Dhupguri: ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে কাল ধূপগুড়ি বিধানসভায় উপ নির্বাচন

Dhupguri_(3)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ধূপগুড়িতে (Dhupguri) বিধানসভা উপ নির্বাচন। আর এই ভোটকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ির ডিসিআরসি থেকে ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন ভোট কর্মীরা। এমনিতেই এই বিধানসভা কার দখলে থাকবে তা নিয়ে রাস্তাঘাটে, দোকানে এদিন সব জায়গায় জোর আলোচনা চলছে। এমনিতেই ভোটের দুদিন আগেই তৃণমূলকে জোর ধাক্কা দিয়েছে বিজেপি। এমনিতেই এই বিধানসভায় বিজেপির ভাল ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। তারপর তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায় বিশাল অনুগামী নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় কর্মীরা বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে গিয়েছে।

ধূপগুড়িতে (Dhupguri)ভোটের দিনে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে,জানেন?

ধূপগুড়ি (Dhupguri) বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ২৬০ টি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে। ধূপগুড়ি পুরসভা, বানারহাট এবং ধূপগুড়ি ব্লক মিলিয়ে মোট ভোটার সংখ্যা- ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন, ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা- ১ লক্ষ ৩১ হাজার ৩২৪ জন। ২৭টি কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। মোট ভোট কর্মীর সংখ্যা-১২০০ জন। এবারের এই উপনির্বাচনে মোট ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ১৫০টি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে। আর অতিস্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ৩৭টি। যে সব ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে এক বা দুটি বুথ রয়েছে, সেখানে ৮জন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আর যে সব ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তিন বা চারটি বুথ রয়েছে, সেখানে ১৬ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। গোটা ধূপগুড়ি এলাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী চষে বেড়াচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে কোথাও কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এই বাহিনী টহল দিচ্ছে। ধূপগুড়ির গ্রামে গ্রামে এখন শুধু ভারী বুটের আওয়াজ। যাতে বেশ অভয় পাচ্ছেন ভোটাররা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের স্মৃতি এখনও দগদগে বেশ কিছু এলাকার ভোটারদের কাছে। কারণ, পঞ্চায়েত ভোটে অনেক এলাকাতেই বহু ভোটার নিজেদের ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এই ভোটে কড়া নিরাপত্তা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় ভোটাররাও বেশ আশ্বস্ত। আর এতেই বাড়তি সুবিধা পাবে বিজেপি বলে মনে করছে তারা।

উপ নির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

২০২১শে ধূপগুড়ি (Dhupguri) বিধানসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী ভোট পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৪ হাজার ৬৮৮ টি ভোট। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ৩৩৩ টি ভোট। এবার কিন্তু,বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে বিজেপি অনেকটাই বাড়তি অক্সিজেন পাবে। রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয়ে বেশ ব্যাকফুটে শাসক দল। এই বিষয়গুলির জন্য কিছুটা চাঙা বিজেপি কর্মীরা। এর পাশাপাশি তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক মিতালি রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের ভোট ব্যাংকে  অনেকটাই থাবা বসাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভোটে জিত নিয়ে নিশ্চিত দু পক্ষই। তৃণমূলের তরফে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সিং বলেন, আমাদের দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে জিতবে, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নাই। অন্যদিকে, বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রসাদ বলেন, ২০২১ সালের চাইতে অনেক বেশী ভোটে আমাদের প্রার্থী জয়ী হবে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share