগুলি মুছে যাক। ভারত আবারও পরম বৈভাবশালী রাষ্ট্রে পরিণত হোক।’’

  • PM Modi: ১০ ভারতীয় ভাষায় অনুবাদ করা হল ফ্রিডমানের পডকাস্ট শো, সমাজমাধ্যমে পোস্ট মোদির

    PM Modi: ১০ ভারতীয় ভাষায় অনুবাদ করা হল ফ্রিডমানের পডকাস্ট শো, সমাজমাধ্যমে পোস্ট মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন মার্কিন পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যান (Lex Fridman)। মার্কিন পডকাস্টারের নেওয়া এই সাক্ষাৎকার বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। এবার এই পডকাস্টটি দশটি ভারতীয় ভাষাতে অনুবাদ করা হল। একথা সমাজমাধ্যমের পোস্টে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে আরও বেশি সংখ্যক মানুষজন এই পডকাস্টটি শুনতে উৎসাহিত হবেন।

    নিজের পোস্টে কী লিখলেন মোদি?

    এ নিয়ে নিজের এক্স মাধ্যমে পোস্ট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘সম্প্রতি লেক্স ফ্রিডম্যানের সঙ্গে এই পডকাস্ট শো অনেকগুলি ভাষাতে উপলব্ধ হয়েছে। ফ্রিডম্যানের সঙ্গে এই কথোপকথন আরও বিপুলসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছাবে।’’ নিজের এক্স মাধ্যমে ইউটিউবের একটি লিংকও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দেখা গিয়েছে, ভারতীয় দূরদর্শন বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাতে ওই পডকাস্টটিকে অনুবাদ করেছে। জানা যাচ্ছে, অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে গুজরাটি, তেলেগু, পাঞ্জাবি, বাংলা, কন্নড়, মারাঠি, অসমীয়া, ওড়িয়া, তামিল এবং মালায়ালাম ভাষাতেও।

    পডকাস্ট ইউটিউবে আপলোড করা হয় ১৬ মার্চ

    প্রসঙ্গত, ওই পডকাস্টটি ইউটিউবে আপলোড করা হয় গত ১৬ মার্চ। এই পডকাস্ট শো-এ ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) বিভিন্ন ইস্যুতে বলতে শোনা যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে ক্রিকেট, ফুটবল থেকে আন্তর্জাতিক ইস্যু, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে পাকিস্তান, নিজের ব্যক্তি জীবন থেকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ- সমস্ত কিছু নিয়েই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।পডকাস্ট শো-এর শেষে ফ্রিডম্যান সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। নিজের পোস্টে ফ্রিডম্যান লেখেন, ‘‘আমার জীবনের অন্যত্র শক্তিশালী কথোপকথন হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে।’’  এরপরেই ফ্রিডম্যানের পোস্টের প্রত্যুত্তর দেন মোদি। নিজের পোস্টে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘‘ফ্রিডম্যানের সঙ্গে আমার কথোপকথন দুর্দান্ত ছিল। আমি আমর ছোটবেলার স্মৃতিচারণা থেকে হিমালয়ে আমার কাটানো দিনের কথা বলি সেখানে। এরপর জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার দিনগুলি নিয়েও কথা হয়।’’

  • Amit Shah: “সন্ত্রাসবাদ শেকড় গাড়ার আগেই নির্মূল করা হবে,” বললেন শাহ

    Amit Shah: “সন্ত্রাসবাদ শেকড় গাড়ার আগেই নির্মূল করা হবে,” বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসবাদ (Terrorism) শেকড় গাড়ার আগেই নির্মূল করা হবে।” শুক্রবার রাজ্যসভায় এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন তিনি পাঞ্জাবে উগ্রপন্থী অমৃতপাল সিংয়ের বিরুদ্ধে তাঁর মন্ত্রক কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। সাফ জানিয়ে দেন, তাঁরা দেশে সন্ত্রাসবাদকে বিকশিত হতে দেবেন না।

    শাহ উবাচ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা কোনও রাজনৈতিক আদর্শ দ্বারা চালিত সন্ত্রাসবাদকে দেশে বিকশিত হতে দেব না। এটি শেকড় গাড়ার আগেই নির্মূল করা হবে।” তিনি বলেন, “পাঞ্জাবের বিচ্ছিন্নতাবাদী জার্নাল সিং ভিন্দ্রাওয়ালের পথ অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন যাঁরা, তাঁরা এখন অসমের জেলে রয়েছেন।” প্রসঙ্গত, অমৃতপাল সিং ও তাঁর সহযোগীরা গত দু’বছর ধরে এনএসএ-র অধীনে অসমের ডিব্রুগড় জেলে বন্দি রয়েছেন। তিনি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছিলেন। খাদুর সাহিব আসন থেকে জয়লাভও করেছিলেন।

    পূর্বতন বিভিন্ন সরকারের সমালোচনা

    এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত চালানোর পর ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল মোগার রোডে গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় অমৃতপালকে। তার পর থেকে তিনি রয়েছেন গারদে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে নিরাপদ।” সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথাও এদিন তুলে ধরেন শাহ। তিনি বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ, বামপন্থী চরমপন্থা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ ভারতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে একটি। এগুলি চার দশকে ৯২ হাজার নাগরিকের জীবন কেড়ে নিয়েছে।” শাহ (Amit Shah) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করতে এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সরকারের প্রয়োজন সাহস ও দৃঢ় রাজনৈতিক ইচ্ছা থাকা।” জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি পূর্বতন বিভিন্ন সরকারের কঠোর সমালোচনাও করেন।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এক সময় ছিল যখন বোমা বিস্ফোরণ নিয়মিত ঘটনা ছিল। আমি দেশের মানুষকে বলতে চাই, গত ১০ বছরে, এমন বোমা বিস্ফোরণ বন্ধ হয়েছে। এখন কেউ আর বিস্ফোরণ ঘটানোর সাহস পায় না। নরেন্দ্র মোদীর অধীনে দেশ নিরাপদ। আমরা সন্ত্রাসবাদকে উৎখাত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”  তিনি (Amit Shah) বলেন, “মোদিজির দৃঢ় রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি এবং শক্তিশালী ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশ এখন নিরাপদ। দেশের নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধী দলগুলির চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই। আমরা আপনাদের (বিরোধী দল) এবং দেশকে নিরাপদ রাখব (Terrorism)।”

  • VHP: রানা সঙ্গ বিশ্বাসঘাতক! বিতর্কিত মন্তব্য সমাজবাদী পার্টির নেতার, ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি ভিএইচপি-র

    VHP: রানা সঙ্গ বিশ্বাসঘাতক! বিতর্কিত মন্তব্য সমাজবাদী পার্টির নেতার, ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি ভিএইচপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেবারের রাজা রানা সঙ্গকে (Rana Sanga Remark) বিশ্বাসঘাতক বলে নজিরবিহীন আক্রমণ করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রামজি লাল সুমন। এই মন্তব্যে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই আবহে তীব্র প্রতিক্রিয়া সামনে এল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP)। সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন মন্তব্যের কারণে কড়া নিন্দাও জানাল এই হিন্দু সংগঠন। রাজপুত যোদ্ধাকে এ ধরনের অপমানের ঘটনাকে অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এর পাশাপাশি এমন মন্তব্য করার কারণে সমাজবাদী পার্টির নেতাকে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চাইতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে তারা।

    সম্প্রতি সমাজবাদী পার্টির সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে সমাজবাদী পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ রামজি লাল সুমনকে মন্তব্য করতে শোনা যায় যে রানা সঙ্গ অথবা সংগ্রাম সিং ছিলেন একজন বিশ্বাসঘাতক। যিনি ইব্রাহিম লোদিকে পরাস্ত করতে বাবরকে ভারতে ডেকে এনেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন, রানা সঙ্গ (Rana Sanga Remark) অথবা সংগ্রাম সিংহ ছিলেন মেবারের রাজা। ১৫০৮ থেকে ১৫২৮ সাল পর্যন্ত তিনি মেবার শাসন করেছিলেন বলে জানা যায়। সমাজবাদী পার্টির সাংসদের এমন মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) জাতীয় মুখপাত্র অমিতোষ পারেক।

    কী বললেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) নেতা অমিতোষ

    নিজের বিবৃতিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) নেতা বলেন, ‘‘যে ধরনের মন্তব্য রামজি লাল সুমন করেছেন, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। মেবারের সংগ্রামী এবং বীরত্বের ইতিহাসের সঙ্গে এই মন্তব্য কখনও খাপ খায় না। রানা সঙ্গ অথবা সংগ্রাম সিংহ শুধুমাত্র মেবারের নয়, সমগ্র রাজস্থানের গর্ব। রানা সঙ্গ অথবা সংগ্রাম সিংহ ১০০টিরও বেশি যুদ্ধ জিতেছিলেন এবং তিনি ইব্রাহিম লোদীকে পরাস্ত করেছিলেন।’’ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতার কথায়, ‘‘এই ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি আসলে প্রমাণ করেছেন, তাঁর মানসিকতা ঠিক কী?’’ এর পাশাপাশি এই মন্তব্যের জন্য সমাজবাদী পার্টির ওই সাংসদের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

  • RSS: স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লালের মহারানি আব্বাক্কাকে শ্রদ্ধা আরএসএসের সরকার্যবাহকের

    RSS: স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লালের মহারানি আব্বাক্কাকে শ্রদ্ধা আরএসএসের সরকার্যবাহকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহীয়সী নারী স্বাধীনতা সংগ্রামী উল্লালের মহারানি আব্বাক্কা ছিলেন একজন দক্ষ প্রশাসক, অপরাজেয় কৌশলবিদ এবং অত্যন্ত বীরত্বপূর্ণ শাসক। তিনি দক্ষিণ কন্নড় জেলার (বর্তমানে উপকূলীয় কর্ণাটক) উল্লাল সামস্থান সফলভাবে শাসন করেছিলেন। বীর রানি আব্বাক্কার ৫০০তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) (RSS)।

    পর্তুগিজ হানাদারদের পরাজিত করেছিলেন রানি (RSS)

    শাসনকালে আব্বাক্কা পর্তুগিজ হানাদারদের একাধিকবার পরাজিত করেছিলেন। এই পর্তুগিজরা তখন বিশ্বের সবচেয়ে অপরাজেয় সামরিক শক্তিগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচিত হত। কূটনৈতিক দক্ষতা ও কৌশলগত মিত্রতার (উত্তর কেরলের সামুথিরি রাজার সঙ্গে) সাহায্যে তিনি রক্ষা করেছিলেন তাঁর রাজ্যের স্বাধীনতা।  , তাঁর কৌশল, বীরত্ব এবং নির্ভীক নেতৃত্ব তাঁকে ইতিহাসের পাতায় “অভয়রানি” বা নির্ভীক রানির সম্মান এনে দিয়েছিল।

    মহারানি আব্বাক্কা

    মহারানি আব্বাক্কা ছিলেন ধার্মিক। তিনি বহু শিব মন্দির এবং তীর্থস্থান প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করে ভারতের সমন্বয়মূলক ঐতিহ্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। শাসন কালে রানি নিশ্চিত করেছিলেন যাতে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়কে সমান সম্মান দেওয়া হয় এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে সামগ্রিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা হয়। এই সম্মান এবং ঐক্যের উত্তরাধিকার কর্নাটকে আজও প্রতিধ্বনিত হয়। রানির অমর কীর্তিগুলি যক্ষগান, লোকগীতি এবং ঐতিহ্যবাহী নৃত্যের মাধ্যমে আজও বেঁচে রয়েছে।

    তাঁর অদম্য সাহস, জাতি ও ধর্মের প্রতি নিষ্ঠা এবং কার্যকর শাসনের স্বীকৃতি স্বরূপ, ভারত সরকার ২০০৩ সালে তাঁর স্মরণে তাঁর নামে একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। এভাবে তাঁর বীরত্বের গল্প জাতির মনে গেঁথে রয়েছে যুগ যুগ ধরে। ২০০৯ সালে রানি আব্বাক্কার নামে একটি পেট্রোল ভেসেলের নামকরণ করা হয়। এটি তাঁর নৌ কমান্ডের উত্তরাধিকারের একটি অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে কাজ করে (RSS)।

    আরএসএসের (RSS) তরফে জারি করা বিবৃতিতে সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসেবল বলেন, “মহারানি আব্বাক্কার জীবন সমগ্র জাতির জন্য একটি গভীর অনুপ্রেরণা স্বরূপ। তাঁর ৫০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আরএসএস এই অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধা জানায়। তাঁর গৌরবময় জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে চলমান জাতি-গঠনের মিশনে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখার জন্য সমগ্র সমাজের প্রতি আহ্বান জানায়।”

  • Kannada Devotees Stilt Walk: উগাদি উৎসব উপলক্ষে কৃচ্ছ সাধন ভক্তদের, রণ পায়ে চলেছেন দেব দর্শনে

    Kannada Devotees Stilt Walk: উগাদি উৎসব উপলক্ষে কৃচ্ছ সাধন ভক্তদের, রণ পায়ে চলেছেন দেব দর্শনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগিয়ে আসছে উগাদি উৎসব। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীশৈলম মন্দিরে দেবদর্শন করতে এবং দেবতা মল্লান্নার কাছে প্রার্থনা করতে রণ পায়ে (Kannada Devotees Stilt Walk) হাঁটছেন কন্নড় ভক্তদের একাংশ। কর্নাটকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা শ্রী ভ্রমরাম্বা মল্লিকার্জুন স্বামী মন্দিরে পৌঁছানোর জন্য শত শত কিলোমিটার হেঁটে যান।

    দেবদর্শনে ভক্তের সারি (Kannada Devotees Stilt Walk)

    মল্লান্না দেবতার মন্দিরের দিকে চলে যাওয়া রাস্তাগুলির বিভিন্ন জায়গায় শ্রীশৈলম মন্দিরের দিকে যাওয়া এমন ভক্তদের সারি দেখা যাচ্ছে। এই ভক্তদের মধ্যে কয়েকজনকে কুর্নুল শহর এবং এর আশপাশে এলাকায় স্টিল্টে হেঁটে যেতে দেখা গিয়েছে। তাঁরা প্রতিটি পদক্ষেপে ভগবান শিবের নাম জপ করছেন। ভক্তদের একাংশকে শ্রীলিঙ্গম পাহাড়ের দেবতাকে শ্রদ্ধা জানাতে পালকিতে করে শিবলিঙ্গ বহন করতেও দেখা গিয়েছে।

    উগাদি উৎসব

    উগাদি উৎসব (Kannada Devotees Stilt Walk) ইউগাদি নামেও পরিচিত। এটি একটি প্রাণবন্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব যা প্রধানত অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গনা এবং কর্ণাটকে উদযাপিত হয়। চান্দ্র-সৌর ক্যালেন্ডার অনুসারে নতুন বছরের সূচনা হিসাবে চৈত্র মাসের প্রথম দিনে এই উৎসবটি পালিত হয়, যা বসন্তের আগমন এবং নতুন বছরের শুরুকে নির্দেশ করে। চলতি বছর এই উৎসব হবে ৩০ মার্চ। এই দিনে এই অঞ্চলগুলির লোকজন ঐতিহ্যপূর্ণ, সুস্বাদু খাবার রান্নাবান্না করেন। মন্দির দর্শন এবং পঞ্চাঙ্গ শ্রবণ এই দিনের মূল অনুষ্ঠান। উগাদি পাচাদি হল রান্নার হাইলাইট। এটি একটি অনন্য খাবার যা জীবনের ছটি স্বাদ—মিষ্টি, টক, নোনতা, তিক্ত, মশলাদার এবং কষা—জীবনের সমস্ত অভিজ্ঞতা গ্রহণের প্রতীক। এর পাশাপাশি, পুলিহোরা, বোব্বাটলু, পায়সম এবং বড়ার মতো অন্যান্য উৎসবের খাবারও প্রস্তুত করা হয়। উৎসব উপলক্ষে হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।

    উগাদি উৎসব পালন করার (Kannada Devotees Stilt Walk) আগে পুণ্যার্থীরা কৃচ্ছসাধন করেন। এঁদের অনেকেই মাইলের পর মাইল হেঁটে গিয়ে দর্শন করেন শ্রীশৈলম মন্দির। এই মন্দিরে রয়েছেন ভগবান শিব। আরও কিছু দেবদেবীও রয়েছেন। মূলত ভগবান শিবকে দর্শন করতেই নানা কসরত করেন ভক্তরা। দেবদর্শন শেষে বাড়ি ফিরে পালন করেন উগাদি পাচাডি (Kannada Devotees Stilt Walk)।

LinkedIn
Share