মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের নয়া অধিকর্তা হচ্ছেন জয় ভট্টাচার্য (Jay Bhattacharya)। পুরো নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য। বছর ছাপ্পান্নর জয় একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। তাঁর জন্ম কলকাতায়। বর্তমানে তিনি যুক্ত রয়েছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিক রিসার্চের সঙ্গে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে এমডি ডিগ্রি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডিও করেছেন জয়।
জয়ের ভূয়সী প্রশংসা (Jay Bhattacharya)
জয়কেই যে এনআইএইচ-এর অধিকর্তার পদে বসানো হচ্ছে, ২৬ নভেম্বর সে সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন ক্যাবিনেটে অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি জয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারত-বন্ধু ট্রাম্প। ট্রাম্প জানান, রবার্ট এফ কেনেডির সঙ্গে মিলে এখন থেকে আমেরিকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দায়িত্ব সামলাবেন জয়। স্বাস্থ্য অধিকর্তার পদে নিযুক্তির খবর (Jay Bhattacharya) পাওয়ার আগেই কেনেডির সঙ্গে দেখা করেছিলেন জয়। তাঁকে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান। তার পরেই এল নিযুক্তির খবর।
কী বললেন ট্রাম্প?
বিবৃতি জারি করে ট্রাম্প বলেন, “ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হেল্থ পলিসি নিয়ে পড়ান জয়। ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিকস রিসার্চের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট তিনি। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট এবং হুভার ইনস্টিটিউটে তিনি সিনিয়র ফেলো। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমডি এবং পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে তাঁর কাছে।” হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, স্ট্যানফোর্ডের সেন্টার ফর ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইকোনমিক্স অফ হেল্থ অ্যান্ড এজিংয়ের ডিরেক্টর জয়। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হল, সমাজের দুর্বল শ্রেণির মানুষের জন্য স্বাস্থ্য প্রকল্পের ভূমিকা, বায়োমেডিক্যাল ইনোভেশন এবং অর্থনীতি।
আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই
কলকাতায় ১৯৬৮ সালে জন্ম জয়ের (Jay Bhattacharya)। ১৯৯৭ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন থেকে তিনি ডক্টর অফ মেডিসিন ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে মাস্টার্স করেন তিনি। ২০০০ সালে স্ট্যানফোর্ড থেকেই অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি পান জয়। জয় নামে পরিচিত হলেও, তাঁর আসল নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এনআইএইচ। স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গবেষণায় অনুদান দিয়ে থাকে এই সংস্থা। মার্কিন (Donald Trump) দেশে ওষুধ এবং থেরাপির ক্ষেত্রেও অনুমোদন নিতে হয় এই সংস্থার (Jay Bhattacharya)।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।
Leave a Reply