মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়নের পঞ্চম দিনেও অশান্তি অব্যাহত রাজ্য জুড়ে। ভাঙড় থেকে ক্যানিং সর্বত্র। বাদ যায়নি তৃণমূল কর্মীরাও। ক্যানিং-এ মনোনয়নে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে গুলিবিদ্ধ দলেরই এক কর্মী। এনিয়ে এবার ফেসবুকে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?
নিজের ফেসবুক পোস্টে বুধবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে যতদিন এই দুর্নীতিগ্রস্ত, সন্ত্রাসী শাসক দল ক্ষমতায় আছে, কোনওদিনই কোনও নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হবে না। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম হবে না। বর্তমান সরকারের আমলে শাসক দলের সন্ত্রাসের হাত থেকে নিস্তার নেই বিরোধী দলের প্রার্থীদের।”
শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সংযোজন, ‘‘ভয়মুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ভাবে মনোনয়ন দাখিল করতে পারছেন না বিরোধী প্রার্থীরা’। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়,’ বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড় – ১ এবং ২ নম্বর ব্লক ও ক্যানিং–১ এবং ২ নম্বর ব্লক; বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর, পাত্রসায়র, ইন্দাস; বীরভূম জেলার লাভপুর ও নানুর; উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সন্দেশখালি–১ এবং ২ নম্বর ব্লক ও মিনাখাঁ; হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ও বাগনান–২ নম্বর ব্লক সহ রাজ্যের অন্যান্য ব্লকে। বিডিও অফিস তথা মনোনয়ন কেন্দ্রগুলি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।’’
তৃণমূল আছে সন্ত্রাসেই!
প্রথম কোনও পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট! মনোনয়ন কেন্দ্রগুলিতে জারি থাকছে ১৪৪ ধারা। কিন্তু তাতে কী! এদিনই সুকান্ত মজুমদার বিজেপির পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের বাসে করে বসিরহাট থেকে কলকাতায় নিয়ে এসে রাজ্য নির্বাচন দফতরের সামনে উপস্থিত হন। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন সুকান্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর এসেছে প্রত্যেক দিন। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভাঙড়, ক্যানিং, ইন্দাস, ডোমকল। রাজ্য জুড়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি লেগেই রয়েছে। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply