Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে ইডির অভিযোগ বহাল রাখল হাইকোর্ট, রইল না তদন্তে বাধা

Abhishek-29

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে ইডির করা অভিযোগ খারিজ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত স্কুল শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় ইডির অভিযোগ বা ইসিআইআর-এর খারিজের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের পর্যবেক্ষণ, ‘‘তদন্ত চলছে। এই পরিস্থিতিতে ইসিআইআর খারিজের আবেদন অপরিণত অবস্থায় রয়েছে। তাই এই নিয়ে আদালত এখনই কোনও নির্দেশ দেবে না।’’

বাধা রইল ইডির তদন্তে

শুক্রবার হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণের ফলে ইডির তদন্তে আর কোনও বাধা রইল না বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, এই মামলায় ১৩ সেপ্টেম্বর সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এর আগে ২১ অগাস্ট প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিসে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। সেখানে বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু নথি। পরবর্তীকালে ২৩ অগাস্ট ইডির প্রেস বিবৃতিতে লিপস অ্যান্ড বাউন্সের সিইও হিসেবে উঠে আসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের (Abhishek Banerjee) নাম। ইডির এই প্রেস বিবৃতি অনুযায়ী ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত লিপস অ্যান্ড বাউন্সের ডিরেক্টর পদে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র গ্রেফতার হতেই তদন্তে জড়ায় লিপস অ্যান্ড বাউন্স সংস্থার নাম। অভিযোগ, ওই কোম্পানির মাধ্যমেই নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতেন কালীঘাটের কাকু। এক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলে থাকা তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটেরও হদিস পায় ইডি।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। তাঁর চিঠির সূত্র ধরেই উঠে আসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নাম। তৃণমূলের যুবনেতার দাবি ছিল যে অভিষেকের নাম বলার জন্য নাকি তাঁকে চাপ দিচ্ছে ইডি-সিবিআই। পরবর্তীকালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্যবেক্ষণে বলেন যে প্রয়োজন পড়লে সিবিআই বা ইডি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই একই নির্দেশ পরবর্তীকালে বহাল রাখেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share