Panihati: পানিহাটি উৎসবে মহিলা পুলিশের শ্লীলতাহানি! এক সপ্তাহ পর গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা

Panihati_(4)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের পানিহাটি (Panihati) উৎসবে মহিলা পুলিশ কর্মীর শ্লীলতাহানির ঘটনা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। তারপরই নড়়েচড়ে বসে পুলিশ। মহিলা পুলিশ কর্মী শ্লীলতাহানির  ঘটনায় অবশেষে যুব তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম দীপ মজুমদার। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Panihati)

গত ২৩ শে ডিসেম্বর রাতে পানিহাটি (Panihati) উৎসবের ভিতরে এক মহিলা পুলিশ কর্মীর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। প্রকাশ্যে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন হয় যে তৃণমূল নেতাদের বেলেল্লাপনা আটকাতে অন্য পুলিশ কর্মীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়। মেলার ভিতরে মহিলা পুলিশ কর্মীর সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই মহিলা পুলিশ কর্মী খড়দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তবে, গত ২৩ তারিখে অভিযোগ দায়ের করা হলেও এক সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পরও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। ২৯ শে ডিসেম্বর ওই মহিলা পুলিশ কর্মীর অভিযোগ পত্র সঙ্গে নিয়ে রাজ্যে নারী সুরক্ষার হাল কী তা তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পোস্ট করার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে।

তৃণমূল বিধায়কের দাবি ভিত্তিহীন, প্রমাণ করে দিল পুলিশ

যদিও বিষয়টি জানাজানি হতেই পানিহাটি (Panihati) বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ শুক্রবার দাবি করেন, পানিহাটি উৎসবের মধ্যে কোনওরকম শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেনি। তৃণমূলের কোনও কর্মী সমর্থক এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। পুলিশের একাংশ বিজেবি সঙ্গে যোগাসাজস করে এসব করছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মূলে জোর-চাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বিধায়কের দাবি যে ভিত্তিহীন তা যুব তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হতে প্রমাণিত হয়ে গেল।

কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, ২৩শে ডিসেম্বর মহিলা পুলিশ কর্মীর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করা হয়। নিয়ম মেনে তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এই ঘটনার সঙ্গে যেহেতু শাসক দলের নেতারা জড়িত, পুলিশ তাদের গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি। আমাদের দলের রাজ্য সভাপতি বিষয়টি রাজ্যবাসীর সামনে আনতে পুলিশ নড়েচড়ে বসে। অবশেষে এই ঘটনা জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে যুব তৃণমূল নেতাকে। এ ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত রয়েছে। আমাদের দাবি প্রত্যেককে গ্রেফতার করতে হবে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share