Kamarhati: তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

Untitled_design_(69)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শ্যুটআউট। তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি (Kamarhati) এলাকায়। গুলিবিদ্ধ তৃণমূলকর্মীর নাম আসিফ ওরফে কাল্লু। তাঁর হাতে ও পা গুলি লেগেছে। তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের খাসতালুকে দলীয় কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা জানা গিয়েছে, আসিফ তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্র নিয়ে তিনি প্রথম সরব হয়েছিলেন। লিফলেট করে সচেতন করেছিলেন। আর দালাল চক্রের সঙ্গে তৃণমূলের এক কর্মী জড়িত বলে তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন। যা নিয়ে কিছুদিন আগে কামারহাটির (Kamarhati) রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। এবার সেই বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। জানা গিয়েছে, এদিন কামারহাটির ষষ্ঠীতলা এলাকার রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন ওই তৃণমূলকর্মী। বাইকে করে ৪ দুষ্কৃতী তাঁকে পিছন থেকে ধাওয়া করে। পর পর চারটি গুলি চালায়। দুটি গুলি গিয়ে লাগে কাল্লুর শরীরে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই যুবক। হুড়োহুড়ি পড়ে যায় এলাকায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে সাগরদত্ত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কী কারণে গুলি তা এখনও জানা যায়নি। এলাকায় কাল্লু সক্রিয় তৃণমূলকর্মী হিসাবে পরিচিত। রাজনৈতিক কোনও কারণেই কাল্লুকে গুলি করা হল কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গুলি চালনার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে ওই এলাকায়।

গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী কী বললেন?

গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তাই, এই হামলা। এদিন আচমকা পটকা ফাটার মতো আওয়াজ শুনতে পাই। প্রথমে কিছু বুঝতে পারিনি। পরে, রাস্তায় বেরিয়ে দেখি, আমার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমার স্বামীকে যে বা বা যারা খুন করার চেষ্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

তৃণমূল কাউন্সিলর কী বললেন?

কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর আফসানা খাতুন বলেন, গুড্ডুদের বন্ধু কাল্লু। ওরা তোলাবাজি করে। আমি বাধা দিয়েছিলাম। আমি মানুষের পাশে রয়েছি। কিন্তু, তোলাবাজি করতে দেব না কাউকেই। রিঙ্কুয়ার বন্ধু কাল্লু। ওই তোলাবাজরাই আমাদের দল খেয়ে ফেলছে। আর তোলাবাজরা কোনও দলের হয় না।

 

দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share