Tag: Madhyom

Madhyom

  • Pratik Jain: কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় আইপ্যাক যোগ! প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লিতে তলব ইডির

    Pratik Jain: কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় আইপ্যাক যোগ! প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় আইপ্যাকের (I-PAC) যোগ থাকার অভিযোগে তদন্ত জোরদার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিংকে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। কলকাতায় সিবিআই এবং ইডির অফিস তদন্তের জন‍্য সুরক্ষিত নয়। ছিনিয়ে নেওয়া হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ তথ‍্য প্রমাণ। তাই আইপ্যাকের কর্ণধার ও এক কর্তাকে জিজ্ঞসাবাদের জন্য দিল্লিতে ডাকা হয়েছে, বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কেন দিল্লিতে তলব, জানাল ইডি

    গত ৮ জানুয়ারি ইডি আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উপস্থিতিকে ‘তদন্তে বাধা’ হিসেবে দেখিয়ে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে ইডি, যার শুনানি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে চলছে। এরই মধ্যে দিল্লি হাইকোর্টে ইডি দাবি করেছে যে কলকাতায় সিবিআই ও ইডির অফিস তদন্তের জন্য নিরাপদ নয়। তাদের আশঙ্কা, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ ছিনিয়ে নেওয়া হতে পারে। এই সংক্রান্ত একটি মামলা বুধবার বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভামবানির বেঞ্চে ওঠে। শুনানিতে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস.ভি. রাজু আইপ্যাক অফিসে অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ‘বাধা দেওয়ার’ অভিযোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

    নথির গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা

    অন্যদিকে, প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিং দিল্লিতে হাজিরার সমনের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী কৌশল তৈরির কাজে ব্যস্ত, তাই দিল্লিতে না গিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বা কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ দেওয়া হোক। তবে ইডি এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে জানায়, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নথির গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পাঁচ বছর ধরে চলা এই তদন্তে এখনই কেন জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। পাশাপাশি কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ সম্ভব নয় কেন—এই বিষয়ে ইডিকে হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ২ এপ্রিলের পর কোনও একদিন প্রতীক জৈনকে দিল্লির অফিসে হাজিরা দিতে বলা হতে পারে।

  • Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভোট প্রচারে (West Bengal Elections 2026) ভবানীপুরে নেমে পড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বিজেপির হাইভোল্টেজ পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন করেছেন। একই ভাবে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের পক্ষে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর লড়াই বেশ জমজমাট। বিজেপির তরফে অবশ্য জয় নিয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে রাজ্যের তৃণমূলের শাসনের একাধিক বঞ্চনার কথা তুলে ধরে তোপ দেগেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাত জোড় করে আমাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল জনমতে জয়ী করুন।”

    মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেন (Amit Shah)

    এদিন সকাল ১১ টা ৫০ মিনিটে হাজরায় সভা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আপাতত নির্বাচনের জন্য ১৫ দিন সময় দেবেন বিজেপির এই প্রবীণ নেতা। বাংলাকে জয় করতেই হজবে। তিনি তাই জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি শুভেন্দুদাকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওনার তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন (West Bengal Elections 2026)।”

    উল্লেখ্য গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে প্রার্থী হিসেবে হারলেও ক্ষমতায় বসে দল তৃণমূল। এই বার মমতার কেন্দ্রে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিজেপি। মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যাস্ত করে বাকি বিধানসভাগুলিতে বাজিমাত করা বিজেপির এখন বিশেষ কৌশল। তাই তৃণমূলকে শাসন ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের জন্যই ভোট চাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন শুভেন্দু।

    আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব

    এই নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) ১৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা আগেই বেঁধে দিয়েছিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মমতার পাড়ায় সভা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “একটা একটা করে আসন জিতে আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব। তবেই তো পরিবর্তন হবে। কিন্তু আমার কাছে শর্টকাট আছে। ভবানীপুরবাসী একটি আসন জেতালেই পরিবর্তন নিজে থেকেই হয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হতে হবে। মোদিজির নেতৃত্বে এখানে বিজেপির সরকার তৈরি করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তকে সিল করে এ রাজ্য এবং গোটা দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে দেশ থেকে তাড়াতে হবে।”

    মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন

    হাজরার মঞ্চ থেকে বক্তৃতা করছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ১৫ দিন আমি এ রাজ্যেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি। আজ এসেছি মনোনয়ন পত্র জমা করতে। মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন। যারা তৃণমূল শাসনে তোলাবাজি, গুণ্ডাগিরি, নারী সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ, গোলা বন্দুক বোমাবাজির শিকার হয়েছেন তাঁদের বলব এই সব ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। বাংলার মানুষের পরিবর্তন দরকার। ভাবানীপুর (West Bengal Elections 2026) থেকে শুভেন্দু অধিকারী, রাসবিহারী থেকে ডক্টর স্বপ্ন দাসগুপ্ত, বালিগঞ্জএ শতরূপা বোস, চৌরঙ্গী থেকে সন্তোষ পাঠককে বিশেষ ভাবে শুভেচ্ছা জানাই।

    কেন পাখির চোখ ভবানীপুর? 

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের চারণভূমি হওয়ায় এই কেন্দ্রটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। শাহের এই মন্তব্য মূলত দলের নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করার একটি কৌশল। তিনি কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেন প্রতিটি বুথ স্তরে পৌঁছে মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল এবং রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। রাজ্য রাজনীতির এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে ভবানীপুর যে আগামী দিনে মূল কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তায় তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। শাহের দাবি, বিজেপি যদি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়লাভ করতে পারে, তবে পশ্চিমবঙ্গ দখল করা কেবল সময়ের অপেক্ষা।

  • Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে দিল্লিগামী নর্থ-ইস্ট এক্সপ্রেস থেকে চারজন মহিলা এবং চারজন শিশুসহ মোট ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল আধার (Fake Aadhaar Card) এবং আরও নথি। উদ্ধার হয়েছে বিদেশি মুদ্রাও।

    ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় আটক (Bangladeshi)

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধৃত বাংলাদেশিদের (Bangladeshi) কাছ থেকে জাল আধার কার্ড এবং মালয়েশিয়ান মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবং ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় এই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এবং নথিপত্র পরীক্ষা করলে দেখা যায় যে তাদের আধার কার্ডগুলো জাল। তদন্তে জানা গেছে, ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক এবং কাজের সন্ধানে কাশ্মীর যাচ্ছিলেন। এই ঘটনায় ৫ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা এবং ৪ জন শিশুকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডগুলো আসল নাকি বেআইনিভাবে (Fake Aadhaar Card) তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ভুয়ো মেডিকেল ভিসা ব্যবহার

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। গত ১৩ মার্চ ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশের ফরেনার্স সেল, যারা ভুয়ো মেডিক্যাল ভিসা ব্যবহার করে ভারতে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জলপাইগুড়িতে ধৃত এই ১৪ জনের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অভিযানের জন্য ফরেনার সেলের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছিল। একটি বিশেষ যাচাই অভিযান চলাকালে দলটি কিছু বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladeshi) সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়, যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। আরও জানা গেছে যে, ভারতে থাকার জন্য কোনও বৈধ কাগজপত্র (Fake Aadhaar Card) না থাকা সত্ত্বেও এই ব্যক্তিরা বুলগেরিয়ার জন্য মেডিক্যাল ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

  • ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    ED Raid In Kolkata: ভোটের আগে শহরে সক্রিয় ইডি! সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে অস্ত্র, ব্যবসায়ীর ঘরে নগদ কোটি টাকা উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশিতে খাস কলকাতায় মিলল বিপুল নগদ টাকা। বুধবার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে নগদ ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি (ED Raid In Kolkata )। জমি দখল সংক্রান্ত মামলায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। বুধবার সকাল থেকে ইডি হানা দেয় নির্মাণ সংস্থার অফিসে। একসঙ্গে ছয় জায়গায় তল্লাশি চালানো হয় এদিন। তল্লাশি চালানো হয় বালিগঞ্জের ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পু বাড়িতেও।

    ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই তল্লাশির মূল লক্ষ ছিল আর্থিক প্রতারণা মামলার (Money Laundering Case) ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়ি। জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পুর ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র। কিছুদিন আগে, গোলপার্কের (Golpark) কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয় সোনা পাপ্পুকে। রাসবিহারির বিধায়ক দেবাশিষ কুমারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই সোনা পাপ্পু। ঘটনাচক্রে, সোমবার ইডি ডেকে পাঠায় দেবাশিষ কুমারকে। তারপরেই এই তল্লাশি অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অভিযোগ, নির্মাণকাজের নামে কোটি কোটি টাকা তুলেছে সোনা পাপ্পু আর সেই টাকা তিনি পৌঁছে দিতেন প্রভাবশালীদের কাছে।

     তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ, অভিযোগ শুভেন্দুর

    সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ রাহুল দাসের বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডি। কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে তল্লাশি চলে দীর্ঘক্ষণ। তল্লাশি চলে নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের বেহালার বাড়িতেও। সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই টাকার উৎস কী, তা জানাতে পারেননি ওই ব্যবসায়ী। জয় কামদার সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলেই জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে শাসক দলের নেতাদের যোগও সামনে আসছে। বিভিন্ন সময়ে একাধিক শাসক দলের অনুষ্ঠানেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস, দেবাশিষ কুমার, জাভেদ খানকে অ্যারেস্ট করতে হবে। এই টাকা তৃণমূলের নির্বাচনে খরচ করার জন্য রাখা ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কলকাতা পুরসভার ৬৭ নম্বর ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সোনা পাপ্পু।

  • IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের কাছে হার দিয়ে আইপিএল ২০২৬ (IPL 2026) অভিযান শুরু করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবার ঘরের মাঠে নামতে চলেছে কেকেআর। ২ এপ্রিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (KKR vs SRH) বিরুদ্ধে নামবে ৩ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে টানা তিনটি হোম ম্যাচ নাইটদের। টুর্নামেন্টে নিজেদের ভালো জায়গায় রাখতে এই তিন ম্যাচই পাখির চোখ কলকাতার। নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি হচ্ছে দলের ক্রিকেটাররা।

    ব্যর্থ বোলিং বিভাগ

    প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ব্যাটাররা ভালো পারফর্ম করলেও বোলিং ডিপার্টমেন্ট কেকেআরের পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। যা দ্বিতীয় ম্যাচ শক্তিশালী ব্যাটিং সমৃদ্ধ হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামার আগে চিন্তায় রেখেছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম ম্যাচে কেকেআরের বোলিং অ্যাটাকের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে কেমন কম্বিনেশন হবে তা জল্পনা রয়েছে। মুজারবানি প্রথম ম্যাচে ফ্লপ। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ বিদেশি নিয়েও খেলতে পারে নাইটরা। নারিন বাদে সকল বোলাররাই ভারতীয় হতে পারে।

    নারিন-বরুণ কেমিস্ট্রি উধাও

    প্রথম ম্যাচে হারের পর স্বভাবতই চাপে কেকেআর। নতুন দল। নতুন ভাবে শুরু করতে চাইলেও, অভিষেক নায়ারের সমস্যা বোলিং নিয়েই। আর সেটা কীভাবে কাটাতে পারেন সেটাই হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কেকেআর কর্তারা। তবে সমস্যা আরও বাড়িয়েছে বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিনের পারফরম্যান্স। বরুণ টি২০ বিশ্বকাপে সেভাবে ছন্দে ছিলেন না। আইপিএল-এও সেই ছন্দ প্রথম ম্যাচে খুঁজে পাননি। সুনীল নারিনের যে মিস্ট্রি ছিল সেটাও উধাও। এখন পিচ থেকেও যদি সাহায্য সেভাবে না পাওয়া যায় তবে কলকাতার ভাগ্য ফেরানো কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বরুণে আস্থা নায়ারের

    গ্রিনের বোলিং প্রসঙ্গে নায়ার জানান, নিলামের সময় কোনও প্লেয়ারকে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের সব দিক সবসময় জানা সম্ভব হয় না। তাঁর কথায়, ‘নিলামে প্লেয়ার নেওয়ার সময় ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটা সবসময় বোঝা যায় না। গ্রিন যেমন ভালো ব্যাটার, তেমনই অলরাউন্ডার। তবে আমাদের সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।’ বরুণ চক্রবর্তীর পারফরম্যান্স নিয়ে আস্থা রেখেছেন কেকেআর কোচ। তিনি বলেন, ‘বরুণ মানসিকভাবে খুব শক্তিশালী অবস্থায় আছে। আমরা জানি ও কতটা দক্ষ বোলার। ভারতের হয়ে যেমন পারফর্ম করেছে, সেভাবেই আবার ফিরে আসবে। ওয়াংখেড়ের পিচটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবুও আমরা ওর উপর ভরসা রাখছি। শ্রীলঙ্কার পেসার মথিশা পাথিরানার ফিটনেস নিয়েও আপডেট দিয়েছেন নায়ার। তিনি জানান, পাথিরানা এখনও ফিটনেস টেস্টের মধ্যে রয়েছেন এবং ফিজিও টিমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই তিনি দলে যোগ দেবেন।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    কলকাতা দল মুম্বইয়ের কাছে পরাজিত হয়েছে, অন্যদিকে হায়দ্রাবাদও বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছে। ফলে এই ম্যাচে জয় পেয়ে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করবে দুই দলই। শুরুতেই পরপর হার কোনও দলই চাইছে না, তাই লড়াইটা জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মরশুমে দুই দলের ব্যাটিং শক্তি বেশ ভালো। তবে বোলিং বিভাগে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। চোট সমস্যাও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলকাতা তাদের প্রধান পেসারের জন্য অপেক্ষা করছে, আর হায়দরাবাদ দলের অধিনায়কও পুরোপুরি ফিট নন। এই অবস্থায় দলের ভারসাম্য ঠিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

    ইডেনে হাই স্কোরিং ম্যাচ

    ইডেন গার্ডেন্সে সাম্প্রতিক সময়ে বড় রানের ম্যাচ বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই এই ম্যাচেও চার-ছক্কার বন্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যাটাররা সুবিধা পেলে সহজেই বড় রান তুলতে পারে, তবে বোলারদের সঠিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। পিচের দিক থেকেও এই মাঠে রান তাড়া করা তুলনামূলক সহজ। শিশিরের প্রভাব থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দল সুবিধা পেতে পারে। শুরুতে কিছুটা সুইং থাকলেও পরে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। তাই টস জেতা দল আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অপেক্ষা করছে।

    কেকেআরের সম্ভাব্য একাদশ: অজিঙ্কে রাহানে (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, ক্যামেরন গ্রিন, আংক্রিশ রঘুবংশী (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং, রমনদীপ সিং, অনুকুল রয়, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরা, উমরান মালিক

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য় একাদশ: ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), নীতিশ কুমার রেড্ডি, হেনরিক ক্লাসেন, সলিল অরোরা, অনিকেত বর্মা, হর্শ দুবে, হার্শল প্যাটেল, জয়দেব উনাদকাট, ইশান মালিঙ্গা

  • Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে নির্বাচনী প্রচারের সময়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে করা কটূক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, শাসক (West Bengal Elections 2026) শিবিরের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি নির্দিষ্ট স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী— উভয় পক্ষের মধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

    পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত করে (Suvendu Adhikari)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যখন নন্দীগ্রামের একটি নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই স্লোগানটি বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে পরিচিত। বিরোধী দলনেতার উপস্থিতিতে এই ধরণের স্লোগান প্রদান পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত (West Bengal Elections 2026) করে তোলে।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। স্লোগান শুনে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পড়েন এবং যারা স্লোগান দিচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই। দিনকাল বদলে গিয়েছে। এই রকম করবেন না। সবার কাছে যাওয়ার অধিকার আমার আছে। আমাকে দেখে এমন করবেন না। আমি সব মুসলিম বাড়িতে যাব। আমার এমএলএ অফিস থেকে সবাই সাহায্য পেয়েছে।” এই ধরণের স্লোগান প্রদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টিকে (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, নন্দীগ্রামের মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবেন। তাঁর মতে, পরিকল্পিতভাবেই তাঁর যাত্রাপথে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ‘জয় বাংলা’ কোনও নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং এটি বাঙালির আবেগের প্রতিফলন। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই স্লোগান দিয়েছেন এবং এতে অন্যায়ের কিছু নেই। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পুলিশের উপস্থিতিতেই বিরোধী দলনেতাকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে এই জমায়েত করা হয়েছিল। এটি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতারই বহিঃপ্রকাশ (West Bengal Elections 2026)।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার পর থেকে নন্দীগ্রামের ওই এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের (West Bengal Elections 2026) মাটি যে পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, এই ঘটনা তারই ইঙ্গিতবাহী।

  • West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) উপলক্ষে কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত জনসভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসনিক এবং কৌশলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ১ এপ্রিল আলিপুরদুয়ার শহরে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা এবং ৫ এপ্রিল কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা। পদ্ম শিবির দুই কর্মসূচিতেই বড়সড়ো জমায়েতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোট প্রচারে উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। যদিও উত্তরবঙ্গে বিজেপি গত লোকসভা ভোটেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ (West Bengal Elections 2026)

    প্রাথমিকভাবে কোচবিহারের একটি নির্দিষ্ট মাঠে এই সভার পরিকল্পনা করা হলেও, দর্শক সমাগম এবং নিরাপত্তার খাতিরে এখন অন্য একটি বড় প্রাঙ্গণ বেছে নেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের মতে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভায় যে পরিমাণ মানুষের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা সামাল দিতে আরও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন ছিল। নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ এবং সভার প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

    প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা

    বিজেপির রাজ্য ও জেলা স্তরের শীর্ষ নেতারা নিয়মিত সভাস্থল পরিদর্শন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি (SPG) আধিকারিকরাও ইতিমধ্যে কোচবিহারে পৌঁছেছেন এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছেন। সভাস্থলের চারপাশ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে এবং ড্রোন নজরদারির পরিকল্পনাও রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, ১ এপ্রিল বিজেপির পাঁচ প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ১০ হাজার মানুষের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই পাঁচ হাজার জমায়েতের কথা বলা হয়েছে। জেলা সদর এই বিধানসভার মধ্যেই রয়েছে। জেলা সভাপতি মিঠু দাস বলেন, “দুটো কর্মসূচিই আমাদের কাছে বড়। সেগুলো সফল করতে বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা চলছে। দুটো কর্মসূচিই সফল হবে।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে মোদির (PM Modi) এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সভায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই দুই জেলার প্রার্থীদের সমর্থনে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে বিজেপির জনসভা হবে। সেখানে আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে যাওয়ার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেইমতো বিভিন্ন মণ্ডলে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাবুলাল সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জেলার সব বুথ থেকেই মানুষজন যাবে। সমস্ত বুথ থেকে ২০-২৫ জন করে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”

    মনোনয়ন জমা ও রোড শো

    দলীয় পরিকল্পনানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভার ঠিক পরেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মহকুমা শাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেবেন। এই মিছিলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের জনসমর্থন তুলে ধরাই এই ‘মেগা প্ল্যান’-এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক বৈঠক

    কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যেই জেলা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও প্রয়োজনীয় সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    বুধবার বিজেপির পাঁচ প্রার্থী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শহরের চৌপথি এলাকায় বিএম ক্লাবের মাঠে একত্রিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখান থেকে মিছিল করে নেতা কর্মীরা আসবেন ডুয়ার্সকন্যায়। মনোনয়নপত্র দেওয়ার মিছিলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ থাকবেন না। তবে রাজ্যের নেতাদের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হাতে সময় কম থাকায় এই কর্মসূচি সফল করতে বিজেপিতে কাজের বিভাজন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি এই ধরণের বড় মাপের কর্মসূচি গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরের ঠিক পরেই এই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কৌশলটি জনমানসে বাড়তি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম মেধাই ভরসা! ওরাকেলে (Oracle) গণছাঁটাই! রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করল মার্কিন টেক জায়ান্ট সংস্থা ওরাকেল। বিশ্বজুড়ে এই ছাঁটাই পক্রিয়া চলেছে। বাদ যায়নি ভারতও। এ-দেশে বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন বলে খবর। ভারত থেকে ছাঁটাই হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার কর্মী। মঙ্গলবার সকালে ই-মেল-এর মাধ্যমে কর্মীদের ছাঁটাই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ কাজ হারালেন

    বেশ কিছুদিন থেকেই ওরাকলে (Oracle Lay Off) ছাঁটাই নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে, ভোর ৫টা-৬টা নাগাদ কর্মীদের কাছে ছাঁটাই সংক্রান্ত ই-মেল পাঠানো হয়। যে নোটিশ সঙ্গে সঙ্গে কার্যকরী হচ্ছে বলেও কর্মীদের জানানো হয়েছে। ভারতের ১২ হাজার সহ বিশ্বজুড়ে ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় মোট ৩০ হাজার জন কাজ হারিয়েছেন। যা ওরাকেলের মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ। সংস্থার পক্ষ থেকে এক ই-মেলে ছাঁটাই কর্মীদের জানানো হয়েছে, “এই পরিবর্তনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে, সংস্থার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; যার ফলস্বরূপ—দুর্ভাগ্যবশত—আপনি বর্তমানে যে পদে কর্মরত আছেন, সেই পদটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

    কোন কোন শর্তে কাজ হারাচ্ছেন কর্মীরা

    সংস্থার পক্ষ থেকে ভারতে চাকরিরতদের প্রতি পূর্ণ বছরের জন্য ১৫ দিনের বেতনের পাশাপাশি—চাকরি অবসানের তারিখ পর্যন্ত এক মাসের বকেয়া বেতন, জমা থাকা ছুটির মূল্য (leave encashment), যোগ্যতা সাপেক্ষে গ্র্যাচুইটি এবং এক মাসের নোটিশ পিরিয়ডের বেতন প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কোম্পানি ‘টপ-আপ’ হিসেবে অতিরিক্ত দু’মাসের বেতন দেবারও প্রস্তাব দিয়েছে। তবে, এই ‘সেভারেন্স প্যাকেজ’ বা ক্ষতিপূরণ সুবিধা কেবল সেইসব কর্মীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যাঁরা স্বেচ্ছায় এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে কোম্পানি থেকে পদত্যাগ করবেন।

    গণছাঁটাই কেন?

    চলতি অর্থবর্ষে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটির আয় ব্যাপক হারে বেড়েছে। তাহলে গণছাঁটাই কেন? প্রাথমিক ভাবে ৩০ হাজার কর্মীর ছাঁটাইয়ের কথা জানা গেলেও ওরাকেল চাকরি হারানো কর্মীর সংখ্যা নিশ্চিত করেনি। সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, সবচেয়ে বেশি করে প্রভাব পড়েছে ভারত ও মেক্সিকোয়। এভাবে রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এআই বা কৃত্রিম মেধার উপর সংস্থার ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা।

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ। সেকথা মাথায় রেখে ডেটা সেন্টার নির্মাণে ওরাকেল সম্প্রতি ১৫৬ বিলিয়ান ডলার বিনিয়োগ করেছে। মূলত ওপেনএআই-এর জন্য বিনিয়োগ। এই বিপুল খরচের অন্যতম কারণ ডেটা সেন্টারের জন্য ৩ মিলিয়ান বিশেষ ধরনের চিপস কেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াও এর জন্য বছরে ৬.৯ বিলিয়ান থেকে ৫০ বিলিয়ান অবধি খরচ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের কারণেই কোম্পানিটি কর্মী ছাঁটাই-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচের পথে হাঁটল।

  • West Bengal Elections 2026: মনোনয়ন দাখিলের হলফনামায় শুভেন্দুর পেশ করা সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে, রইল খতিয়ান

    West Bengal Elections 2026: মনোনয়ন দাখিলের হলফনামায় শুভেন্দুর পেশ করা সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে, রইল খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল সাজানোর মাঝেই হলদিয়া মহকুমা শাসকের দফতরে নিজের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি নিজের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।

    আর্থিক সম্পদের বিবরণ (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হাতে এই মুহূর্তে নগদ অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২১ সালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৯০ লক্ষ ৬ হাজার ১৪৯ টাকা ৩২ পয়সা । কিন্তু এবারের হলফনামায় তাঁর বর্তমান মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থাৎ, গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে শুভেন্দু অধিকারীর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪৯ টাকা কমে গিয়েছে। তবে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় স্কিমে তাঁর সম্পত্তি রয়েছে। ব্যাঙ্ক আমানত, বন্ড এবং বিমার কিস্তি মিলিয়ে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে বর্তমানে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির আনুমানিক পরিমাণ ৬১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। স্থাবর এবং অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পত্তির অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকায়।

    স্থাবর সম্পত্তি

    ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে (West Bengal Elections 2026) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ১৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৯০ টাকার আয়কর দাখিল করেছেন। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৬০ টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৮ লক্ষ ৮ হাজার ৪৬১ টাকার আয়কর দাখিল করেছিলেন তিনি। সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডাকঘরের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প এবং কিষাণ বিকাশ পত্র মিলিয়ে তাঁর মোট বিনিয়োগ ও জমানো অর্থের পরিমাণ ২৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ বা নির্দিষ্ট কিছু অকৃষিজমির মালিকানা থাকলেও, গত কয়েক বছরে নতুন করে বড় কোনও স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের উল্লেখ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

    যানবাহন ও অন্যান্য

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) হলফনামা অনুযায়ী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। যাতায়াতের জন্য তিনি মূলত দলীয় বা সরকারি নিরাপত্তা বলয়ের অন্তর্ভুক্ত যানবাহন ব্যবহার করেন। এছাড়া তাঁর নামে কোনও বড় অঙ্কের ঋণ বা বকেয়া করের দায়বদ্ধতা নেই বলেও হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। এগরা এবং নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর নামে জমি রয়েছে ২.৪৬ একর কৃষি জমি। এর মধ্যে একটি জমির মূল্য ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং অপরটির মূল্য আট লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়েছে। তবে সম্পত্তির শেষ এখানেই নয় । তমলুকের পার্বতীপুরে মণীষা অ্যাপার্টমেন্টে ৪৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট এবং কুমারপুর মৌজায় নিবেদিতা আবাসনে ১১৫২ বর্গফুটের আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর নামে। এছাড়া কারকুলিতে সাড়ে চার হাজার বর্গফুটের একটি আবাসিক ভবনও রয়েছে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর বা এমএ পাশ করেছেন। তবে এই হলফনামার সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দিকটি হল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিচারাধীন মামলার (West Bengal Elections 2026) তালিকা। হলফনামার প্রায় ১৯ থেকে ২০ পাতা জুড়ে শুধুমাত্র রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার বিবরণ রয়েছে। শুভেন্দু অতীতে একাধিকবার দাবি করে এসেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে রাজ্যের শাসক দল তাঁর বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি ভুয়ো মামলা দায়ের করে রেখেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির অভিযোগ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু জামিন অযোগ্যধারায় মামলা করা হয়েছে।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    হলফনামায় এখনও পর্যন্ত যে যে মামলাগুলির কথা রয়েছে তার মধ্যে হল গড়বেতা, চাঁচল, খড়গপুর, খড়দা, লালগড়, সাঁকরাইল, জামবনি, ঝাড়গ্রাম, বেলেঘাটা, বউবাজার, ভূপতিনগর, হেয়ার স্ট্রিট, দুর্গাচক, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, পাঁশকুড়া, ময়দান, কাঁথি এবং জোড়াসাঁকো থানায় তাঁর নামে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে। এই মামলাগুলির বিচারপ্রক্রিয়া বর্তমানে বিভিন্ন নিম্ন আদালতে চলছে। অভিযোগগুলির মধ্যে পুলিশের দায়ের করা অভিযোগগুলির মধ্যে আদিবাসীদের অসম্মান, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, আর্থিক দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা, খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর ধারা রয়েছে। এমনকী পকসো মামলাতেও তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে হলফনামা সূত্রে জানা গিয়েছে ।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    মনোনয়ন (West Bengal Elections 2026) জমা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, সাধারণ মানুষের আশীর্বাদই তাঁর আসল সম্পদ। হলফনামায় দেওয়া এই তথ্যাদি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই তিনি এই সমস্ত তথ্য পেশ করেছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর।

  • Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শান্তিনিকেতনে ছাত্র রাজনীতির উত্তাপে শোরগোল পড়েছে।  ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার দাবিতে সভা করে এসএফআই। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) সংলগ্ন এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং ডানপন্থী সংগঠন এবিভিপি-র কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Shantiniketan)।

    ঘটনার সূত্রপাত (Visva Bharati)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘ কয়েকদিন ধরেই ক্যাম্পাসের (Visva Bharati) অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় ও রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে দুই সংগঠনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। এবার রূপান্তরকামী আইনকে কেন্দ্র করে সেই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। উভয় পক্ষের ছাত্ররা একে অপরের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান এবং আক্রমণের অভিযোগ এনেছে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিনিকেতন (Shantiniketan)  থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার (Visva Bharati) জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    এসএফআই-এর দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতদের নিয়ে এসে অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে এবিভিপির সমর্থকরা। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও তাদের দাবি।  পাল্টা গেরুয়া শিবিরের দাবি, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাসে (Visva Bharati) অসহিষ্ণুতার পরিবেশ তৈরি করছে এবং তাদের কর্মীদের ওপর বিনা প্ররোচনায় আক্রমণ করা হয়েছে। এবিভিপি-র এক কর্মী বলেন, “এসএফআই সব সময়ই দেশবিরোধী কার্যকলাপ করে থাকে। ভারত মাতার জয়-বন্দে-মাতরম শুনলে তো ওদের রক্ত গরম হয়ে যায়। সেই কারণে ওদের জ্বলন হয়। এরপর ওদের কয়েকজন এখানে চলে আসে। ধস্তাধস্তি করে। আমাদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিরোধ করি। পরে বাধ্য হয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসেছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ

    বিশ্বভারতী (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষ এই অপ্রীতিকর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জারি রাখা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এহেন বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ আশ্রমিক ও সাধারণ অভিভাবক মহল।

LinkedIn
Share