Sabooj Sathi: তৃণমূলের ‘উন্নয়ন’ কি পৌঁছল বাংলাদেশেও? ‘সবুজ সাথী’র সাইকেল দেদার বিক্রি পদ্মাপাড়ে

Untitled_design(595)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কি পৌঁছে গিয়েছে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশেও? এমন প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে যখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের গ্রামের হাটগুলিতে দেদার বিক্রি হচ্ছে সবুজ সাথীর সাইকেল। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের হাটে পুরনো জিনিসপত্র বেচাকেনার রেওয়াজ রয়েছে। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য তৃণমূল সরকারের দেওয়া সবুজ সাথীর সাইকেল নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তে লাগোয়া পুরনো সাইকেল বেচাকেনার দোকানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

ভিডিও ভাইরাল সমাজ মাধ্যমের পাতায়

বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলাদেশের হাটে সবুজ সাথী (Sabooj Sathi) সাইকেল বিক্রির ভিডিও সমাজ মাধ্যমের পাতায় ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মতামত জানিয়েছেন নেটিজেনরাও। যদিও এই ভিডিওগুলি সত্য নাকি তা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’। ভাইরাল হওয়া সেই রকম একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের এক যুবক সবুজ সাথীর (Sabooj Sathi) লোগো বসানো সাইকেলগুলি বিক্রি করছেন। সাইকেলগুলির মধ্যে পুরনো সাইকেল যেমন রয়েছে তেমনই দেখা যাচ্ছে নতুন সাইকেলও রয়েছে সেখানে। সাইকেলের সামনে বই রাখার জন্য বাস্কেটও দেখা যাচ্ছে।

বেশ কদর রয়েছে সাইকেলগুলির

জানা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা লাগোয়া ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রানিহাটি বাজার, চাঁপাই, নবাবগঞ্জ, নদিয়া জেলার চরঘাট, রাজশাহি, খুলনা, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, জীবননগরের মতো গ্রামীণ হাটগুলিতে বিক্রি হচ্ছে দেদার সবুজ সাথী (Sabooj Sathi) প্রকল্পের সাইকেল। সবুজ সাথী প্রকল্পের এই ধরনের সাইকেলগুলি বাংলাদেশে দাম ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা বলে জানা গিয়েছে। তবে সবুজ সাথী সাইকেল সেখানে মিলছে মাত্র সাত থেকে আট হাজার টাকায়। বাংলাদেশেরে এক সাইকেল বিক্রেতা জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সবুজ সাথী সাইকেল এর গুণমান নিয়ে যতই প্রশ্ন তুলুক সেখানকার বিরোধীরা। সীমান্ত পারে নীল রঙের সাইকেলের কদর কিন্তু বেশ বেশি।

কী ভাবে যাচ্ছে সাইকেল

কিন্তু সাইকেলগুলি ভারত থেকে সেখানে যাচ্ছে কীভাবে? জানা গিয়েছে যে সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের কাঁটাতারের ওপারে চাষের জমি রয়েছে, তারা সাইকেলে করে জমিতে যাচ্ছেন এবং ফিরে আসার সময় সেগুলিকে বিক্রি করে দিয়ে আসছেন। এর সবটাই তবে চলছে বিএসএফের নজর এড়িয়ে। এছাড়া দ্বিতীয় পদ্ধতি হল, শুকিয়ে যাওয়া নদীর কালভার্টের নিচ দিয়ে সাইকেল (Sabooj Sathi) পৌঁছে দিচ্ছে চোরাকারবারিরা বাংলাদেশে। চুয়াডাঙা হাটের সাইকেল ব্যবসায়ী মেহেবুল কবিরাজের কথায়, ‘‘অনেকেই বলেন এগুলো নাকি পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে দেওয়া সাইকেল। আমরা অত কিছু জানি না। পাইকারদের কাছ থেকে নিয়ে আসি। ২০০-৩০০ টাকা মুনাফা রেখে বিক্রি করে দিই।’’ 

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share