Syria: আইএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিয়ার ৩৫ টার্গেট কেন্দ্রে নিশানা আমেরিকার

us strikes 35 targets in syria targeting ISIS base

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সিয়ার (Syria) থেকে আইএসকে নির্মূল করতে অনেকদিন ধরেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে আমেরিকা প্রশাসন। জঙ্গি হামলায় ট্রাম্পের (Donald Trump) মার্কিন সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গত মাসেই এই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বড় হামলা চালিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। একে, শাসক বিরোধী বিক্ষোভের জেরে উত্তাল ইরান, ঠিক সেই সময়েই আইএসআইএসের বিরুদ্ধে শনিবার রাতে আকাশ পথে হামলা চালায় আমেরিকা। জানা গিয়েছে, অন্তত ৩৫টি এলাকায় নিশানা করে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ বিমান ব্যবহার (Syria)

মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডার মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স এই হামলার কথা জানান। এফ-১৫ই, এ-১০ এবং এসি ১৩০ যে গানশিপ সহ ২০টি যুদ্ধ বিমান সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে। একই ভাবে হামলায় ব্যবহার করা হয় এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং জর্ডনের এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। ৩৫টি নিশানায় আনুমানিক ৯০টিরও বেশি বোমা ফেলা হয়েছে। ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেন, “আইএসকে (Syria) নির্মূল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তার ভিত্তিতে সিরিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতের জঙ্গি হামলা দমন এবং আমেরিকা (Donald Trump) ও তাদের সঙ্গীদের সুরক্ষা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

হকআই স্ট্রাইক

পালমিরা আক্রমণের বদলা হিসেবে একে “অপারেশন হকআই স্ট্রাইক” হিসেবে বিবেচনা করে হানা দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। টরেস-টোভার এবং হাওয়ার্ড উভয়ই আইওয়া ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য ছিলেন। ২০২৪ সালের পর সিরিয়ার (Syria) শাসক বাশার আল আসাদের পতনের পর গত মাসে দুই মার্কিন নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল। তবে আমেরিকার মতে এই হত্যার দায় কেবলমাত্র আইএসের। ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসন তাই কঠোর বার্তা দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই হামলা শুরু হয়েছে। গত ২৬ তারিখে আইএসের পশ্চিম এশিয়ার প্রধান নেতা ধিয়া জাওবা মুসলি আল হারদানি এবং তাঁর দুই পুত্র নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share