মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ (Rape) করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই তৃণমূল নেতা ও তার এক সঙ্গী ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দির বাজার থানার কেচারকুড় গ্রামের নির্যাতিতা ওই কলেজ ছাত্রী।
ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Rape)
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল দশটা নাগাদ ব্যাঙ্কে যায়। সেখানে তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করেন ওই যুবতী। সেই সময় কেচারকুড় এলাকার দুই যুবক সাহারুল হালদার ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইউনুস হালদার ওই কলেজ ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সেকেন্দারপুর মোড়ে নিজের একটি ফাঁকা বাড়িতে তোলে। প্রেমিককে একটি ঘরে আটকে রেখে অন্য একটি ঘরের মধ্যে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, তার নগ্ন ছবি মোবাইলে তুলে নিয়ে হুমকি দেয়। বিষয়টি কাউকে জানানো হলে তার নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকী তাদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকাও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই কলেজ ছাত্রীকে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে, না হলে নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনায় নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি আদালতে গোপন জবানবন্দীর জন্য পেশ করে পুলিশ।
কী বললেন নির্যাতিতা?
নির্যাতিতা বলেন, বাড়ি ফিরে সমস্ত বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানাই। ঘটনার পর মন্দির বাজার থানায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি সারুল হালদার ও ইউনুস হালদারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। আদালতে সমস্ত কিছু জানিয়েছি। কিন্তু, ঘটনার পর তিনদিন হয়ে গেল পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। ওরা তৃণমূল করে বলে কি পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেবে না। আমাদের দাবি, অভিযুক্তদের ফাঁসি দেওয়া হোক।
কী বললেন অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতার স্ত্রী?
অবশ্য এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইউনুস হালদারের স্ত্রী বলেন, যেহেতু আমার স্বামী তৃণমূল কংগ্রেস করেন, তাই চক্রান্ত করে স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন আইএসএফের কর্মী সমর্থক। এই সব ধর্ষণের (Rape) ঘটনায় আমার স্বামী জড়িত নয়।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
Leave a Reply