মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজ্যে আচমকা ঝড়বৃষ্টি এবং বজ্রপাতে রাজ্যে মৃত্যু হল ১৩ জনের। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। এর মধ্যে মালদায় (Malda) মৃত ১১ জন এবং মুর্শিদবাদ-জলপাইগুড়িতে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারে ব্যাপক শোকের ছায়া। মালদা জেলা শাসক নিতিনি সিংহানিয়া জানিয়েছেন, “মৃতদের পরিবারকে দুই লক্ষ করে টাকা দেওয়া হবে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারি তরফ থেকে সবরকম সাহায্য করা হবে।”
আচামকা বাজ পড়ে মৃত্যু (Malda)
মালদায় (Malda) মৃতদের মধ্যে দুই জন স্কুলের ছাত্র। মালাদার মৃত ১১ জনের মধ্যে তিন জনের বাড়ি পুরাতন মালদা থানার সাহাপুরে। অপর আরও দুই জনের বাড়ি গাজোল থানার আদিনা এবং রতুয়া থানার বালুপুর এলাকায়। বাকিদের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর এবং ইংরেজ বাজার থানা এলাকায়। মৃত দেহগুলিকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য আনার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। মৃতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মুখ্যমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
মালদায় (Malda) বজ্রপাতের ফলে ১১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা ইতিমধ্যে নিজের এক্সহ্যান্ডেল শোক প্রকাশ করেছেন। পরিবারগুলিকে সবরকম সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম, চন্দন সাহানি (৪০), রাজা মৃধা (১৬), মনোজিৎ মণ্ডল (২১), অসিত সাহা (১৯), সুমিত্রা মণ্ডল (৪৬), পঙ্কজ মণ্ডল (২৩), নয়ন রায় (২৩), প্রিয়াঙ্কা সিংহ রায় (২০), রানা শেখ (৮), আতুল মণ্ডল (৬৫) এবং সাবারুল শেখ (১১)।
আরও পড়ুনঃ জেরক্সের দোকানে জাল আধার-ভোটার কার্ড সক্রিয়, সিমবক্স উদ্ধারে জঙ্গি যোগ!
পরিবারের বক্তব্য
পুরাতন মালদার সাহাপুর এলাকার মৃত মনোজিৎ মণ্ডলের দাদা সঞ্জীব মণ্ডল বলেছেন, “গতকাল আমার ভাই সহ আরও তিনজন ভাটরা এলাকায় ধানের জমিতে কাজ করছিল। বৃষ্টির জন্য একটি গাছের তলায় আশ্রয় নিয়েছিল তারা। কিন্তু বৃষ্টির মধ্যে আচমকা বাজ পড়তে শুরু করে। এরপর বাজের তীব্রতায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাদের।” আবার গাজলে মৃতদের সম্পর্কে জানা গিয়েছে আমবাগান দিয়ে ফেরার সময় বাজ পড়ে মৃত্যু হয় অসিত সাহার। রতুয়া থানার বালুপুরে গৃহবধূ সুমিত্রা জমিতে ধান কাটতে গেলে বাজ পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
Leave a Reply