North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! সরকারি জমিতে রমরমিয়ে চলছে তৃণমূলের পার্টি অফিস

North_24_Parganas

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু, সেই নির্দেশ কি আদৌ মানা হচ্ছে। অন্তত উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) জেলা সদর বারাসতের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ছবিটা তা বলছে না। পুর প্রশাসনের নাকের ডগায় বছরের পর বছর ধরে সরকারি জমিতে শাসক দলের কার্যালয় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৃণমূলের পার্টি অফিস রমরমিয়ে চলছে। সঙ্গে রয়েছে সিপিএম, ফরওয়ার্ড ব্লকের পার্টি অফিসও।

তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন? (North 24 Parganas)

সরকারি জমি জবর দখল করে যে সব দোকান গজিয়ে উঠেছে, তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু, শাসক দলের কার্যালয় উচ্ছেদ করার বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের ভূমিকা। এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের (Trinamool Congress) শ্রমিক সংগঠনের বারাসত (North 24 Parganas) জেলার সহ- সভাপতি অতনু ঘোষ বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থেই মুখ্যমন্ত্রী এই নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আমাদের সকলের উচিত সেই নির্দেশ মেনে চলা। আর পার্টি অফিসটি তৈরির একটা ইতিহাস রয়েছে। ওখানে কাউন্সিলরদের বসার কোনও জায়গা ছিল না। আমিই উদ্যোগ নিয়ে তৎকালীন পুর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি অবগত করি। পরবর্তীকালে ওখানে তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস তৈরি হয়। যেটা পুরসভার জমিতে রয়েছে। তৃণমূল কার্যালয় হলেও ওই অফিস থেকে সাধারণ মানুষের পরিষেবা দেন স্থানীয় কাউন্সিলর।

আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ সেনাকে! শনিবারও নিহত ৭

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের কী বক্তব্য?

ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা (North 24 Parganas) সম্পাদক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুরসভা থেকে অনুমতি নিয়েই আমরা আমাদের পার্টি অফিস চালু করেছি। পুর আইন অনুযায়ী কোনও জায়গায় ছাদ দিতে গেলে পুরসভার অনুমতি লাগে। কিন্তু, শেডের ক্ষেত্রে লাগে না। ওখানে যতগুলি পার্টি অফিস রয়েছে, কারও চালে ছাদ নেই শেড রয়েছে। তা সত্ত্বেও পুরসভা কিংবা সরকার যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা তো সকলকেই মানতে হবে। আলোচনা করতে চাইলে আমরা তাতে সহযোগিতা করব। তবে, তৃণমূলের (Trinamool Congress) পার্টি রেখে আমাদের পার্টি অফিস ভাঙা চলবে। ভাঙলে সবার ভাঙতে হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিপিএমের জেলা নেতা আহমেদ আলি খানের গলাতেও। তিনি বলেন, সরকারি কিংবা অন্য কারও জমিতে দলীয় কার্যালয় তৈরি করার অনুমোদন দেয় না পার্টি। যদি কোথাও এরকম হয়ে থাকে তাহলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share