Bara Mangwa: কমলালেবুর বাগান, তিস্তার সর্পিল জলধারা! নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বড়া মাঙ্গোয়া!

Bara_mangwa_(1)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলার অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র তিনচুলে বর্তমানে প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই তিনচুলে থেকে প্রায় ৪ কিমি দূরে এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa)। প্রায় ৪৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত নির্জন, অনাবিল পাহাড়ি গ্রাম বড়া মাঙ্গোয়া। একদিকে পাহাড়ের গায়ে ঝুম চাষ, কমলা লেবুর বাগান, অপর দিকে তিস্তা নদীর সর্পিল জলধারার পাহাড়ি সুরমূর্ছনা। তার সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করে তুলেছে আকাশ ছুঁতে চাওয়ার দুঃসহ স্পর্ধা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পাহাড়ের সারি। মন ভালো করে দেওয়ার জন্য যা যা থাকা দরকার, তার সব কিছুই উপস্থিত এখানে। এখান থেকে বিভিন্ন ছোট ছোট ট্রেকিং রুট চলে গিয়েছে বিভিন্ন দিকে। নেচার ট্রেইলে হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে দেখে আসা যায় প্রায় জনমানবহীন সুন্দর পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত ভিউ পয়েন্ট এবং চোরতেন। বড়া মাঙ্গোয়া থেকে ঘুরে নেওয়া যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার ছায়ায় ঢাকা পেশক চা বাগান।

ইকো ট্যুরিজমের নয়া পীঠস্থান (Bara Mangwa)

বড়া মাঙ্গোয়া থেকে আরও প্রায় ৩-৪ কিমি ট্রেকিং করে যাওয়া যায় আরও একটি সুন্দর পাহাড়ি গ্রাম ছোটা মাঙ্গোয়ায়। বর্তমানে ইকো ট্যুরিজমের নয়া পীঠস্থান হয়ে উঠেছে এই বড়া মাঙ্গোয়া এবং ছোটা মাঙ্গোয়া। কমলা বাগানে ঘেরা এই ছোটা মাঙ্গোয়া থেকে একদিকে বয়ে চলা তিস্তা, আর অপর দিকে কাঞ্চনজঙ্ঘার রুপ দেখে মুগ্ধ হতে হবেই। এই ছোটা মাঙ্গোয়া থেকে ভোরের সূর্যোদয় দর্শন করা এক অভাবনীয় অনুভূতি। এছাড়াও বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa) এবং ছোটা মাঙ্গোয়ায় শুধু যে কমলালেবুর বাগান আছে তাই নয়, এখানে চাষ হচ্ছে বিভিন্ন অরগ্যানিক সারের ব্যবহারে তৈরি করা বিভিন্ন মূল্যবান ভেষজ উদ্ভিদ। শুধু আপেল নয়, এখানকার মুসম্বি লেবুর সুখ্যাতি আছে সর্বত্র। এখান থেকে তিস্তা ও রঙ্গিত নদীর বুকে র‍্যাফটিংও করে নেওয়া যায়। ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই পাশের তাকলিঙ গ্রামের মনাস্ট্রিটিও।

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

কলকাতা থেকে ট্রেনে এনজেপি অথবা ধর্মতলা থেকে বাসে শিলিগুড়ি এসে সেখান থেকে সেবক ও তিস্তাবাজার হয়ে প্রায় ৬০ কিমি পথ এই বড়া মাঙ্গোয়া (Bara Mangwa)। যেতে হবে গাড়িতে। আর বড়া মাঙ্গোয়া থেকে একটু কষ্ট করে পাহাড়ি পথে কমলালেবুর বাগানের মধ্য দিয়ে প্রায় ২ কিমি দূরে ছোটা মাঙ্গোয়া। বড়া মাঙ্গোয়া আর ছোটা মাঙ্গোয়ায় রয়েছে অসংখ্য হোমস্টে। এগুলিতে একদম ঘরের আতিথেয়তায় স্থানীয় মানুষজনের সহজ-সরল জীবনের সঙ্গেও পরিচিত হওয়া যায় (Natural beauty)।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share