Sikkim Flash Flood: সিকিম বিপর্যয়ের পর খোঁজ নেই তথ্য প্রযুক্তি কর্মী সহ তিন বন্ধুর, দুশ্চিন্তায় পরিবার

Sikkim_Flash_Flood

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেহাতই শখের বসে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া সিকিমে (Sikkim Flash Flood)। তবে সেটাই যে মহা দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠবে তা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি মালদার রতুয়ার বাসিন্দা পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী সুশান্ত সাহার পরিবারের লোকজন। প্রায় চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও যোগাযোগ না হওয়ায় রাতের ঘুম উড়েছে ওই পরিবারের। শুধু সুশান্তবাবু নয় সিকিমে ঘুরতে গিয়ে বহু পর্যটকের এখনও খোঁজ নেই।

সিকিমের লেক থেকে শেষ ছবি! (Sikkim Flash Flood)

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত সিকিমে (Sikkim Flash Flood) গত চারদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন সুশান্ত সহ আরও তিন বন্ধু। এদিকে ছেলের খোঁজে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তার পরিবারের লোকেরা। যদিও এখনও পর্যন্ত ওই যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। সুশান্তর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১ অক্টোবর শিলিগুড়িতে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন সুশান্ত। সেখানেই আরও তিন বন্ধুর সঙ্গে মিলে পরিকল্পনা করেন সিকিম ঘুরতে যাওয়ার। তবে রবিবার আবহাওয়া খারাপ থাকায় সোমবার দিন বাইক ভাড়া করে সিকিমে রওনা দেন চার বন্ধু। সোমবার বিকেলে সিকিম পৌঁছে যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে কথা হয় তার। এমনকি পরদিন মঙ্গলবার সিকিমের গুরুদংমার লেকে গিয়ে বাড়িতে ছবিও পাঠান তিনি। তবে তারপর থেকে সুশান্তর  সঙ্গে আর কোনও রকম যোগাযোগ সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে তার পরিবার। এদিকে সংবাদমাধ্যমে পরিবারের লোকজন খবর পান প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গোটা সিকিম। একাধিক জায়গায় যেমন সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, তেমনি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যোগাযোগ পরিষেবা। এমন অবস্থায় সন্তানের জন্য আরও বেশি করে চিন্তিত হয়ে পড়েছে রতুয়ার থানাপাড়ার সাহা পরিবার।

পরিবারের লোকজন কী বললেন?

সুশান্তর মা দিপালী সাহা বলেন, “গত সোমবার দিন ছোট ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছে। এরপর মঙ্গলবার গুরুদংমার (Sikkim Flash Flood) থেকে বেশ কয়েকটি ছবিও পাঠায় সুশান্ত। যদিও তারপর থেকে বহু চেষ্টা করেও ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারিনি। খুব দুশ্চিন্তায় আছি। ছেলের চিন্তায় রাতে ঠিকমতো ঘুমোতেও পারছি না।” সুশান্তর বাবা ধীরেন্দ্রনাথ সাহা জানান, “প্রায় চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও ছেলের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পুলিশকে জানিয়েছি যাতে আমার ছেলেকে সুস্থ ভাবে ঘরে ফেরত নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়।” ছোট ভাইয়ের জন্য দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তার দাদা শুভঙ্করও। তিনি জানিয়েছেন, সুশান্তর সঙ্গে সিকিমে ঘুরতে গিয়েছিলেন শিলিগুড়ির দুজন ও বিহারের একজন বন্ধু। তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যায়নি।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share