DVC Water Release: ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে রাজ্য সরকারের ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস করে দিল বিজেপি

dvc_water_release

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাক দিয়ে মাছ ঢাকা গেল না। রাজ্য সরকারের মিথ্যাচার ফাঁস করে দিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যের সঙ্গে সহমতের ভিত্তিতেই ডিভিসি প্রথমে ৭৫ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে (DVC Water Release) এবং পরবর্তীতেও জল ছাড়া নিয়ে রাজ্যের প্রাথমিক সম্মতি ছিল বলে তিনি তথ্যপ্রমাণ সহকারে জানিয়েছেন।

বিজেপির বক্তব্য (Flood situation)

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ডিভিসির নির্দেশিকা দেখিয়ে জানিয়েছেন, অতি ভারী বৃষ্টির জেরে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছিল। জল ছাড়ার (DVC Water Release) প্রয়োজনীয়তা ছিল, একথা রাজ্য সরকারকে জানিয়ে ডিভিসি আগাম চিঠি দেয়। রাজ্য সরকার জল ছাড়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়। দুই পক্ষের পারস্পরিক সহমতের ভিত্তিতেই ডিভিসি জল ছাড়ে। জল ছাড়ার আগে সকালেও আগাম সরকারকে বার্তা প্রেরণ করা হয়। যাতে (Flood situation) মানুষকে আগেভাগে নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে সুরক্ষিত জায়গায় সরিয়ে আনা যায়। প্রতি বছর ডিভিসির তরফে জল ছাড়া হয়। এবারও তার অন্যথা হয়নি। তা সত্ত্বেও প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়েও রাজনীতি করার উদ্দেশ্যেই ডিভিসের ঘাড়ে দায় চাপানোর চেষ্টা করছে রাজ্য প্রশাসন।

রাজ্যের মিথ্যাচার (DVC Water Release)

প্রসঙ্গত শনিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, জল (DVC Water Release) ছাড়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি ডিভিসি কর্তৃপক্ষ। সরকারকে অন্ধকারে রেখে জল ছাড়া হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন আলাপনবাবু। ডিভিসির ঘাড়ে দায় চাপানোর খেলা অবশ্য নতুন নয়। প্রত্যেক বছর ডিভিসি রাজ্য সরকারকে জানিয়েই জল ছাড়ে। জল না ছাড়লে অতিরিক্ত চাপে বাঁধ এবং লকগেট ভেঙে যেতে পারে। তা হলে আরও বেশি ক্ষতি হবে, দাবি ডিভিসি কর্তৃপক্ষের। অথচ প্রত্যেকবার বর্ষাকালে দেখা যায়, রাজ্য সরকার একই (Flood situation) অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করে। এ বছরও তার অন্যথা হয়নি।

সরকারের ব্যর্থতা

যদিও এবার রাজ্য সরকারের (DVC Water Release) মিথ্যাচার ফাঁস করে দিয়েছেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের উচিত ছিল ভাগীরথী, দামোদর, হুগলি, তিস্তা সহ সমস্ত বিভিন্ন জেলায় বাঁধ মেরামত করা। কিন্তু বাঁধ মেরামত হয়নি। মেরামতের নামে প্রত্যেক বার মাটির বস্তা, বালির বস্তা ফেলে কোষাগারের অপব্বহার করা হয়। নিজেদের ব্যর্থতা থাকতেই ডিভিসির দিকে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ বিভিন্ন নদীতে বাঁধ ভাঙছে (Flood situation) অথচ সরকার চুপ করে বসে আছে। মানুষের ক্ষোভ আঁচ করেই সরকার দায় চাপানোর খেলায় মেতেছে।”

 

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share