South 24 Parganas: থানায় ঢুকে ‘পুলিশকে মারধর’! অভিযুক্ত ক্যানিংয়ের তৃণমূল নেতা, তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

South_24_Parganas

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থানায় ঢুকে পুলিশকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। লক আপ থেকে আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিংয়ে। অভিযোগের তির ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল সভাপতি অরিত্র বসুর দিকে। ঘটনায় তীব্র নিন্দা করে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ডিজির কাছে থানার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং থানা (South 24 Parganas) এলাকার রায়বাঘিনীর মোড়ে টহলরত পুলিশ মঙ্গলবার জয়ন্ত ঘড়াই নামে এক ব্যক্তিকে চাঁদা তোলার নামে জুলুমবাজির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। তাঁকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অভিযোগ, এরপরই অরিত্র বসু নামে এক তৃণমূল নেতা এলাকার লোকজনকে নিয়ে ক্যানিং থানায় ঢুকে পড়েন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। আটক জয়ন্ত ঘড়াইকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। অভিযোগ, সেই সময় থানায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের মারধরও করেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খান ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ। পরে আরও লোকজন থানায় ঢুকে ঝামেলা করতে থাকেন। থানার আইসি-র গায়ে হাত তোলা হয়। দুজন সাব ইন্সপেক্টরকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে থানায় যান ক্যানিংয়ের এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল। যদিও থানায় ঢুকে হামলার অভিযোগে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। জানা যাচ্ছে, পুলিশের দুই আধিকারিক সৃজন সারথী নামের এক সাব ইন্সপেক্টর ও দেবজ্যোতি সরকার নামে এএসআই পদমর্যাদার দুই আধিকারিককে বারইপুর জেলা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে বদলি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

ডিজিপি-র কাছে তদন্ত দাবি করলেন শুভেন্দু

ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি ( Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘থানাতেই (South 24 Parganas) পুলিশকে মেরে ধৃত যুব তৃণমূল নেতা জয়ন্ত ঘড়াইকে লকআপ থেকে বের করে আনেন অরিত্র বসু। অরিত্র ও জয়ন্ত দুজনই ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ দাসের ঘনিষ্ঠ। কালীপুজোর চাঁদার নামে তোলাবাজির অভিযোগ জয়ন্তর বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে ক্যানিং থানার পুলিশ পৌঁছলে জয়ন্তর দলবলের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি হয়। পুলিশ জয়ন্তকে থানায় নিয়ে এলে দলবল নিয়ে চড়াও হন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অরিত্র বসু। এসআই-কে মারধর করে জয়ন্তকে লকআপ থেকে বের করে নিয়ে যান অরিত্র। তারপর থেকেই অরিত্র ও জয়ন্তকে বাঁচাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন ক্যানিং থানার আইসি এবং এসডিপিও।” থানার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করে ডিজিপি-র কাছে তদন্ত দাবি শুভেন্দুর।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share