Sandeshkhali: দুই মন্ত্রীর কাছে শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানালেন সন্দেশখালিবাসী

Sandeshkhali_(18)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। যত দিন যাচ্ছে শাহাজাহান বাহিনীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন একের পর এক গ্রামবাসী। শক্ত জমি ক্রমশ আলগা হচ্ছে তৃণমূলের। এটা বুঝতে পেরেই বারবারই ছুটে আসছেন মন্ত্রীরা। দিনভর মাটি কামড়ে পড়ে থাকছেন সন্দেশখালিতে। গ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলছেন। শনিবারও রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সুজিত বসু সন্দেশখালি গিয়েছিলেন। দিনভর এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলে ক্ষোভ কতটা রয়েছে তা বোঝার চেষ্টা করেন। পাশে থাকার আশ্বাস দেন তাঁরা। এতকিছু কি করার পরও ছিঁড়ে কতটা ভিজল তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানালেন বাসিন্দারা (Sandeshkhali)

ইডির ওপর হামলার পর থেকেই শাহজাহান বেপাত্তা। তাঁর অন্যতম সাগরেদ উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাতেও সন্দেশখালীবাসীর (Sandeshkhali) ক্ষোভের আগুনে জল ঢালতে পারেনি প্রশাসন। বরং যত দিন গিয়েছে ক্ষোভ তত বেড়েছে। দুদিন আগেই শাহজাহানের ভাইকে তাড়া করেছে এলাকার মানুষ। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। তাঁর ওপর চড়াও হয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সন্দেশখালি অত্যাচারের নায়ক শাহজাহানকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না। দুই মন্ত্রীর কাছেও তাঁরা শাহজাহানের গ্রেফতারির জন্য দরবার করেন। মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কতটা ক্ষোভ রয়েছে শাহজাহানের উপর সেটা টের পান রাজ্যের দুই মন্ত্রী।

কী বললেন মন্ত্রী?

মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, উত্তম ও শিবুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শাহজাহানের বিষয়টি ইডি। ইডি রাজ্য সরকারের অধীনে নয়। কেন্দ্রের অধীনে। শাহজাহানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ইডি। এর আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার শাহজাহান গ্রেফতারি প্রসঙ্গে একই সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে, মন্ত্রীদের এই ধরনের কথাতে সন্তুষ্ট নন সন্দেশখালিবাসী।

বসিরহাটের পুলিশ সুপার কী বললেন?

দুদিন আগেই রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার সন্দেশখালি এসেছিলেন। আইন হাতে না তোলার বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সন্দেশখালি থেকে তুই চলে যাবার পরই সক্রিয় হয়ে উঠেছিল পুলিশ। উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফলে পুলিশের বিরুদ্ধেও খুব উপড়ে দিয়েছিলেন বাসিন্দারা। বিক্ষোভাতে ইতিমধ্যে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে মজুর গ্রামে। একাধিক জায়গায় পুলিশ কাম করা হয়েছে। বসিরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মেহেদি রহমান বলেন, ক্যাম্পে ভালো সাড়া মিলছে। অনেকেই অভিযোগ জানাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত ৯ জনের জমি ফেরানো ব্যবস্থা হয়েছে। বাকি অভিযোগ খতিয়ে থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share