মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। বিধাননগরের পরিবর্তে কনফারেন্স হয় বাগডোগরা বিমানবন্দরের অদূরে, গোঁসাইপুরে। এদিনের সভায় লোক বিশেষ হয়নি। যার জেরে অসন্তুষ্ট হন রাষ্ট্রপতি। কনফারেন্সে (Tribal Conference) ভাষণ দিতে গিয়ে সে কথা চেপেও রাখেননি তিনি। বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?” এর পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বার্তা দেন রাষ্ট্রপতি। বলেন, “কোনও কারণে তিনি বোধহয় রাগ করেছেন আমার ওপর।”
রাষ্ট্রপতির প্রশ্ন (Draupadi Murmu)
দর্শকাসনে অনেক চেয়ার ফাঁকা দেখে রাষ্ট্রপতি বিস্ময় প্রকাশ করেন। বলেন, “এখানে বসে আমি অনেক সাঁওতালি মানুষকে বাইরে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি। এত চেয়ার ফাঁকা কেন? মনে হচ্ছে কেউ যেন তাঁদের এখানে আসতে বাধা দিচ্ছে। যখন আমি মাঠ এবং ব্যবস্থা দেখি, তখন আমার মনে হয় সাঁওতালি সম্প্রদায়ের এত বড় আন্তর্জাতিক সমাবেশে সকলের খোলাখুলি অংশগ্রহণ করা উচিত।” এর পরেই রাষ্ট্রপতি বলেন, “কারা সাঁওতালদের আটকাতে চাইছে? কারা চায় না সাঁওতালরা একজোট হোক? শিক্ষিত হোক?”
রাজ্য সরকারকে নিশানা রাষ্ট্রপতির
কনফারেন্সের শেষে রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে সরাসরি চলে যান বিধাননগরে, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। গোটা এলাকা ঘুরে দেখে তিনি বলেন, “আমি তো এখানেই সভা করতে চেয়েছিলাম। পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার (Tribal Conference) আমায় এখানে সভা করতে দিল না! এখানে অনুষ্ঠান হলে ভালো হত। এখানে অনেক জায়গা, অনেক মানুষ আসতে পারতেন (Draupadi Murmu)। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন কেন জানি না, এখানে সভার অনুমতি দেয়নি। এমন জায়গায় আজকের অনুষ্ঠান হচ্ছে, যেখানে মানুষের আসা কঠিন।” রাজ্য সরকারকে নিশানা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “রাজ্য সরকার বোধহয় আদিবাসীদের ভালো চায় না। তাই এখানে তাঁদের আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমায় স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি। যাই হোক, এটা কোনও ব্যাপার নয় (Tribal Conference)। আপনারা সকলে ভালো থাকবেন (Draupadi Murmu)।”

Leave a Reply