RSS: ব্যক্তিস্বার্থে নয়, সমষ্টির জন্য কাজ করাকেই ধর্ম বলে, জানালেন আরএসএস নেতা মনমোহন বৈদ্য

Untitled_design(346)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত প্রকাশন লিমিটেডের তরফ থেকে শুক্রবার ১৭ নভেম্বর দীপাবলি মিলন সমারোহের আয়োজন করা হয়েছিল দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে। এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সহ-সরকার্যবাহ ডক্টর মনোমোহন বৈদ্য। অন্যান্যদের মধ্যে হাজির ছিলেন ভারত প্রকাশন লিমিটেডের এমডি ভারত ভূষণ অরোরা, অর্গানাইজার পত্রিকার সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকর এবং পাঞ্চজন্য পত্রিকার সম্পাদ হীতেশ শঙ্কর। দীপাবলি সমারোহে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মনমোহন বৈদ্য বলেন, ‘‘আমি নয়, আমরা, এটাই হল ধর্মের প্রধান নীতি।’’ অর্থাৎ কিনা ব্যক্তি সর্বদাই নিজেকে বাদ দিয়ে সমষ্টির কথা চিন্তা করবে। সমাজের জন্য কাজ করবে। এটাই হল ধর্ম।

ধর্মের প্রকৃত সংজ্ঞা শেখায় সমাজের জন্য কিছু করতে

সঙ্ঘ নেতার (RSS) আরও সংযোজন, ‘‘ভারতবর্ষ বেঁচে রয়েছে তার প্রধান কিছু নীতির ওপর ভিত্তি করে, যার মধ্যে অন্যতম হল জনসেবা।’’ এ প্রসঙ্গেই তাঁকে বলতে শোনা যায় যে করোনার পিরিয়ডে এই চিত্র ভালোভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। সঙ্ঘের (RSS) সরকার্যবাহের মতে, ‘‘দেশে যখনই ভূমিকম্প বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছে, লক্ষাধিক মানুষ রাস্তায় নেমেছেন একে অপরকে সাহায্য করতে। করোনা ভাইরাসের হানার সময়ও তার ব্যতিক্রম চিত্র দেখা যায়নি। ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নিয়েও মানুষ রাস্তায় নেমেছেন, একে অপরকে সাহায্য করতে। এটাই হল ধর্মের প্রকৃত সংজ্ঞা যা শেখায় সমাজের জন্য কিছু করতে।’’

বৈচিত্রতার মধ্যেও সম্প্রীতির পরিবেশ দেখা যায় ভারতে

যে কোনও কিছু যা সমাজের জন্য কিছু করতে শেখায়, সরকারের উপর ভরসা না করে, সেটাই হল ভারতের ভিত্তি। এদিন মনমোহন বৈদ্যর ভাষণে উঠে আসে ইন্ডিয়া বনাম ভারত প্রসঙ্গও। তিনি ভারত (RSS) শব্দটি ব্যবহার করতে বলেন। তাঁকে আরও বলতে শোনা যায় যে ভারত সারা বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে তার আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মাধ্যমে। কর্মযোগ, ভক্তিযোগ, জ্ঞানযোগ রাজযোগ প্রভৃতি বিষয়ও এদিন বক্তব্যে তুলে ধরেন মনমোহন বৈদ্য। ডঃ মনমোহন বৈদ্য আরও বলেন, ‘‘বৈচিত্রতার মধ্যেও সম্প্রীতির পরিবেশ নির্মাণ করে যেভাবে ভারতবর্ষ বছরের পর বছর এগিয়ে চলেছে তা বিশ্বের সামনে এক উদাহরণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ভারত বিশ্বকে বুঝিয়েছে যে হতে পারি আমরা বৈচিত্রতার দেশ কিন্তু আমরা একে অপরের সঙ্গে সম্প্রীতির পরিবেশে থাকতে পারি।’’

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share