C V Ananda Bose: বেতন বন্ধের হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ফের মধ্যরাতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ রাজ্যপালের

1693944667_cvv

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য নিয়োগ করলেন আচার্য সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাজ্যপাল কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য হিসাবে অধ্যাপক কাজল দে-কে নিয়োগ করছেন। রাজ্যপাল নিয়োগনামায় সই করছেন, তেমন একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। 

রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব

রাজ্য শিক্ষাদফতরের সঙ্গে আলোচনা না করেই উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অন্তবর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করে চলেছেন রাজ্যপাল বোস (C V Ananda Bose)। এই নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন চরমে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত কড়া ভাষায় রাজ্যপালকে বিঁধেছেন। গতকাল আবার কার্যত রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেন মমতা। রাজ্যপালের কথায় যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পরিচালিত হবে, তাদের ক্ষেত্রে ‘আর্থিক অবরোধ’ গড়ে তোলা হবে বলে প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শুধু তাই নয় প্রয়োজনে রাজভবনের সামনে ধরনায় বসবেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। 

ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত

রাজ্যপাল যদিও সেই হুঁশিয়ারি ‘উড়িয়ে’ পূর্বের মতোই মঙ্গলবার মধ্যরাতে আবার উপাচার্য নিয়োগ করেছেন। এর ফলে রাজ্য এবং রাজভবনের সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজভবন ও বিকাশ ভবনের দ্বন্দ্ব দীর্ঘ সময় ধরে চললেও সম্প্রতি তা বড় আকার নেয়। গত ৩১ অগাস্ট রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) ঘোষণা করেছিলেন, নতুন করে নিয়োগ না-হওয়া পর্যন্ত আচার্য হিসাবে তিনি নিজেই রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বতিকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অচলাবস্থা তিনি কোনওভাবেই  মেনে নেবেন না বলে জানান রাজ্যপাল। ছাত্রছাত্রীদের যাতে সার্টিফিকেট পেতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয় তার জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিমত বোসের।

আরও পড়ুন: বিগ বি-কে বিশ্বকাপের ‘সোনার টিকিট’! হাতে তুলে দিলেন জয় শাহ

অসহনীয় মনোভাব 

ঘটনাচক্রে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবারই শিক্ষক দিবসের এক অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের নাম না-করে তাঁর এই সাম্প্রতিক কালের উপাচার্য নিয়োগ এবং একাধিক নির্দেশনামা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের বিকাশ ভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাই তাঁদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। কারণ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose) জানিয়েছিলেন, উপাচার্যের কথাই শুনে চলতে হবে। অন্যান্য আধিকারিকরা রাজ্য সরকারের কথা শুনতে বাধ্য নন। তারপরই এমন বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এমন আবহে মাঝরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ আবার রাজ্য সরকারের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া বলে মনে করা হচ্ছে।

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share