Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

Sandeshkhali_(2)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিল ওখানে। লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।” বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে  সিবিআই-কে (C.B.I.) তৃণমূল (T.M.C.) নেতা কুণাল ঘোষ তাঁর বাক্যবাণ সংযোগে যেভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ করেছেন তার যোগ্য জবাব এভাবেই দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

কী বলেছিলেন কুণাল (Sandeshkhali)?

“সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ। কেজি কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পর কুণালের মন্তব্য, “আগে থেকে কেউ রেখে দিতে পারে। পুলিশের উচিত ছিল সেটা দেখা। বাংলাকে বদনাম করার চক্রান্ত। ভোটের মধ্যে তৃণমূল সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করার জন্য অস্ত্র উদ্ধারের নাটক। পুলিশের ইন্টেলজেন্স কোথায়।” শুক্রবার এই মন্তব্য করেছিলেন কুণাল ঘোষ। শনিবারও নিজের মন্তব্যেই কায়েম ছিলেন তিনি। বলেছেন, “যা বলেছি ভুল কোথায়”।

সুকান্তের বক্তব্য

পাল্টা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বেনজির কটাক্ষ ছুড়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আসলে উনি সব জানেন। আর বাকিরা কেউ কিছু জানে না। আমি আর শুভেন্দু অধিকারী পিঠে বোঝা নিয়ে গিয়েছিলাম। দিলীপ ঘোষ গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল আগে থেকে। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু একটা একটা করে অস্ত্র রেখেছিলাম ওখানে। আর পাশ থেকে লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।”

পুলিশের ব্যর্থতা

পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর। নাকি সব জেনেও পুলিশ চুপ ছিল প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যেভাবে বছরের পর বছর শাহজাহানের (Sandeshkhali) বিরুদ্ধে অভিযোগের পরেও তাঁকে ছেড়ে রেখেছিল পুলিশ তাতে রাজ্য পুলিশের থেকে কী আর আশা করা যায় বলছেন রাজ্যের বিরোধী নেতারা।

আরও পড়ুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

কী কী উদ্ধার হয়?

শুক্রবার শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আধা কিলোমিটেরর মধ্যে তাঁর এক সাগরেদের বাড়ি থেকে দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ ও বিষ্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই (CBI)।  বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হয় রোবট। নামানো হয় এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার।  ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।”

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share