মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামের একই আসনে জয়ী দুই প্রার্থী। একজন তৃণমূল (TMC) প্রার্থী, অন্য জন শাসকদলের টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়ে দাঁড়ানো প্রার্থী। দুজনের কাছেই রয়েছে এপিআরও স্বাক্ষর করা জয়ের শংসাপত্র। কেন্দামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৭ নম্বর আসনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
কী বললেন জয়ী হওয়ার শংসাপত্র পাওয়া নির্দল প্রার্থী?
নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের কেন্দামারি জালপাই পঞ্চায়েতের ২২ টি আসনে মূলত তৃণমূল ও নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তনরা টিকিট না পেয়ে নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন পর্ষদের ব্যানারে দলের বিরুদ্ধেই প্রার্থী হন। জালপাই পঞ্চায়েতের ২১৭ নম্বর আসনে তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন তাপসী দোলই। আবার নন্দীগ্রাম আঞ্চলিক উন্নয়ন পর্ষদের সর্মথন নিয়ে নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে দাঁড়ান রীতা বল্লভ। নির্দল প্রার্থী রীতা বল্লভের বক্তব্য, ১১ জুলাই ভোট গণনার দিন, আমাকে ১৮১ ভোটে জয়ী ঘোষণা করে এপিআরও-র সই ও স্ট্যাম্প-সহ শংসাপত্র দেওয়া হয়। ফলে, সবার আগে আমি জয়ের শংসাপত্র পেয়েছি। আর তার ঠিক সাতদিন পর সোমবার, আমাকে ফোন করে জানানো হয়, ওই শংসাপত্রে ভুল রয়েছে। বিডিও অফিসে আমাকে দেখা করতে বলা হয়। সেদিনই, তৃণমূলের প্রার্থীকে ১৮১ ভোটে জয়ী ঘোষণা করে শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়। তাতেও এপিআরও-র সই ও স্ট্যাম্প রয়েছে। ফলে, এটা শাসকদলের কথা শুনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা অন্যায় এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হব।
কী বললেন জয়ী হওয়া তৃণমূল (TMC) প্রার্থী?
তৃণমূল (TMC) প্রার্থীর তাপসী দোলইয়ের বক্তব্য, ভোটের ফল বের হওয়ার কয়েকদিন পর আমাকে ফোন করে জানানো হয়েছে আমি জয়ী হয়েছি। এরপরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে শংসাপত্র দেওয়া হয়। ফলে, প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই আমি জয়ী হয়েছি।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply