Russian-Oil: “রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনে গোটা বিশ্বের উপকার করেছে ভারত”, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Russian-Oil

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার কাছ থেকে তেল বা জ্বালানি (Russian-Oil) কিনে গোটা বিশ্বের উপকার করেছে ভারত। ঠিক এই মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনার সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে রোধ করেছে। বিশ্ববাজারে দামের ভারসাম্য রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত খুবই কার্যকারী। বিশ্বব্যাপী তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও, ভারতই একমাত্র প্রধান উপভোক্তা দেশ যেখানে গত তিন বছরে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে।”

তেলের দাম ২০০ ডলার প্রতি ব্যারেলে মূল্যবৃদ্ধি হতো (Russian-Oil)

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হারদীপ সিং নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “ভারত রাশিয়ার তেল বা জ্বালানি (Russian-Oil) কেনার মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বের জন্য উপকার করেছে। কারণ আমরা যদি তা না করতাম, তাহলে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম ২০০ ডলার করে প্রতি ব্যারেলে মূল্যবৃদ্ধি হত। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ত দৈনন্দিন দ্রব্যমূল্যে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় কোনও রকম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ছিল না। তবে শুধুমাত্র একটি মূল্যের উপর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আর এতে আশ্বস্ত করেছে যে ভারতীয় কোম্পানিগুলি শর্ত মেনে চলবে।”

আরও পড়ুনঃ অযোধ্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়ের পাঁচ বছর পূর্তি, জেনে নিন পুরো কাহিনি

নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে আস্থা

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী আরও উল্লেখ করে বলেন, “ইউরোপীয় এবং এশিয়ার দেশগুলিও রাশিয়ার (Russian-Oil) কাছ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে জ্বালানি কিনেছে। আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যারা ভারতের উপর বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলেছিল, তাদের মধ্যে অনেক ইউরোপীয় এবং এশিয়ার দেশ রাশিয়া থেকে বেশি পরিমাণে অশোধিত তেল, ডিজেল কিনেছিল। আমাদের তেল কোম্পানীগুলোকে যারাই ভালো দামে জ্বালানি দেবে, আমরা তাদের কাছ থেকে এই জ্বালানি কিনব। এটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বের আস্থা এবং বিশ্বাস। ভারতের নাগরিকদের জন্য জ্বালানির উপযুক্ত প্রয়োজনীয় জোগান, ক্রয়ক্ষমতা এবং সুরক্ষাকে নিশ্চিত করা হয়েছে। এটাতেই আমাদের সবথেকে আগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭ কোটি ভারতীয় প্রতিদিন পেট্রোল প্রত্যক্ষভাবে ব্যবহার করে থাকেন। তাই জ্বালানি বা পেট্রোলের স্থিতিশীল প্রাপ্যতা, সাশ্রয় এবং স্থায়িত্বের বিষয়কে সরকার আগে গুরুত্ব দিয়ে ভেবেছে।”

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share