মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোলট্রি ফার্মের আড়ালেই নিষিদ্ধ বাজি কারখানা। দিনের পর দিন গোপনেই চলছিল নিষিদ্ধ বাজি তৈরির কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় বারুইপুর (South 24 Parganas) থানার পুলিশ প্রশাসন। আর এরপর উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি। গতকাল দত্তপুকুরে বাজি বিস্ফোরণে একের পর এক মোট ৯ জনের মৃত দেহ উদ্ধারে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শাসক দলকে কাঠগড়ায় তুলে, বিরোধীরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি তুলেছেন। পুলিশমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানান প্রশ্ন।
কীভাবে চলত অবৈধ বাজির কারখানা (South 24 Parganas)?
পোলট্রি ফার্মের আড়ালে নিষিদ্ধ বাজির ব্যবসা চলত বারুইপুরে (South 24 Parganas)। দত্তপুকুরে বাজি বিস্ফোরণের পর যেভাবে মৃত্যু মিছিল হয়েছে, সেই বিষয়কে মাথায় রেখেই বারুইপুর থানার পুলিশ হানাদেয় চম্পাহাটির হারালে। দেখা যায়, সেখানে পোলট্রি ফার্মের আড়ালে তৈরি হচ্ছে বস্তা বস্তা নিষিদ্ধ বাজি ও মশলা। বহু মহিলারা এই বাজি কারখানায় নিষিদ্ধ বাজি তৈরির কাজ চলছিল বলে জানা গেছে। যদিও সংবাদ মাধ্যমকে দেখে ভয়ে পালিয়ে যান ওঁই মহিলারা।
পুলিশের ভূমিকা
স্থানীয় (South 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বারুইপুরের এসডিপিও অতীন বিশ্বাস ও বারুইপুর থানার আইসি সমীজিৎ রায়ের নেতৃত্বে উদ্ধার হয়েছে নিষিদ্ধ বাজি। পোলট্রি ফার্মের আড়ালে অবৈধ বাজি তৈরির সরঞ্জামের বস্ত বস্তা উপাদান উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
তবে প্রশ্ন উঠছে, বারুইপুর থানা পুলিশ মাইক নিয়ে প্রচার করা সত্ত্বেও কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই নিষিদ্ধ শব্দ বাজি! যেখানে শব্দবাজি নিষিদ্ধ, সেখানে দিনের পর দিন এইভাবে বস্ত বস্তা বাজি তৈরি হচ্ছে! অন্যদিকে বিরোধীরা কটাক্ষ করে এও বলে যে দত্তপুকুরের ঘটনায় কী এবার টনক নড়ল পুলিশের! দত্তপুকুরের মতন ঘটনা হারালে যেন না ঘটে, তার জন্য নজর রাখছে বারুইপুর থানার পুলিশ। এই প্রসঙ্গে আরও উল্লেখ্য যে আসানসোলের বার্নপুরে এক বন্ধ গুদাম ঘর থেকে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ বাজি উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply