Suvendu Adhikari: “গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি নয়”, নাম না করে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

suvendu4

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি নয়”। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম না করে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার ২৫ বৈশাখ উপলক্ষে রবীন্দ্র স্মরণের আয়োজন হয়েছিল সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে। ওই অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মমতাকে নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এটা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বাংলা। গীতাঞ্জলির বিকল্প কথাঞ্জলি হতে পারে না। এই সাংস্কৃতিক অবক্ষয় থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে।

শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নিশানায় মমতা…

শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পূণ্য হউক পূণ্য হউক পূণ্য হউক হে ভগবান…এর বিকল্প হতে পারে না এপাং ওপাং ঝপাং, আমরা সবাই ড্যাং ড্যাং। এদিকে, মমতাকে নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। রাজ্যে দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, দ্য কেরালা স্টোরি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি একটি সিনেমা। আসলে এই ধরনের ঘটনা বাংলায়ও হয়। তাই মুখ্যমন্ত্রী এই ছবি প্রদর্শন করতে দিচ্ছেন না।

তাঁর অভিযোগ, বাংলার মেয়ে বাংলাদেশে জেএমবি-র হয়ে টাকা তুলতে গিয়ে ধরা পড়েন। তারপর (Suvendu Adhikari) তাঁকে মগজধোলাই করে, ধর্মান্তর করে বিয়ে করা হয় এবং তাঁকে জেএমবি-র কাজে লাগানো হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও জায়গায় পোস্টার লাগানো চলবে না। জোর করে এই ছবির প্রদর্শন বন্ধ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আসলে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করছেন।

আরও পড়ুুন: নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি! মমতাকে আইনি নোটিস বিবেক অগ্নিহোত্রীর

বিজেপির এই অধ্যাপক নেতা বলেন, বিরোধীরাই তো বলেন, সন্ত্রাসবাদের কোনও সংগঠন হয় না। কেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে ধর্মকে জড়াচ্ছেন? এর আগেও অনেক দায়িত্ব উনি নিয়েছেন। কিন্তু কোনও দায়িত্ব উনি পালন করেননি। এখন সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের অশান্তির আশঙ্কা করছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, ২০১৮ সালেই পঞ্চায়েত ভোটে ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আবারও পঞ্চায়েত ভোট আসছে। সেখানেও জোর করে ভোট করানোর চেষ্টা হবে। সন্ত্রাসের আবহে ভোট হবে। তিনি বলেন, অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচি চূড়ান্ত ফ্লপ। গতকালের কর্মসূচিতেও দেখা গিয়েছে চেয়ার ফাঁকা ছিল। তৃণমূলে টাকার বিনিময়ে টিকিট বিলি হয় বলেও অভিযোগ তাঁর।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share