Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • TMC Internal Conflict: ‘‘দলে ‘ধৃতরাষ্ট্র’ ছিলেন মমতা’’, ‘‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’’, ‘‘তৃণমূলে আমরা চাকর ছিলাম’’! ভোটে ভরাডুবির পরেই ঘাসফুলে বিদ্রোহ!

    TMC Internal Conflict: ‘‘দলে ‘ধৃতরাষ্ট্র’ ছিলেন মমতা’’, ‘‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’’, ‘‘তৃণমূলে আমরা চাকর ছিলাম’’! ভোটে ভরাডুবির পরেই ঘাসফুলে বিদ্রোহ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ১৫ বছরের সাম্রাজ্যের অবসান ঘটিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ৪ মে রাজ্যে পালাবদল হতেই তৃণমূলের অন্দরে শুরু হয়ে গিয়েছে দোষারোপের পালা। দীর্ঘদিন ধরে মনের ভিতর জমে থাকা ক্ষোভ এবার আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে বেরোতে শুরু করেছে। এঁদের মধ্যে কেউ জেলাস্তরের দলের সাংগঠনিক নেতা, তো কেউ বঞ্চিত টিকিটপ্রার্থী। নির্বাচনে তৃণমূল পর্যুদস্ত হতেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে এক এক করে যাবতীয় রাগ উগরে দিচ্ছেন তৃণমূলের এই নেতানেত্রীরা। কারও মুখে দলের পরাজয়ের কারণ, তো কেউ ফাঁস করছেন টিকিট নিয়ে কালোবাজারির কথা। কেউ কেউ তো আবার সরাসরি হারের জন্য নাম করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের ভোট-কুশলী সংস্থা আই-প্যাককে দায়ীও করেছেন।

    ‘তৃণমূলে আমরা চাকর ছিলাম’

    এবারের নির্বাচনে গোটা উত্তরবঙ্গ পদ্মময়। কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে ঘাসফুল। এই প্রেক্ষিতে শিলিগুড়িতে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভানত্রী পাপিয়া ঘোষের সাফ কথা, “তৃণমূলে আমরা ছিলাম চাকর। তাই এমন হওয়ার ছিল। গত ৫ বছরে দল চলেছে শুধু-মালিক আর চাকর হিসাবে। আমাদের কাজ ছিল চাকর হয়ে নির্দেশ মানা।” তৃণমূলের এই দাপুটে নেত্রী বলেন, ‘‘২০২১ থেকে ২০২৬, এই পাঁচ বছর দল আর আগের মতো সিস্টেমে চলেনি। কোথাও যেন মনে হয়েছে গোটা দলটাই মালিক আর চাকরের হয়ে গিয়েছে। এই সময়কালে সিন্ডিকেট-রাজ মারাত্মকভাবে বেড়ে গিয়েছে। আমাদের তো কথা বলার জায়গাই ছিল না। যে এজেন্সি এসেছিল তাঁদের হয়তো যাঁরা মিষ্টির প্যাকেট দিতে পারতেন তাঁদের কথা উপরে যেত।’’ তাঁর মতে, বাংলার সাধারণ মানুষ তৃণমূলের মতো দলকে প্রত্যাখ্যান করেনি। প্রত্যাখ্যান করেছে দাম্ভিক, অহংকারী নেতাদের।

    ‘অপরাধীদের বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক’

    উত্তরবঙ্গের আরও এক তৃণমূল নেতা হারের জন্য সরাসরি অভিষেককে দায়ী করেছেন। শিলিগুড়ি জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অত্রিদেও শর্মার দাবি, শওকত, জাহাঙ্গিরের মতো অপরাধীদের বাঁচাতে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। মানুষ এসব ভালোভাবে নেয়নি। আইপ্যাকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “আইপ্যাকের হাতে অসীম ক্ষমতা ছিল। রাজ্যস্তরের নেতারা কিছুই করতে পারছিল না। সব এদের মাধ্যমে হচ্ছিল। ফলে কোনও কিছুই সংগঠিতভাবে ছিল না। সবার দম্ভ দেখে মনে হয়েছিল আমরা যেভাবে চাইব সেভাবেই নির্বাচন হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচেষ্টায়, নির্বাচন কমিশনের তীক্ষ্ণ নজরে আমরা আমাদের মতো ভোট করাতে পারিনি।”

    ‘দলের ভেতর ‘ধৃতরাষ্ট্র’ ছিলেন মমতা’

    ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীও সরাসরি তোপ দেগেছেন অভিষেকের বিরুদ্ধে। তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “একজন ব্যক্তি দলটাকে তিলে তিলে শেষ করে দিলেন, তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।” কৃষ্ণেন্দুবাবুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের ভেতর ‘ধৃতরাষ্ট্র’ করে রাখা হয়েছিল। টিভিতে নেত্রীর লাঞ্ছনার দৃশ্য দেখে ব্যথিত এই প্রবীণ নেতা বলেন, “মমতাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে, এমন দৃশ্য রাজনৈতিক জীবনে দেখিনি।” প্রার্থী বাছাই নিয়ে অভিষেককে একহাত নিয়ে তাঁর কটাক্ষ, হরিশ্চন্দ্রপুরে এমন একজনকে টিকিট দেওয়া হয়েছে যাঁর ভাষাজ্ঞান নেই, আবার রতুয়ায় দাঁড়িয়েছেন ৮৪ বছরের এক অশক্ত বৃদ্ধ। এই ভুল সিদ্ধান্তের মাসুলই দিচ্ছে দল।

    ‘ঔদ্ধত্ব ও অহংকার…পতনের মূল কারণ’

    চুঁচুড়া আসন নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। পোড়খাওয়া ও বর্ষীয়ান নেতা অসিত মজুমদারকে সাইডলাইন করে তৃণমূল টিকিট দিয়েছিল তরুণ তুর্কি দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার জানিয়েছেন, ‘‘আমরা অনেক দক্ষ লোক ছেড়ে, অদক্ষ লোক নিয়ে সংগঠন তৈরি করার চেষ্টা করেছিলাম। একবারে সমস্ত পুরনো নেতাদের বাদ দেওয়া দলের কর্মীরা ভালো চোখে নেয়নি। অনেকের ঔদ্ধত্ব ও অহংকার হয়ে গিয়েছিল যে, আমরাই হয়তো শেষ কথা বলার লোক। সেটাও মানুষ ভালো চোখে দেখেনি। আর এটাই পতনের মূল কারণ।’’ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোট কুশলী সংস্থা ‘আই-প্যাক’-এর ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর সাফ কথা, দলের পুরনো ও অভিজ্ঞ ঘোড়াদের বসিয়ে দিয়ে ‘ভাড়াটে’ দিয়ে দল চালাতে যাওয়ার মাসুল দিতে হয়েছে এই নির্বাচনে। অসিত বলেন, ‘‘যাঁদের বাদ দেওয়া হল, তাঁদের সঙ্গে অন্তত আলোচনার প্রয়োজন ছিল। আই-প্যাকের প্রয়োজন আমাদের কখনও হয়নি। সিপিএমের চরম অত্যাচারের সময় যখন আমরা দুটো নির্বাচন জিতেছি, তখন তো কোনও ভাড়ার লোক লাগেনি!’’

    ‘আগে ভদ্র লোকেরা তৃণমূল করত’

    বর্ধমানের তৃণমূল নেতা নুরুল হাসান তৃণমূলের এই পরাজয়ের পর ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তোলাবাজদের সংস্থার মাধ্যমে নেতৃত্ব গঠন করা, মাতাল গাঁজাখোরদের এলাকায় নেতৃত্ব দেওয়া হলে এটাই হবে। তাঁর দাবি, ‘‘আগে ভদ্র লোকেরা পার্টি করত, কিন্তু এখন যাদের হাতে পার্টিটা দিয়েছে, তারা কেউ কোনও দিন তৃণমূল করেনি। কেউ ১০১২, কেউ ২০১৬-এ দলে এসেছে। তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার পর দলে এসেছে। এই অহংকার ও দাম্ভিকতার জন্য তৃণমূলের এই হাল।’’

    ‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’

    অসিতের মতোই এবারের নির্বাচনে টিকিট পাননি প্রাক্তন ক্রিকেটার-বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি। তাঁর বদলে তৃণমূল এবার শিবপুরে প্রার্থী করেছিল রানা চট্টোপাধ্যায়কে। ঘাসফুলের সেই শক্ত ঘাঁটিতেই ফুল ফুটিয়েছেন বিজেপি-র রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh)। পাঁচ বছর আগে, একুশের বিধানসভা ভোটে হাওড়ার শিবপুর কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীকে তিরিশ হাজারের উপর ভোটে হারিয়েই বিধায়ক হন তিনি। এরপর মনোজকে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার, তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর মনোজের ইঙ্গিতবাহী পোস্ট— ‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’। মনোজ জানিয়েছেন, শুধু তারাই টিকিট কিনতে পেরেছেন, যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা দিতে পেরেছেন। এবার অন্তত ৭০-৭২ জন প্রার্থী টিকিট পাওয়ার জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা দিয়েছেন। মনোজের দাবি, তাঁকেও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করায় টিকিট পাননি। মনোজের আরও অভিযোগ, তৃণমূলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাব রয়েছে। ক্রিকেটারের সংযোজন, ‘‘আমাকে ‘এমওএস’ (প্রতিমন্ত্রী) পদের একটি ললিপপ ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার কার্যত কোনও অর্থই ছিল না। আমি যদি উঠে দাঁড়িয়ে বলতাম, দিদি, আমি একটি নির্দিষ্ট সমস্যার প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, তিনি মাঝপথেই আমাকে থামিয়ে দিয়ে বলতেন, তোমাদের মতো লোকের জন্য আমার কাছে কোনও সময় নেই।’’ মনোজ প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকেও ধুয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘‘অরূপদা তো খেলার এ-বি-সি-ডি’ই জানেন না। নিজের হীনমন্যতা বা নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমাকে আমার মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালন করতে দেননি।’’

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বিদ্রোহ কেবল হিমশৈলের চূড়া মাত্র। একদিকে কর্পোরেট সংস্কৃতি আর অন্যদিকে প্রবীণদের ব্রাত্য করে রাখা, এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েই যে বাংলার মসনদ হারাতে হলো তৃণমূলকে, তা এখন ঘরোয়া কোন্দলেই স্পষ্ট।

  • BJP in Bengal: ‘‘অন্য কোনও দল থেকে আপাতত কাউকে বিজেপিতে নেওয়া হবে না’’ স্পষ্ট বার্তা রাজ্য নেতৃত্বের

    BJP in Bengal: ‘‘অন্য কোনও দল থেকে আপাতত কাউকে বিজেপিতে নেওয়া হবে না’’ স্পষ্ট বার্তা রাজ্য নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদল ঘটে গিয়েছে। ক্ষমতার ধারেকাছে থাকার চেষ্টায় এবার দল বদলের পালা। অতীতেও এমন ছবি দেখা গিয়েছে রাজ্য-রাজনীতি থেকে জাতীয় স্তরে। তবে, দলবদলের-স্রোতে এখনই নিজেদের ঘর ভাসাতে রাজি নন বিজেপি নেতৃত্ব (BJP in Bengal)। সংগঠনের সব স্তরে সেই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। অন্য দল থেকে বিজেপিতে কাউকে যোগদান করানোয় ‘নিষেধাজ্ঞা’ জারি করে দেওয়া হয়েছে।

    বিজেপিতে যোগ দিতে চাওয়ার আর্জি

    বিজেপি সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ মিটে যাওয়ার পর থেকেই বেশ কিছু এলাকায় বিজেপি নেতারা ফোন পেতে শুরু করেছিলেন। সে সব ফোন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মী, পঞ্চায়েত সদস্য, কাউন্সিলরদের। ৪ মে-র পর প্রয়োজনে হলে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দরজা যাতে খোলা থাকে, সেই অনুরোধ সংবলিত ফোন। ৪ মে ইভিএম খোলার পর দেখা যায়, ২০০-র বেশি আসন নিয়ে রাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এ হেন পরিস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিতে চাওয়ার আর্জি আরও বেড়েছে।

    তৃণমূল বা অন্যান্য দল থেকে বিজেপিতে নয়

    বিজেপির দাবি, তৃণমূলের অনেকেই অবিলম্বে বিজেপিতে শামিল হয়ে যেতে চাইছেন। এই ‘স্রোত’ তথা ‘বেনোজল’ আপাতত রুখতে চায় বিজেপি। যাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ এবং ক্রোধের কারণে রাজ্যবাসী বিপুল সংখ্যায় বিজেপি-কে ভোট দিলেন, রাতারাতি তাঁরাই বিজেপিতে ঢুকে পড়ে নতুন শাসকদলের ‘মাতব্বর’ হয়ে উঠলে জনতা বিজেপির উপর ক্রুদ্ধ হবে বলে পদ্মনেতারা মনে করছেন। তাই আপাতত তৃণমূল বা অন্যান্য দল থেকে কাউকে বিজেপিতে শামিল করানোর উপরে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    আপাতত কাউকেই নেওয়া হচ্ছে না

    রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘‘যোগদান করানো একদম বন্ধ! অন্য কোনও দল থেকে আপাতত কাউকে বিজেপিতে নেওয়া যাবে না। সংগঠনের প্রত্যেকটি স্তরে আমরা সে বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি।’’ তা হলে কি বিজেপিতে আর কেউ কখনও যোগ দিতে পারবেন না? পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজনীতি বিষয়ক বিভাগের প্রধান তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের কথায়, ‘‘কেউ কখনও যোগ দিতে পারবেন কি না, দল সে সব পরে স্থির করবে। কিন্তু আপাতত কাউকেই নেওয়া হচ্ছে না। পরবর্তী নির্দেশ না-যাওয়া পর্যন্ত সব যোগদান বন্ধ।’’

    যাঁদের বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিলেন, তাঁদের দলে নয়

    মমতার মুখে অবশ্য বিজেপির অন্য ‘ভূমিকা’র কথা শোনা গিয়েছে। মঙ্গলবার তিনি অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের অনেককে ফোন করে বিজেপিতে যোগ দিতে বলা হচ্ছে। মমতার কথায়, ‘‘কেউ যদি নিজের নিরাপত্তার জন্য যেতে চান, আমি বাধা দেব না।’’ মমতার এই অভিযোগকে অবশ্য বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব গুরুত্ব দিতে চাননি। বিজেপির একাধিক বিধায়ক মঙ্গলবার বলেছেন, ‘‘যাঁদের বিরুদ্ধে মানুষ ভোট দিলেন, তাঁরাই রাতারাতি বিজেপি হয়ে গিয়ে আবার সাধারণ জনতার উপরে অত্যাচার শুরু করবেন, এ আমরা হতে দিতে পারি না। তাই নেতৃত্বের নির্দেশ শিরোধার্য। পরবর্তী নির্দেশ না-আসা পর্যন্ত কাউকে দলে নেওয়া হবে না।’’

    অশোকনগর এলাকায় ছাঁকনি প্রতিবাদ

    দলীয় নির্দেশকে সামনে রেখে হাতে চায়ের ছাঁকনি, মাথায় গেরুয়া আবির, আর পিছনে দলীয় পতাকা নিয়ে, এই ভাবেই রাস্তায় নামলেন বিজেপি কর্মীরা। মঙ্গলবার রাতে এমনই দৃশ্য দেখলেন উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর এলাকার বাসিন্দারা। বিজেপি কর্মীদের এই ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে কিছুটা অবাকই হন এলাকার লোকজন। বিজেপি কর্মীরা জানিয়েছেন, রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি, ভাঙচুর এবং দখলদারির ঘটনা বেড়েছে। অভিযোগ, তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর থেকে শুরু করে সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটছে। সেই সঙ্গেই রাতারাতি দলবদল করে চলে আসছেন অনেকেই। দলের পুরনো কর্মীদের পাশ কাটিয়ে রাতারাতি দলবদল করে আসা কিছু সমর্থকই এই অশান্তির সঙ্গে যুক্ত বলেও দাবি তাঁদের। এই কারণেই ‘ছাঁকনি প্রতিবাদ’। ওই বিজেপি (BJP) কর্মীরা জানিয়েছেন, ছাকনিকে প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে এর মাধ্যমে বিশেষ বার্তা দিতে চাইছেন তাঁরা।

    কেন প্রতিবাদের হাতিয়ার ছাঁকনি

    ওই বিজেপি কর্মীরা বলেন, ‘ছাঁকনি দিয়ে নোংরা অংশ বাদ দেওয়া যায়। যাতে দরকারি জিনিসের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় অংশ চলে না আসে তা নিশ্চিত করা যায়। তেমনই দলে হঠাৎ আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার বার্তা দেওয়া হয়েছে এই প্রতিবাদের মাধ্যমে।’ মঙ্গলবার রাতে এই অভিনব প্রতিবাদ মিছিল হয় অশোকনগর চৌরঙ্গী মোড় এলাকায়। বিজেপির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই জয়ী বিধায়কের তরফে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

    দলবদলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা হাবরায়

    দলবদলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে হাবরা এলাকাতেও। এই আসনে বিজেপির দেবদাস মণ্ডলের কাছে হেরে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তার পরেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকা অনেকেই রাতারাতি দলবদল করেছেন। বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস দখল এবং অশান্তি সৃষ্টি করছেন তারা বলে অভিযোগ। এই নিয়ে হাবরা থানার সামনে দাঁড়িয়েই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার নবনির্বাচিত বিধায়ক। তাঁর দাবি, এই অশান্তির ঘটনায় প্রকৃত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের কোনও ভূমিকা নেই। তৃণমূল সমর্থকরাই দলবদল করে এই অশান্তি ঘটাচ্ছে। যারা এই ধরনের অরাজকতায় যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

  • Suvendu Adhikari: “গুন্ডাদের দমন করার দায়িত্ব আমার, নন্দীগ্রামে জয়ের অভিনন্দন”, জানিয়ে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গুন্ডাদের দমন করার দায়িত্ব আমার, নন্দীগ্রামে জয়ের অভিনন্দন”, জানিয়ে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে জয় নিশ্চিত করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পরাজিত করার পর তাঁর এই জয় রাজ্য রাজনীতিতে এক বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতায় নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি এক অবিস্মরণীয় নাম। তবে ২০২১ সালের প্রেক্ষাপটে এই কেন্দ্রটি কেবল একটি নির্বাচনী ক্ষেত্র নয়, বরং হয়ে উঠেছিল মর্যাদার লড়াইয়ের এক চূড়ান্ত রণাঙ্গন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁর বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামের (Nandigram) মানুষ আমায় বিশ্বাস করেছেন, আমি তাঁদের সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা করব না।”

    জয়ের নেপথ্যে জনগণের রায় (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর বক্তব্যে বারংবার নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র হওয়ার আবেগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই জয় কেবল কোনও রাজনৈতিক দলের সাফল্য নয়, বরং এটি নন্দীগ্রামের (Nandigram) আত্মসম্মান ও অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের জয়। ভূমিপুত্র বনাম বহিরাগত তত্ত্বে ভূমি পুত্রের জয় হয়েছে। জনগণের জনাদেশ সেই ভাবাবেগকেই সিলমোহর দিয়েছে। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনাদের ঋণ আমি শোধ করব। তবে আমার আবেদন, শান্তি বজায় রাখুন। কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়, মানুষ তাকে কামড়ায় না। তাই আইন কেউ হাতে নেবেন না।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, বহিরাগত শক্তির আক্রমণ রুখে দিয়ে নন্দীগ্রামের মানুষ যে আস্থা তাঁর ওপর রেখেছেন, তার প্রতি তিনি চিরকাল দায়বদ্ধ থাকবেন।

    গণতন্ত্র ও আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) ফলাফল ঘোষণা নিয়ে ভোট গণনার দিন যে চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কারোর অজানা নয়। শুরুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবর চাউর হলেও, শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জয়ী হয়েছিলেন। এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে শাসকদলের পক্ষ থেকে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, তার জবাবে শুভেন্দু অধিকারী অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর আস্থার কথাকেই প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাবে বলেন, “নির্বাচন কমিশনের শংসাপত্রই শেষ কথা এবং কোনও প্রকার ভয়ভীতি বা আইনি চাপের কাছে মাথা আমরা নত করব না। ২০১১ সালের পরিবর্তনেও আমি ছিলাম, আর এবারের আসল পরিবর্তনেও আমিই রয়েছি।”

    বিরোধী দলনেতা হিসেবে আগামীর লক্ষ্য

    নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রামের (Nandigram) প্রতিনিধি হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভূমিকা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কেবল তাঁর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথাই বলেননি, বরং সমগ্র বাংলার বিরোধী রাজনীতির একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। তাঁর ভাষণে বলেন, “আগামী ১ বছরের মধ্যে রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন। মোদির গ্যারান্টি, অমিত শাহর ঘোষিত সংকল্পপত্র অক্ষরে অক্ষরে সময় মতো পূরণ করার ক্ষেত্রে বিজেপি দায়বদ্ধ। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে আইন মেনে প্রত্যেকটি পুরনো মামলা পুনরায় চালু করবে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো কর্মীদের মুক্তি ও আইনি বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। গুন্ডাবাহিনীকে মোকাবিলা করার দায়িত্ব আমার নিজের কাঁধে।”

    উন্নয়নের রাজনীতি

    শুভেন্দু বলেন, ‘‘মহিলারা দরকারে যখন খুশি বাড়ি থেকে বেরোবেন। রাতে বেরনো যাবে না, এরকম কথা আগের মুখ্যমন্ত্রীর মতো আগামীর মুখ্য়মন্ত্রী বলবেন না।’’ ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে এবং এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনিক সক্রিয়তার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন শুভেন্দু। দলীয় কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে তিনি বারবার অভয় দিয়েছেন যে, জয়ী প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সর্বদা তাঁদের পাশে থাকবেন। নন্দীগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও সরকারি পরিষেবা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হবে।

    কোনও অলৌকিক ঘটনা নয়

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই জয় রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির অবস্থানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। নন্দীগ্রামের মতো একটি সংবেদনশীল কেন্দ্র থেকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে পরাজিত করা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত দুঃসাধ্য ছিল। শুভেন্দুর মতে, এটি কোনও অলৌকিক ঘটনা নয়, বরং বছরের পর বছর মানুষের সাথে মিশে থাকা এবং তাঁদের সুখ-দুঃখের ভাগীদার হওয়ার ফল।

    বাংলার রাজনীতিতে ‘নন্দীগ্রাম মডেল’

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নন্দীগ্রাম (Nandigram) জয়ের পরবর্তী অবস্থান কেবল বিজয়োল্লাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁর মার্জিত অথচ কঠোর রাজনৈতিক অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে, আগামী দিনগুলোতে তিনি বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে শাসকদলের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেকে আরও শক্তিশালী করে তুলবেন। নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাংলার রাজনীতিতে ‘নন্দীগ্রাম মডেল’ আগামী দিনেও প্রাসঙ্গিক থাকবে এবং তাঁর এই জয় আগামী দিনের বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তনের সোপান হিসেবে কাজ করবে।

  • South 24 Parganas: ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ওটি থেকে তৃণমূল নেতার প্রচুর পরিমাণে টাকা, সোনা উদ্ধার, কীভাবে পৌঁছল?

    South 24 Parganas: ক্যানিংয়ে হাসপাতালের ওটি থেকে তৃণমূল নেতার প্রচুর পরিমাণে টাকা, সোনা উদ্ধার, কীভাবে পৌঁছল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং পূর্বের মঠেরদিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের (OT) ভেতর থেকে একটি সুটকেস উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।  যার কাছে এই টাকা উদ্ধার হয়েছে তিনি তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ হোসেন গাজি (TMC Leader) বলে জানা গিয়েছে।

    সুটকেসটি তল্লাশি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার (South 24 Parganas)

    নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে একটি পরিত্যক্ত সুটকেস লক্ষ্য করা যায়। খবর পেয়ে জীবনতলা (South 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সুটকেসটি তল্লাশি করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা নগদ, প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণালঙ্কার, বেশ কিছু আধার কার্ড এবং একটি গাড়ির চাবি উদ্ধার করে। সরকারি হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল স্থানে কীভাবে এই বিপুল সম্পত্তি পৌঁছাল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রাথমিক তদন্ত ও চিকিৎসককে আটক

    হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শাহরুখ হোসেন বলেন, “স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতির সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থাকার সুবাদে সভাপতির ছেলেই এই ব্যাগটি আমার কাছে রেখে গিয়েছিলেন।” বিজেপির দাবি, ডাক্তার শাহরুখ হোসেন এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত অত্যন্ত প্রভাবশালী চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। তিনি হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজের চেয়ে তৃণমূল নেতাদের নির্দেশ পালনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালেরই (South 24 Parganas) এক অ্যাম্বুলেন্স চালক ওই সুটকেসটি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের এক চিকিৎসকের জিম্মায় রাখতে দিয়েছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসককে আটক করেছে। সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স চালককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক সংযোগ ও অভিযোগ

    বিজেপির অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া এই বিপুল সম্পত্তি স্থানীয় এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ হোসেন গাজির। ভোটের ফল প্রকাশের পর লুটের আশঙ্কায় বা আইনি জটিলতা এড়াতে ওই নেতা তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের মাধ্যমে হাসপাতালের নিরাপদ স্থানে সম্পদ গচ্ছিত রেখেছিলেন। বর্তমানে ওই তৃণমূল নেতা (TMC Leader) এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা (South 24 Parganas) হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং এর নেপথ্যে কাদের হাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুত এই রহস্যের কিনারা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন।

  • TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    TMC Violence: পদ্মের দখলে রাজ্য, তার পরেও বঙ্গে অত্যাচার চালাচ্ছে তৃণমূল! নিহত ২ বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ‘বধ’ হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বস্তত, গোটা রাজ্যেই মুখ থুবড়ে পড়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান তৃণমূল। প্রত্যাশিতভাবেই ২০০-এরও বেশি বিধায়ক নিয়ে সরকার গড়ার দাবিদার বিজেপি (BJP Workers Killed)। এহেন আবহে রাজ্যে অশান্তি পাকাতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা (TMC Violence)। বিজেপির তরফে প্রথম থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বদলা নয়, বদল চাই। তার পরেও দলনেত্রীর মতোই মাজা ভাঙলেও, মচকায়নি তৃণমূলের জার্সিধারীরা।

    হাওড়ায় বিজেপি কর্মী খুন (TMC Violence)

    রাজ্যজুড়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর বিক্ষিপ্ত হামলা চালাতে শুরু করেছে গোহারা হেরে যাওয়া তৃণমূলের লোকজন। মঙ্গলবার সকালে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে বিজেপির এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। স্থানীয় ও বিজেপি সূত্রে খবর, মৃতের নাম যাদব বর। বিজেপির জয়ের আনন্দে সোমবার রাতে আবির খেলায় মেতেছিলেন তিনি। তার পরেই তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ। বিজেপির এই কর্মীর বাড়ি উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪৮ নম্বর বুথ এলাকায়। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, যাদব বিজেপির সমর্থক ছিলেন। বিজেপির জয়ের আনন্দ দলের সতীর্থদের সঙ্গে উদ্‌যাপন করছিলেন তিনি। সোমবার রাত ১১টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান কয়েকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারা হয় বিজেপির ওই কর্মীকে।

    নিউটাউনেও পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মঙ্গলবারই নিউটাউনের বালিগড়ি চক পাচুড়িয়া এলাকায় বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (BJP Workers Killed)। যদিও ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কমল মণ্ডল পলাতক। জানা গিয়েছে, পুনর্গণনার পরে রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রে ৩১৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির পীযূষ কানোরিয়া (TMC Violence)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, এর পরেই মধু দলবল নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এবং পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য কমল মণ্ডলের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ওই সময় কমল বাড়িতে ছিলেন না। বিকেলে মধু ফের উজিয়ে কমলের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। মধুর হুমকি শুনে বেরিয়ে আসেন কমল। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। এক সময় ওই তৃণমূল নেতা মধুকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ। টাল সামলাতে না পেরে পড়ে যান ওই বিজেপি কর্মী। তখন সে মধুর বুকে সজোরে লাথি মারে বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞান হারান মধু। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে রাতেই মধুর বাড়িতে যান বিজেপির সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। কথা বলেন মৃতের পরিবারের সঙ্গে। সব রকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বিজেপি কর্মী অরূপ মণ্ডল বলেন, “মধুকে বুকে লাথি মেরে পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।” অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা (TMC Violence)।

    উত্তরেও অশান্তি হেরো তৃণমূলের

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরেও অশান্তি পাকানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় সেই তৃণমূল-ই। বিধানসভা নির্বাচনে দলের জয়ের পর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন একদল বিজেপি কর্মী-সমর্থক (BJP Workers Killed)। আচমকাই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ির রংধামালি এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ছড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। বিজেপির অভিযোগ, জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরে যাওয়া তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসের লোকজনই একাজ করেছে। ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণের নেতৃত্বে একদল যুবক লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পথ আগলায়। গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে শুরু হয় মারধর। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রকাশ্য দিবালোকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে জখম হন বেশ কয়েকজন।

    উলটপুরাণ!

    খবর পেয়েই এলাকায় যান জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বিজেপির দাবি, পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে রাজ্যের শাসকদল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, হেরে গিয়েও বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ওপর তৃণমূল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ (BJP Workers Killed)। যদিও বিজেপির তরফে পাল্টা মার দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, পদ্মশিবিরের ওপরতলার (TMC Violence) নেতাদের নির্দেশেই পাল্টা মারের রাস্তায় হাঁটেনি পদ্মশিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দুই ফুলের (বিজেপির পদ্মফুল এবং তৃণমূলের ঘাসফুল) রূপ-রস-গন্ধ সবই যে আলাদা, এই সব ঘটনাই তার প্রমাণ।

     

  • Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েও গদি ছাড়েননি রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরো তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! উল্টে তাঁর এবং তাঁর দল তৃণমূলের (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, কোম্পানি) হারের জন্য কাঠগড়ায় তোলেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission)। সেই কারণেই হেরে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা ইস্তফা দেননি বুধবার সকাল পর্যন্তও।

    নির্বাচন কমিশনের সাফ কথা (Election Commission)

    যদিও তাদের বিরুদ্ধে মমতার তোলা সব অভিযোগই খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না বলা পর্যন্ত গণনা থামানো হয়নি। তারপর তাঁকে জানিয়ে, গাইডলাইন মেনে ফের শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, “আমি ৩২ হাজার ভোটে জিতছিলাম। তারপরেই বিজেপির প্রার্থী ২০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে হুমকি দেওয়া শুরু করে। কাউন্টিং সেন্টারে যাওয়ার সময় আমাকে আটকে দেয়। আমাকে নিগ্রহ করা হয়। তখন সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমি বলেছিলাম যে কাউন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি থাকব। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বের করে দেয়। দল কর্মীদের সঙ্গে আছে। আমরা লড়াই করে ফিরব। এখানে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, যেমন অন্য রাজ্যেও হয়েছিল।”

    মমতার তোলা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন

    দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) পক্ষ থেকে দেওয়া রিপোর্টে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবানীপুরে মমতার তোলা অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন। কমিশনের সাফ কথা, ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ম-আইন মেনে অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা কখনওই বন্ধ করা হয়নি। ভবানীপুরের প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কমিশন এও জানিয়েছে, প্রার্থীর জেদের কারণে গণনার কাজ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে পরে নিয়ম মেনে তাঁকে জানিয়েই আবারও গণনার কাজ শুরু করা হয়েছিল (Election Commission)।

    ভবানীপুরে গোহারা মমতা

    প্রসঙ্গত, সোমবার, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন গোটা দেশের (Mamata Banerjee) নজর ছিল হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বৈরথ হয়েছে মমতা ও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। গণনা শুরুর পর থেকেই সমানে সমানে টক্কর চলছিল মমতা-শুভেন্দুর। যদিও শেষ দিকে এগোতে থাকেন শুভেন্দু। তার পর আর তাঁর নাগাল পাননি মমতা। হাজার পনেরো ভোটে হেরে যান ‘বাংলার নিজের মেয়ে’ মমতা। রাজ্যে গোহারা হারে তাঁর দল, তৃণমূলও। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই ছিল না। নির্বাচন কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করল। মানুষের অধিকার লুট করেছে। ভোটের আগে সব জায়গায় রেড করে, সব অফিসারকে বদলে দেয়। বিজেপি আর কমিশনের মধ্যে বেটিং হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে (Mamata Banerjee) লাগিয়ে ভোট লুঠ করেছে।’ এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা তো হারিনি! হারলে পদত্যাগ করতাম (Election Commission)।”

     

  • Mamata Close Aides Resign: মমতা ইস্তফা না দিলেও, এক-এক করে পদত্যাগ তাঁর পছন্দের আমলা-শীর্ষকর্তাদের

    Mamata Close Aides Resign: মমতা ইস্তফা না দিলেও, এক-এক করে পদত্যাগ তাঁর পছন্দের আমলা-শীর্ষকর্তাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ১৫ বছরের সাম্রাজ্যের অবসান ঘটিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। ৪ মে রাজ্যে পালাবদল হতেই শুরু হয়েছে তৃণমূল পরিচালিত সদ্যপ্রাক্তন রাজ্য সরকার-নিযুক্ত আমলা, শীর্ষকর্তাদের পদত্যাগের হিড়িক। সেদিন থেকেই এক-এক করে ইস্তফা দিচ্ছেন রাজ্যের একাধিক শীর্ষস্তরের আমলা, কর্তা ও পদাধিকারীরা।

    পদত্যাগ আলাপন-হরিকৃষ্ণ-মনোজের…

    মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা ঘোষণা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে তিনি ইস্তফা দেবেন না। তবে, তাঁর নির্দেশে রাজ্যের শীর্ষস্তরে নিযুক্ত হওয়া তাঁর পছন্দের ও কাছের আমলা-কর্তারা এক-এক করে নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন। যেমন, ক্ষমতার পালাবদলের পরে এ বার (সদ্যপ্রাক্তন) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ‍্য উপদেষ্টা পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দুই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক, আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। নবান্ন সূত্রে খবর, আলাপন এবং হরিকৃষ্ণ দু’জনেই একদা রাজ্যের মুখ্যসচিব পদে ছিলেন। অবসরের পরে ওই দুই আমলাকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ‍্য উপদেষ্টা হিসাবে বিশেষ পদ দেওয়া হয়েছিল। আলাপন এবং হরিকৃষ্ণ দু’জনেই রাজ্যের মুখ্যসচিবের গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতার আস্থাভাজন হিসাবেও পরিচিত ছিলেন। অন্য একটি সূত্র জানাচ্ছে মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সচিবের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন আর এক প্রাক্তন আমলা মনোজ পন্থ।

    পদত্যাগ রাজ্যের এজি কিশোর দত্তর

    তার আগেই, একেবারে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিনই, তৃণমূলের পরাজয়ের পরেই পদত্যাগ করছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) কিশোর দত্ত। মঙ্গলবার তিনি রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন কিশোর দত্ত৷ মঙ্গলবার সকালেই বিজেপির লিগাল সেলের পক্ষ থেকে আইনজীবীরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্য সরকার সম্পর্কিত সমস্ত মামলায় রায়দান যেন স্থগিত রাখা হয়৷ প্রধান বিচারপতি সেই আশ্বাস দেন৷ এরপর বেলা বাড়তেই খবর পাওয়া যায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত পদত্যাগ করেছেন৷ উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তারপরই কিশোর দত্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর নয়া সরকার গদিতে বসার আগেই নিজে থেকে কিশোর পদত্যাগ করলেন।

    পদত্যাগ অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারের…

    এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল পরাজয়ের পরেই রাজ্য সরকারের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার। মঙ্গলবার রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম এবং স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান পদ থেকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর নৈকট্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে অতীতে একাধিকবার চর্চা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, রাজ্যে বিপুল পট পরিবর্তনের কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিক ও বিভিন্ন পর্ষদের পদাধিকারীরা ইস্তফার পথে হাঁটতে পারেন।

    এদিকে, নবান্ন থেকে এক জারি হওয়া এক নির্দেশের মাধ্যমে অবসরের পরও দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বুধবার থেকে অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। সচিবরা নিজের নিজের দফতরে মৌখিকভাবে এই নির্দেশ জারি করেছেন। লোক ভবন থেকে আসা এই নির্দেশ মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা সব দফতরের সচিবদের জানিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রের খবর। নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে।

  • Abhishek Security Revoked: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়ের নিরাপত্তায় কাটছাঁট! বাড়ির সামনে থেকে প্রত্যাহার করা হল অতিরিক্ত পুলিশ

    Abhishek Security Revoked: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়ের নিরাপত্তায় কাটছাঁট! বাড়ির সামনে থেকে প্রত্যাহার করা হল অতিরিক্ত পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Security Revoked) অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিল লালবাজার। উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেড প্লাস ক্যাটাগোরির নিরাপত্তা পান। তবে পুলিশের তরফ থেকে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জেড প্লাস ক্যাটাগোরিরও অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। এই আবহে সেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। বুধবার ৬ মে সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হয়েছে।

    কোথায় অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তোলার নির্দেশ

    ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হল। লালবাজার সূত্রে খবর, ১৮৮ এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ির বাইরের পিকেট, ১২১ কালীঘাট রোডের অফিস আর বাড়ির বাইরের পিকেট। একই সঙ্গে ৯ ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বাইরের পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই আবহে বুধবার সকালেই অতিরিক্ত পুলিশকর্মীরা চলে যান। অভিষেকের বাড়ির সামনে থাকা পুলিশের কিয়স্ক খালি করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুলিশের জন্য রাখা স্ট্যান্ড ফ্যান সরানো হয়েছে। এখন সেখানে কয়েকটা ব্যারিকেড রয়েছে। আগে ফুটপাথ জুড়ে পুলিশদের বসার জায়গা ছিল। সেখানে চেয়ার-টেবিল রাখা ছিল। সেগুলোও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    নিরাপত্তা সরাতে খুশি স্থানীয়রা

    বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছেই রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়। কালীঘাটের পটুয়া পাড়ার সেই এলাকাও এখন ছেয়ে গিয়েছে বিজেপির পতাকায়। রাজ্যের পালা বদল হতেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন শিল্পীরা। তাঁদের দাবি, শুধুমাত্র শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই কার্যালয়ের পাশে এত হাই-সিকিউরিটি থাকে সেই কারণে। এক শিল্পী বলেন, “এটা কালীঘাট রোড। এটা কারও বাবার রাস্তা নয়। কোনও গাড়ি দাঁড়াতে দেয় না। এখানেই ওঁর বাড়ি। ওঁরা তো আমাদের জন্য ছিলেন, এখন আমাদের পিছনে লাথি মারছেন? মানুষ অতিষ্ঠ। আমরাই তো দিদিকে এনেছি।” শিল্পীদের দাবি, অভিষেকের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে এমন সব ব্যবস্থা হয়েছিল তাতে নাভিশ্বাস উঠছিল পটুয়া পাড়ার। তবে ভোটের ফলাফল ঘুরতেই দেখা গেল নিরাপত্তাও কমানো হচ্ছে অভিষেকের।

  • Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    Kalita Majhi: আউশগ্রামে পদ্ম ফোটালেন গৃহপরিচারিকা কলিতা, এক হার-না মানা মহিলার উত্থানের কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গেরস্থের ঘর থেকে সটান বিধানসভায় গেলেন পেশায় গৃহপরিচারিকা কলিতা মাজি (Kalita Majhi)। চারটে বাড়িতে কাজ করে মাস গেলে তিনি রোজগার করতেন আড়াই হাজার টাকা (BJP)। সামান্য এই আয়েই সংসার চালাচ্ছিলেন কলিতা। বিধানসভায় তিনিই এখন বিজেপির অন্যতম মুখ। বিজেপির পদ্ম প্রতীকে লড়ে জয়ী হয়েছেন কলিতা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। আউশগ্রাম কেন্দ্রে সেবার হেরে গিয়েছিলেন কলিতা। সেই তিনিই এবার ওই একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে।

    হার-না মানার গল্প (Kalita Majhi)

    গুসকরা পুরসভার বাসিন্দা কলিতা। এলাকারই চারটি বাড়িতে কাজ করে টানেন সংসারের জোয়াল। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মীও। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হাজার ১২ ভোটে তৃণমূলের অভেদানন্দ থান্ডারের বিরুদ্ধে লড়ে হেরে যান কলিতা। যদিও হাল ছেড়ে দেননি তিনি। গৃহস্থের বাড়ির কাজ শেষ করে সংসার সামলে কলিতা চালিয়ে গিয়েছেন সংগঠনের কাজও। সেই কারণেই এবারও ওই কেন্দ্রে পদ্মশিবির প্রার্থী করে জীবনযুদ্ধে হার না-মানা কলিতাকে। তবে এবার আর হারেননি, বরং তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে আউশগ্রামের বুকে পদ্ম ফুটিয়ে ছেড়েছেন তিনি।

    বিধানসভায় গিয়ে যা বলবেন কলিতা 

    কলিতা পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৬৯২ ভোট। তৃণমূলের প্রার্থী শ্যাম প্রসন্ন লোহারকে ১২ হাজার ৫৩৫ ভোটে হারিয়ে উজ্জ্বল করেছেন বিজেপির মুখ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলিতার এই উত্থান কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বাংলার বদলে যাওয়া সামাজিক বাস্তবতারও প্রতিফলন। কলিতা বলেন, “গুসকরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সমস্যা রয়েছে। দমকল কেন্দ্র লাগবে। রাস্তাঘাটের সমস্যাও রয়েছে। রয়েছে পানীয় জলের সমস্যাও। এই কাজগুলিই সবার আগে করতে চাই (Kalita Majhi)।”

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা পদ্মময় করে দিয়েছে বিজেপি। ভবানীপুরে খোদ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিয়ে গেরুয়া ঝান্ডা তুলে ধরেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাতারাতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করে দিয়েছেন মমতাকে। এই ‘মহাপতনে’র আবহেও লোকমুখে ঘুরছে কলিতার উত্থানের গল্প। যিনি অন্যের বাড়িতে কাজ করে পরিবারের সদস্যদের মুখে তুলে (BJP) দেন অন্ন, সেই তিনিই এবার যাচ্ছেন বিধানসভায়, গণতন্ত্রের মন্দিরে। সমাজের নিচুতলার মানুষও যে বিধানসভায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখের কথা তুলে ধরতে পারেন, কলিতার জয় সেটাই প্রমাণ করে ছাড়ল। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে তো এটাই কাম্য। তাই নয় কি (Kalita Majhi)?

     

  • Post Poll Violence in Bengal: অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া কমিশন

    Post Poll Violence in Bengal: অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence in Bengal) রুখতেও কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কোথাও ভাঙচুর বা হিংসার ঘটনা দেখলেই অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন জ্ঞানেশ (CEC Gyanesh Kumar)। সর্বদা নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে জেলাশাসক এবং পুলিশকর্তাদেরও।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা কোথায় কোথায়

    ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে সোমবার। আর রাত গড়াতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর মিলতে শুরু করে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ভোট–পরবর্তী হিংসায় চার জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল ও দু’জন বিজেপির কর্মী। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির রাজবাড়ি এলাকায় ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে জখম হন ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন কর। সূত্রের খবর, তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ওই পুলিশ অফিসার। সেই সময়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলি তাঁর পায়ে লাগে, তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মিনাখাঁর এসডিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। কলকাতা–সহ প্রায় গোটা রাজ্য উত্তপ্ত। বিজয়ী দল বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের তরফে এই পরিস্থিতিতে পুলিশ ও প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ এবং দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শান্তি বজায় রাখার জোরালো বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ কমিশনের

    ভোটের নির্ঘণ্টা ঘোষণার সময়ই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, ভোট-পর্ব মিটে যাওয়ার পরও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বাংলায়। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার এই নিয়ে আরও কড়া বার্তা দিলেন তিনি। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতা এবং ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন। বাংলায় ভোটের ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এই নিয়েই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার ​এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিজি-সহ সমস্ত ডিএম, এসপি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের হিংসা রোধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিরবচ্ছিন্ন টহল দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশ,​ ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতারাও ছাড় পাবেন না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। রাজনীতির রং না-দেখে হিংসার ঘটনায় পদক্ষেপ করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

LinkedIn
Share