Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Writers’ Building: চলছে প্রস্তুতি! নবান্নে নয়, নতুন সরকারের কাজ চলবে ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই

    Writers’ Building: চলছে প্রস্তুতি! নবান্নে নয়, নতুন সরকারের কাজ চলবে ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার বদল হতেই, বদলে যাচ্ছে প্রশাসনিক ভবন। নবান্ন নয়, বরং ঐতিহ্যের রাইটার্স বিল্ডিং (Writers’ Building) ওরফে মহাকরণ থেকে ফের পরিচালিত হবে বাংলা। ২০০-র বেশি আসন পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন শপথ গ্রহণ করতে পারেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই রাইটার্স বিল্ডিং পরিদর্শনে গেল পূর্ত দফতরের একটি টিম। মহাকরণের পরিস্থিতি, সুরক্ষা খতিয়ে দেখতেই এই পরিদর্শন বলে জানা যাচ্ছে। সব ঠিক থাকলে নবান্ন থেকে দফতর সরানো হতে পারে রাইটার্সে। মুখ্যমন্ত্রী ও কয়েকজন মন্ত্রীর দফতর হতে পারে রাইটার্সে।

    রাইটার্স-এর ঐতিহ্য

    ১৭৭৬ সালে টমাস লিয়নের পরিকল্পনায় গড়ে উঠেছিল লালবাড়ি রাইটার্স, ওই বাড়িই প্রশাসনিক ভবন হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে লাল দিঘির পাড়ে গড়ে ওঠে লাল ইটের বাড়িটি। সেখানে আগে ছিল কলকাতায় ব্রিটিশদের তৈরি প্রথম উপাসনাস্থল। সেই পরিত্যক্ত গির্জার জমিতে গড়ে ওঠে করণিকদের কর্মস্থলটি। কেরানিরা এখানে বসে কাজ করতেন, তাই নাম হল ‘মহাকরণ’। কেরানিদের বলা হত ‘রাইটার’, তাই ব্রিটিশদের তৈরি সেই ভবনের নাম হয়ে যায় রাইটার্স বিল্ডিং। তারপর থেকেই এই লাল বাড়িটিতে স্বাধীনতার পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যে গঙ্গা দিয়ে জল বয়ে গিয়েছে অনেক। ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর দখল নেয় মহাকরণ (রাইটার্স বিল্ডিং) মহাকরণের আমূল সংস্কারের জন্য সচিবালয় সরিয়ে নিয়ে যায় গঙ্গার ওপারে। নাম দেওয়া হয় নবান্ন। সেখান থেকেই ১৫ বছর শাসন চালিয়েছে মমতা সরকার। রাজ্যে পালাবদলের পর এবার কি ফের আলো জ্বলে উঠবে ঐতিহ্যবাহী সেই রাইটার্সে?

    এখনই কাজ শুরু করা সম্ভব নয়!

    তবে মহাকরণের যা অবস্থা, তাতে এখনই কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। ভবনের মেরামতির কাজ সেরে তবেই সরকারি কাজ শুরু করা সম্ভব। আর সেটা করতে বছর ঘুরে যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে আপাতত কোথাও কাজ শুরু করতে হবে। জানা যাচ্ছে, লালদিঘির কাছে অর্থাৎ যেখানে রাইটার্স ভবন অবস্থিত, সেখানেই একটি ভবন নেওয়া হচ্ছে সচিবালয় তৈরি করার জন্য। সেখানেই আপাতত কাজ শুরু করতে পারে নতুন সরকার। নবান্নে না বসার সম্ভাবনা বেশি। ২৫ বৈশাখ বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন। বিজেপি (BJP in Bengal) সরকার গঠন করবে রাজ্যে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। সেই কথাই জানা গিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের সরকার নবান্ন থেকে নয়, রাইটার্স থেকে পরিচালনা হবে। এটা আমরা আগেই বলেছিলাম।”

  • Mamata Banerjee: গোহারা হেরেও সম্বিত ফেরেনি! “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”, বলছেন মমতা

    Mamata Banerjee: গোহারা হেরেও সম্বিত ফেরেনি! “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”, বলছেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একই বন্ধনীতে চলে এলেন বঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! কীভাবে? গেল বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে গিয়েও পদত্যাগ করতে চাইছিলেন না ট্রাম্প। অথচ, সেবার তাঁকে হারিয়েছিলেন জো বাইডেন (Constitutional Crisis)। বেনজিরভাবে হোয়াইট হাউস লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছিল ট্রাম্পের অনুগামীদের একাংশ। অনেক ‘নাটকে’র পর অবশ্য বাইডেনকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন পরাজিত ট্রাম্প।

    ট্রাম্পের পদাঙ্ক অনুসরণ মমতার! (Mamata Banerjee)

    এদিক থেকেই ট্রাম্পের সঙ্গে একই বন্ধনীতে চলে এলেন মমতা। সোমবার দুপুরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভাগ্য। জনাদেশে গোহারা হারে তৃণমূল এবং তার প্রধান কান্ডারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতি অনুযায়ী, হেরে গেলে লোকভবনে (রাজ্যপাল ভবনের বর্তমান নাম) গিয়ে ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে দেন শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রী। নয়া সরকার গড়ার দাবিতে সেই লোকভবনেই যান বিজয়ী দলের নেতা-নেত্রীরা। এবার এই নিয়মেই সমস্যার সৃষ্টি করতে চাইছেন তৃণমূলেশ্বরী। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, তিনি ইস্তফা দেবেন না।

    “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি!”

    তিনি বলেন, “কেন পদত্যাগ করব? আমরা তো হারিনি! জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে। ইস্তফার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?” তৃণমূল নেত্রীর এহেন পদক্ষেপে সাংবিধানিক সঙ্কট সৃষ্টি হতে পারে বলে কারও কারও অভিমত। যদিও এমন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সংবিধানে কিছু বলা নেই। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বেশ কিছু ধারণার কথা বলছেন। যদিও ভোটে হেরে গিয়েও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা না-দেওয়ার নজির ভারতে নেই। তাই মমতা শেষ পর্যন্ত ইস্তফা না দিলে নয়া নজির সৃষ্টি হবে ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে।

    সাংবিধানিক সঙ্কট!

    কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক প্রধান বিচারপতি জানান, মধ্যবর্তী সময়ে অনেক ক্ষেত্রে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে ‘কেয়ারটেকার’ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালানোর অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। তিনি নিজেও এক-দু’দিন তদারকি করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার সংস্থানও রয়েছে। যদিও সাধারণত এত কম সময়ের জন্য ‘সঙ্কট’ না-হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা না-ও হতে পারে।। অবশ্য এ সবই নির্ভর করছে বিজেপি পরিষদীয় দল শপথের দিনক্ষণ কবে চূড়ান্ত করে, তার ওপরে (Constitutional Crisis)। তবে মমতা ইস্তফা না দিলে কোনও সঙ্কট সৃষ্টি হবে না। কারণ, বিধানসভার মেয়াদ শেষের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদও (Mamata Banerjee)।

    অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন শপথ নিতে পারেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। তবে পদ্মশিবিরের মুখ্যমন্ত্রী যদি ৮ মে শপথ নেন, তাহলে তেমন কোনও সমস্যা হবে না। কারণ মমতা সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ৭ এপ্রিল। তাই ৯ তারিখ বা তার পরের কোনও দিন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে মধ্যবর্তী স্বল্পসময়ের জন্য পুরো বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন রাজ্যপাল। অবশ্য তা হবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষেই। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, “সংবিধানের ১৬৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপাল যতদিন চাইবেন, মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা ততদিনই স্বপদে বহাল থাকেন৷ মন্ত্রিসভার মেয়াদ ৫ বছর৷ কমিশন এই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন-পর্ব শেষ করে৷ ভোটের ফল বেরনো মাত্রই নতুন সদস্যরা জয়ী হন (Constitutional Crisis)৷ সেই তালিকা রাজ্যপালকে দেয় নির্বাচন কমিশন৷ এর পরেই সরকার গঠনের দাবি জানায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল৷ তাই আগের সরকারের মেয়াদ এমনিতেই শেষ হয়ে যায় (Mamata Banerjee)৷”

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবি হওয়া এবং দলের সুপ্রিম কমান্ডারের মহাপতনের পর ইস্তফা দিতে পারতেন মমতা। কারণ সোমবার রাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে জনাদেশ। জনতার রায় মাথা পেতে নিয়ে পদত্যাগ করতে পারতেন তিনি। কিন্তু মমতা তা করেননি। উল্টে সাংবাদিক বৈঠকে ঘনিষ্ট বৃত্তের লোকজনকে নিয়ে হাত ধরাধরি করে তৃণমূলের ঐক্যের ছবিটাই আরও একবার তুলে ধরলেন হেরো মমতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যেহেতু মমতা নিজেও হেরেছেন তাই বিধানসভার বিরোধী দলনেত্রীর পদের শিকেটাও ছিঁড়ছে না তাঁর ভাগ্যে। (অবশ্য তৃণমূলের জয় নিশ্চিত জেনে কোনও আসনে উপনির্বাচন করিয়ে বিধানসভায় যেতে পারেন মমতা। এমনিও যেতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে ছ’মাসের মধ্যে নির্বাচন করিয়ে জিতে আসতে হবে তাঁকে।) যেহেতু এসবের কোনওটাই হচ্ছে না, তাই রীতিমতো চিত্রনাট্য তৈরি করে মঙ্গল-বিকেলে একপ্রস্ত নাটক করলেন তৃণমূলেশ্বরী। কারণ তিনি পিকচারে না থাকলে আর খবর হবেন না। অগত্যা মঞ্চস্থ করতেই হল নয়া নাটক (Constitutional Crisis)।

    বিরোধীদের মতে, সব খুইয়ে কেলেঙ্কারির বোঝা মাথায় নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো পদত্যাগ করলেই বোধহয় ভালো করতেন (Mamata Banerjee)!

     

  • Amit Shah: শাহের ঘাড়ে ‘অমিত’ দায়িত্ব, বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তিনিই

    Amit Shah: শাহের ঘাড়ে ‘অমিত’ দায়িত্ব, বঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তিনিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর কূট চালেই বাংলায় বধ হয়েছে তৃণমূল। পদ্ম-ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে ঘাসফুল (Amit Shah)। পরাজিত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। অতএব, বাংলায় সরকার গড়ছে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সলতে পাকানোর কাজও। এহেন আবহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (পড়ুন, বিজেপির চাণক্য) অমিত শাহের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হল ‘অমিত’ দায়িত্ব। বিজেপির কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছেন তাঁকে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, এই দুই নেতাই মূলত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া তদারকি করবেন। রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনার মাঝেই পদ্মশিবিরের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। অসমেও ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে জেপি নাড্ডাকে। সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনিকে। বিজেপির তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই খবর (Amit Shah)।

    দিল্লি গেলেন সুনীল বনসল (Amit Shah)

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়ার আগে মঙ্গলবার সকালেই দিল্লি চলে যান এ রাজ্যে বিজেপির পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। পরিষদীয় দলের বৈঠক, শপথগ্রহণ এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করতে দিল্লিতে গিয়ে বৈঠক করেন তিনি। কথা বলেন অমিত শাহের সঙ্গেও। রাজ্যের পর্যবেক্ষকের সঙ্গে কথা হবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনেরও। দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমে সুনীল বলেন, “সকলকে ধন্যবাদ।” তবে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, শুভেন্দু অধিকারীও দিল্লি যাবেন কি না, এসব প্রশ্নের কোনও জবাবই দেননি সুনীল। বরং সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে, হাসিমুখে রওনা দেন সুনীল।

    জোড়া বৈঠকে হয়েছে আলোচনা

    কাঙ্খিত বঙ্গ জয়ের পর বিজেপি শিবিরে শুরু হয়েছে সরকার গড়ার তৎপরতা। সরকার গঠন নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে হয়ে গিয়েছে দুটি বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বৈঠক বসে সংসদীয় কমিটির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও যোগ দেন তিনি। দুটি বৈঠকেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রের খবর। দিল্লিতে বৈঠক সেরেই আজ, মঙ্গলবার কিংবা আগামিকাল বুধবার কলকাতায় ফিরবেন বনসল-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন রাজনাথ সিং। বিজয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় সরকার গঠন নিয়েও আলোচনা হতে পারে (BJP)।

    শপথ গ্রহণ হবে ব্রিগেডে!

    বিজেপি সূত্রে খবর, শপথগ্রহণের দিনও ঠিক হয়ে যাবে এদিনই। বিজয়ী বিধায়কদের নিয়ে পরিষদীয় বৈঠক হবে। সেখানে পরিষদীয় দলের নেতার নাম প্রস্তাব করা হবে, সমর্থন করবেন বাকিরা। এর পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষ,  শুভেন্দু অধিকারীরা যাবেন রাজভবনে, দাবি জানাবেন সরকার গঠনের। কবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে, হবেই বা কোথায়, তাও ওইদিনই ঘোষণা করা হবে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। অসমর্থিত সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে ব্রিগেড ময়দানে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীও (BJP) শপথ নেবেন ব্রিগেডেই। বাকি মন্ত্রীরা শপথ নেবেন পরে (Amit Shah)।

     

  • Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এবং কলকাতা পুলিশ। রাজ্যে এককভাবে ক্ষমতায় আসার পরই দলগতভাবে লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিরোধী দলের বুথ, পার্টি অফিস বা সাইনবোর্ড দখল করা যাবে না। একই সঙ্গে অটো ও টোটো স্ট্যান্ড কিংবা বাজার দখলের মতো ঘটনাও বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার জায়গা নেই

    বাংলায় পালা বদলের পর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও কোথাও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বা দখলের অভিযোগ উঠেছে, আবার কলকাতার রাস্তাতেও ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শিমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharjee) এই বিষয়ে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন,“আমি একটা কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিচ্ছি, বিজেপির পতাকা নিয়ে কোথাও যদি কোনও রাজনৈতিক হিংসা চলে, কোনও তৃণমূল অফিসের উপর আক্রমণ হয়, মুখ্যমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যদি কদর্য ভাষা ব্যবহার করা হয়, তাকে দল থেকে বার করে দেব। সেই অধিকার আমার পার্টির সংবিধান আমাকে দিয়েছে। প্রশাসনকে দেখতে হবে যে বিজেপির পতাকা নিয়ে যদি টোটো স্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড থেকে যদি টাকা চায়, কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন। তাকে গ্রেফতার করবেন। কোনও রঙ দেখে কাজ করবেন না। কোনও রাজনৈতিক হিংসার জায়গা পশ্চিমবঙ্গে নেই। এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে বলেই মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।”

    কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

    ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই শহরের পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবে উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে কলকাতা পুলিশ। সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়ানো ভুয়ো খবরের বিষয়েও এদিন সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলায় কলকাতা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, ভোটের ফল প্রকাশের পর অনেক বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে। অন্য জায়গার ছবি ও ভিডিও কলকাতার বলে চালানো হচ্ছে। শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে যাঁরা ভুল খবর ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে। কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নাগরিকদের কাছে পুলিশের আবেদন, কোনও খবর যাচাই না করে সমাজমাধ্যমে ছড়াবেন না, ভয় পাবেন না।

  • Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিস (Look Out Notice on Shantanu) জারি করল ইডি। জাল নথির মাধ্যমে জমি দখল এবং ওই জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় তাঁকে একাধিক বার তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি। গড়িয়াহাটে তাঁর দু’টি বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। শুধু এই মামলা নয়। ২০২০ সালের কয়লা পাচারের মামলা এবং অনাবাসী ভারতীয় কোটায় বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দুর্নীতির মামলাতেও শান্তনুকে দফায় দফায় নোটিস (ED against Shantanu Singh Biswas) পাঠিয়ে তলব করা হয়েছিল।

    বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন আশঙ্কা

    ইডি সূত্রে খবর, একাধিকবার তলব করা হলেও তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি শান্তনু। রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখাশোনার জন্য তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না বলে চিঠি দিয়ে সময় প্রার্থনা করেছিলেন। ইডির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে ওই বিষয়টি জানানো হয়। শান্তনুর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভিবাসন দফতরের তরফে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। তবে শান্তনুর খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দর, বন্দর, রাজ্যের সর্বত্র রেল স্টেশন এবং বাসস্ট্যান্ডে শান্তনুর ছবি-সহ লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

     সোনা পাপ্পু মামলার সূত্রেই তলব

    রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন, গত ২৮ এপ্রিল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত মামলার সূত্রেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল ওই দিন। বালিগঞ্জের সমাজবিরোধী সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করছে ইডি। ওই মামলাতে জয় কামদার নামে বেহালার এক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু হাজিরা দেননি। তাঁর কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। তারপরই এদিন লুক আউট নোটিস জারি করল ইডি।

  • Scissors Barricade: সরে গেল ‘সিজার্স ব্যারিকেড’, রাতারাতি উধাও মমতার বাড়ির সামনের নিরাপত্তার গেরো

    Scissors Barricade: সরে গেল ‘সিজার্স ব্যারিকেড’, রাতারাতি উধাও মমতার বাড়ির সামনের নিরাপত্তার গেরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেরে গিয়েও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার রাতেও সিজার্স ব্যারিকেডের (Scissors Barricade) বলয়ে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সাতসকালে গিয়ে দেখা গেল ব্যারিকেড উধাও, অবাধ হয়ে গেল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে সাধারণ মানুষের যাতায়াত। এতদিন ওই রাস্তায় যেতে হলে দিতে হত হাজার একটা প্রশ্নের জবাব। সর্বক্ষণ নজরদারি চালাত নিরাপত্তা রক্ষীদের শ্যেন দৃষ্টি।

    নিরাপত্তার বেড়াজাল উধাও (Scissors Barricade)

    এতদিন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীর বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে ছিল কড়া নিরাপত্তা বলয়। পরিচয় যাচাই থেকে শুরু করে কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন—এমন একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হত পথচারীদের। মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার নিরাপত্তায় মোতায়েন পুলিশকর্মীরা ছিলেন অত্যন্ত সতর্ক। এমনকি, ওই এলাকার বাসিন্দাদেরও বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সঙ্গে রাখতে হত আধার কার্ড বা অন্য পরিচয়পত্র। তবে এক রাতের ব্যবধানে বদলে গিয়েছে সেই চিত্র।  সোমবারই বের হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল। সেখানে জনতার রায় গিয়েছে মমতার দলের বিপক্ষে। তার পরে ঘরবন্দি হয়ে গিয়েছেন তৃণমূল অ্যান্ড কোং-এর মালকিন। প্রত্যাশিতভাবেই উঠে গিয়েছে নিরাপত্তার কড়া বলয়ও। মঙ্গলবার সকালে দেখা গেল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন। তবে তাঁরা কাউকেই আটকাচ্ছেন না। ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ও খোলা। দক্ষিণ কলকাতার যে গলিতে এতদিন নিরাপত্তার ফোকর গলে মাছিও গলতে পারত না, এদিন সেখানেই মিলল আমজনতার যাতায়াতের অবাধ ছাড়পত্র।

    বিস্তর অভিযোগ ছিল স্থানীয়দের

    হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাড়ার দোকান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বেরোলেও সঙ্গে রাখতে হত আধার কার্ড। শুধু টাকা থাকলেই চলত না, পরিচয়পত্রও ছিল বাধ্যতামূলক। এমনকি নিজের বাড়িতে ফিরতেও অনেক সময় বলতে হত, “ওই যে, ওখানেই আমার বাড়ি।” নাম, বাবার নাম-সহ নানা তথ্য যাচাইয়ের পরেই মিলত প্রবেশের অনুমতি। তবে ফল প্রকাশের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেই কড়াকড়ির ছবিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। সোম-রাতে জনতার আদালতে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে রাতারাতি উধাও হয়ে গেল তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ির দিকে যাওয়ার রাস্তা।

    ‘সিজার্স ব্যারিকেড’

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল গোহারা হেরে যাওয়ায় এবং রাজ্যের সর্বত্র পদ্ম ফোটার জয়ের প্রেক্ষিতে সোমবার রাতে কালীঘাট জুড়ে হয়েছে বিজেপির মিছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অদূরের রাস্তায়ও বাইক নিয়ে হয়েছে মিছিল। তবে সোমবার রাতেও হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের গলির মুখে ঠায় দাঁড়িয়েছিল ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ (দুটো গার্ডরেলকে কাঁচির মতো করে রাস্তার মুখে দাঁড় করিয়ে রাখার নাম ‘সিজার্স ব্যারিকেড’, কাঁচির মতো দেখতে বলে এই নাম)। ওই গলি দিয়ে কেউ যেতে চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করে (Scissors Barricade) ছাড়পত্র দিতেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ফাঁক করা হত ব্যারিকেড। গলিতে ঢুকলেই আবার বন্ধ হত ‘সিজার্স ব্যারিকেড’। এলাকায় থাকতেন সাদা পোশাকের পুলিশও। গলিতে ঢোকা যে কোনও আগন্তুকের দিকে কড়া নজর থাকত তাঁদের। গাড়ি নিয়ে ঢুকলেও বিস্তর জিজ্ঞাসাবাদ, তথ্য যাচাই করে (Mamata Banerjee) তবেই গলি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি মিলত। এই চেনা ছবিটাই বদলে গিয়েছে রাতারাতি। এদিন সেখানেই দেখা গেল ব্যারিকেড একদিকে সরানো। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানালেন, এই রাস্তায় যাওয়া-আসায় কোনও বাধা নেই, দেখছি (Scissors Barricade)।

  • Ratna Debnath: “স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির শিকড় খুঁজব”, ভোটে জিতে মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারই প্রধান লক্ষ্য ‘ডক্টর দেবনাথের মা’র

    Ratna Debnath: “স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির শিকড় খুঁজব”, ভোটে জিতে মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারই প্রধান লক্ষ্য ‘ডক্টর দেবনাথের মা’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি দূর করার ডাক দিলেন আরজিকরের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। বাংলায় দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটেছে সোমবার। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। আর এই শিবিরের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী রত্না দেবনাথ। পানিহাটি (Panihati) কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। সদ্য নির্বাচিত এই বিধায়কের লক্ষ্যও স্থির। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার হুঙ্কার দিয়েছেন অভয়ার মা।

    মমতাকে চ্যালেঞ্জ অভয়ার মা-এর

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ প্রথমেই নিজের জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় অনেক অভিযোগ, চাকরি নেই, স্কুলগুলিতে তালা পড়ে গেছে, বলেছিলাম তৃণমূলের মূল উপড়ে ফেলব, আমি হয়তো সেটা পেরেছি।” বিজেপির জয়ী প্রার্থী আরও বলেন, “পানিহাটি থেকে ঘোষ পরিবারের থ্রেট কালচার দূর করব, এই ভয়ের থেকে পানিহাটিকে মুক্ত করতে পারব।” বিধানসভায় গিয়ে প্রথম কোন কাজ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার মেয়ে যে দুর্নীতির জন্য খুন হয়েছে, সেই স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি কতটা গভীরে সেটা খুঁজে বের করব।” প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য দফতরের মন্ত্রী ছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, সেক্ষেত্রে রত্না দেবনাথ সোজাসুজি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন।

    চাই মমতার জেল-যাত্রা

    ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) গড় হিসেবে পরিচিত, সেখানেই ১৫ হাজারের বেশি ভোটে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন তিনি। এনিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রত্না দেবনাথ বলেন, “ওঁর জেলযাত্রা ও ফাঁসি চাই। মমতা মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী। আমার মনে হয়, আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রথম ধাপটি পার করেছি। আমাদের সমাজে নারীরা নিরাপদ নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে রাত ৮টার পর মহিলাদের বাইরে যাওয়া উচিত নয়। আমরা সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেয়েছি।” সবশেষে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে একটা পদ পেয়েছি। কিন্তু আমি অভয়া, তিলোত্তমার মা হয়ে থাকতে চাই না। মেয়ের নাম প্রকাশ্যে আনতে পারি না, তবে ডক্টর দেবনাথের মা হয়েই থাকতে চাই।”

  • Shuvendu Adhikari: “অভিষেক এত চুরি করেছে যে তাঁকে জেলে ঢোকাবে বিজেপি সরকার”, বলে দিলেন শুভেন্দু

    Shuvendu Adhikari: “অভিষেক এত চুরি করেছে যে তাঁকে জেলে ঢোকাবে বিজেপি সরকার”, বলে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির (Shuvendu Adhikari) আঁচে শুকিয়ে কাঠ ক্ষমতার দম্ভে মত্ত ঘাসফুল। বঙ্গে (Abhishek Banerjee) তুষ্টিকরণের যে রাজনীতির চল চালু হয়েছিল বাম জমানায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে যাতে ফলতে শুরু করেছিল বিষবৃক্ষের ফল, সেই তৃণমূলকে সমূলে উৎপাটিত করে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। যে ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ধরে রেখেছিলেন মমতা, সেই ভবানীপুরেও প্রাক্তন সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারির কাছে গোহারা হেরে কার্যত ঘরে ঢুকে গিয়েছেন তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শুভেন্দুর বাক্য-বাণ (Shuvendu Adhikari)

    এহেন আবহে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও জয় নিশ্চিত হওয়ার পর ঘাসফুল শিবিরকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, “যারা গুন্ডা, চোর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিজেপি সরকার। রাহুল গান্ধী শেষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শেষ। আগামী নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে শেষ হয়ে যাবে অখিলেশ যাদবও।” শুভেন্দু বলেন, “পুরো হিন্দু সমাজ মিলে এক সঙ্গে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খিদিরপুরে ২০ হাজার ভোটে লিড পেয়েছে, বাকি জায়গায় আমি লিড পেয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো জরুরি ছিল।”

    অভিষেককে জেলে ঢোকাবে বিজেপি

    তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই থাকুক, এত চুরি করেছে যে আগামিদিনে তাঁকে জেলে ঢোকানোর কাজ করবে বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “এই আসন না জিতলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নপূরণ হত না। বাংলায় এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে ৩০০ বিজেপি কর্মীর আত্মবলিদান। হিন্দু শহিদ হরগোবিন্দ দাস-সহ যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, এই জয় তাঁদের উৎসর্গ করছি।”

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ঢের আগেই শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন (Shuvendu Adhikari), দল যদি তাঁকে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও প্রার্থী করেন, তিনি তাঁকে প্রাক্তন করে ছাড়বেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কথা রেখেছেন শুভেন্দু। ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে মমতাকে হারিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর ফের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার অন্যতম ভরকেন্দ্র পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও তৃণমূলের পবিত্র করকে (Abhishek Banerjee) প্রায় ১০ হাজার ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। দেখিয়ে দিয়েছেন তাঁর কলজের জোর (Shuvendu Adhikari)!

     

  • BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়ল বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?

    BJP: বঙ্গে ইতিহাস গড়ল বিজেপি, কোন চালে বাজিমাত পদ্মশিবিরের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ইতিহাস গড়েছে বিজেপি (BJP)। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, রাজ্যের মুখ এবং পর্দার আড়ালে থাকা কলা-কুশলীদের যৌথ প্রচেষ্টায় পদ্ম শিবিরের প্রচার অভিযান শান দিয়েছে গ্রাউন্ড লেভেলেও। তার জেরেই বিজেপির জয়ের পথে এগিয়ে যাওয়াটা হয়েছে (Key Leaders) অনায়াস।

    কোন অঙ্কে বাজিমাত? (BJP)

    স্বাধীনতার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এসআইআরের (SIR) আওতায় রেকর্ড সংখ্যক ভোটার বাদ যাওয়ার পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ১৫ বছরের শাসনের পর পরাজয়ের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাইভোল্টেজ সভা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সূক্ষ্ম সংগঠনমূলক পরিকল্পনার পাশাপাশি বিজেপির প্রচারে জাতীয় বার্তা ও স্থানীয় সংগঠন একসঙ্গে কাজ করেছে। ঝালমুড়ির মতো বাংলার সাংস্কৃতিক প্রতীক ব্যবহার, চাকরির নিশ্চয়তার প্রতিশ্রুতি এবং মা কালীর মন্দিরে প্রার্থনা—এই সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন এক প্রচার গড়ে তুলেছিলেন যা স্থানীয় সংযোগ ও জাতীয় বার্তার মিশ্রণ। বড় বড় জনসভায় সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি আবেগের স্তরেও ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—কর্মসংস্থান, কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং “ডাবল ইঞ্জিন সরকার”-এর সুবিধার কথাও তুলে ধরেছিলেন। সাংস্কৃতিক প্রতীক, ধর্মীয় সংযোগ এবং অর্থনৈতিক আশ্বাস—সব মিলিয়ে তাঁর প্রচার বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।

    ‘মিশন বেঙ্গলে’র মূল লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির প্রচারের মুখ। এর সঙ্গে সমানতালে সঙ্গত করেছে অমিত শাহের ‘চাণক্যসুলভ’ কৌশল। যার জেরেই দুরমুশ হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের একের পর  শক্ত ঘাঁটিও। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সবচেয়ে সক্রিয় প্রচারক ছিলেন শাহ। তিনি এ রাজ্যে ৬৬টি সভা ও রোডশো করে ৬৩টি জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন (Key Leaders)। শাহের ‘মিশন বেঙ্গলে’র মূল লক্ষ্যই ছিল বুথ স্তরে সংগঠন শক্তিশালী করা। তিনি ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং অনুপ্রবেশের অভিযোগ তোলেন। “কাটমানি” সংস্কৃতি, দুর্নীতি, মহিলাদের নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরেন। পাশাপাশি মহিলাদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা সহায়তা, সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ, কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জমির অধিকার—এসব প্রতিশ্রুতিও দেন। সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতার মতো বিষয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

    নেপথ্যের কারিগরেরা

    এ রাজ্যে নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। প্রার্থী নির্বাচন, জোট ব্যবস্থা এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি (BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি প্রার্থী নির্বাচন, কর্মী সংগঠন এবং বুথ প্রস্তুতি তদারকি করেন এবং তৃণমূল স্তরের কর্মী ও শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেন। এই নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর অবদানও কম নয়। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হিসেবেই উঠে আসেন তিনি। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এই সহযোগীর রাজনীতির জ্ঞান প্রখর (Key Leaders)। পূর্ব মেদিনীপুরে তাঁর শক্তিশালী সংগঠনও রয়েছে। গ্রামীণ ও আধা-শহুরে এলাকায় বিজেপির প্রভাব বাড়াতে সাহায্য করেন তিনি। নিজেকে বিজেপির প্রধান বাঙালি মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে শুভেন্দু নির্বাচনে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পড়েন ভবানীপুর কেন্দ্রে। মমতার নির্বাচনী কেন্দ্র এই ভবানীপুরের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও বিজেপির বাজি ছিলেন শুভেন্দুই। তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হিংসার বিষয় তুলে ধরে তাঁর আক্রমণাত্মক প্রচার বিজেপির কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।

    বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচনের মাঝেও শুভেন্দু ছড়িয়ে দেন দলীয় বার্তা। চাঙা করে তোলেন হতাশ বিজেপি কর্মীদের। শুভেন্দুকে পেয়ে নিষ্ক্রিয় বিজেপি কর্মীরাও ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি শুধু প্রচারকই নন, বরং একজন কেন্দ্রীয় কৌশলবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন (BJP)। জাতীয় নেতৃত্ব ও বাংলার রাজনীতির মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজটিও করেছিলেন তিনিই (Key Leaders)।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘এই জয় হিন্দুত্বের’ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘এই জয় হিন্দুত্বের’ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই জয় হিন্দুত্বের। হিন্দুদের ভোটেই জয় পেয়েছেন ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। এদিন ভবানীপুরে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে জেতেন তিনি। তাঁর জয়ের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। আর কর্মীদের সেই উচ্ছ্বাসের মধ্যেই শুভেন্দু বলেন, “আমাকে ভবানীপুরের মুসলিমরা ভোট দেননি। আমাকে জিতিয়েছেন হিন্দু, জৈন, শিখ সমাজ। আমি তাঁদের প্রণাম করি। এই আসন জেতা দরকার ছিল। এই আসন না জিতলে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণ হত না। এ জয় হিন্দুত্বের জয়, বাংলার জয়।”

    সিপিএম সমর্থকরাও ভোট দিয়েছেন

    তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ঘরের মাঠে’ ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হারালেন শুভেন্দু। দ্বিতীয়বার মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু জানান, সিপিএম সমর্থকরাও তাঁকে ভোট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ধন্যবাদ জানাব বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদিজিকে। আর কৃতজ্ঞতা জানাব আমার নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজিকে। তিনি আমাকে এই কেন্দ্রে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। উৎসাহিত করেছিলেন।” এতদিন রাজনৈতিক হিংসায় যেসব বিজেপি কর্মীর প্রাণ গিয়েছে, এদিন জয়ের পর তাঁদেরও স্মরণ করলেন শুভেন্দু। বলেন, “আমার এই জয় ৩০০ বিজেপি কর্মীকে উৎসর্গ করছি, যাঁদের আত্মবলিদানে আজকে বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে।” এদিন জয়ের পর শুভেন্দুকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখের পড়ার মতো।

    ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ শাহের

    ভবানীপুরে তাঁর হয়ে কাজ করতে আসা রাজস্থানের বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। এদিন, শুভেন্দুর জয়ের পর এক্স হ্যান্ডলে অমিত শাহ লেখেন, “ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ। তাদের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।” বাংলায় বিজেপির জয়ের পর নরেন্দ্র মোদিও বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, নতুন সূর্যোদয় হয়েছে।”

    কত ভোট পেলেন শুভেন্দু

    কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩৯১৭টি ভোট। মমতা ৫৮১১২টি। ভবানীপুরের পাশাপাশি এ বারও পূর্ব মেদিনীপুরর তাঁর পুরনো আসন নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু। সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে জানিয়েছেন, সেখান থেকেই নন্দীগ্রামের গণনাকেন্দ্র হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন তিনি। ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও নিজের গড় নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এ বার জিতেছেন ১০ হাজারেরও কম ভোটে। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় সরাসরি শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের ভোট না পাওয়ার কারণেই নন্দীগ্রামে জয়ের মার্জিন কম হয়েছে তাঁর।

LinkedIn
Share