Shyama Prasad Mukherjee: ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ হল শ্যামাপ্রসাদের নামে

Untitled_design(93)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ এবার করা হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) নামে। ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবস, ঠিক তার আগের দিন কেন্দ্রীয় সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের বড় অংশ। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক, ন্যাশনাল লাইব্রেরির ডিরেক্টরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে এই মর্মে, সেখানে জানানো হয়েছে ভাষা ভবনের নাম এবার থেকে ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ভাষা ভবন করা হল। উল্লেখ্য, দেশভাগের সময় ওপার বাঙলা থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের আশ্রয়দানে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চক্রান্তেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে বাংলার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, জানতে দেওয়া হয়নি তাঁর সুমহান অবদান।

জাতীয় গ্রন্থাগারের পথচলা

গবেষকরা জানাচ্ছেন, মীর জাফরের আমলে তৈরি হয়েছিল বেলভিডিয়ার গার্ডেন। বিশাল প্রাসাদোপম এই বিল্ডিং-এ এককালে থাকতেন বড়লাট ওয়ারেন হেস্টিংস সাহেব। ইতিহাসের বহু ঘটনার সাক্ষী রয়েছে জাতীয় গ্রন্থাগার। জানা যায়, বেলভিডিয়ার গার্ডেন ১৮৯১ সালে হয়ে ওঠে ইমপিরিয়াল লাইব্রেরি। ১৯১০ সালে আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের এর সভাপতি নিযুক্ত হন। জানা যায়, পরবর্তীকালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর পিতা আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের সংগ্রহে থাকা ৮০,০০০ দুর্মূল্য বই গ্রন্থাগারে দান করেন। ১৯৫৩ সালে এই ইমপিরিয়াল লাইব্রেরি হয়ে ওঠে জাতীয় গ্রন্থাগার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশাল আকার এই প্রাসাদে জাতীয় গ্রন্থাগারের বিভিন্ন বিভাগ ছড়িয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল ভাষা ভবন। এবার থেকে সেই ভাষা ভবনের নতুন নামকরণ হল ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি (Shyama Prasad Mukherjee) ভাষা ভবন।

২০২০ সালে কলকাতা পোর্টের নামও হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে

প্রসঙ্গত, কলকাতা পোর্টের নামও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে নামাঙ্কিত করা হয়েছে ২০২০ সালেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কলকাতা পোর্টের নতুন নাম করা হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। 

সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুকান্ত।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share